০৪ মে, ২০১৭ ১৫:১৭
২০১৭ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সিলেট বোর্ডে চার জেলার ৮১২ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়ে শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩৭। তবে শতভাগ ফেল করেনি কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (৪ মে) সকাল ১১টায় বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন সিলেট শিক্ষাবোর্ডের সচিব মো. মোস্তফা কামাল আহমদ।
এদিকে ২০১৬ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সিলেট বোর্ডে পাস করেছিলো ৩৭টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। তবে সে বছর ১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেউই পাশ করতে পারেনি।
অন্যদিকে ২০১৫ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সিলেট বোর্ডে শত ভাগ পাস করেছিলো ৩৬ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। তবে শতভাগ ফেল করেনি কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।
২০১৪ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সিলেট বোর্ডে শত ভাগ পাস করেছিলো ৬৭ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। তবে শতভাগ ফেল করেনি কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।
২০১৩ সালের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সিলেট বোর্ডে শত ভাগ পাস করেছিলো ৮৪ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। তবে শতভাগ ফেল করেনি কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।
প্রসঙ্গত, এবছর সিলেট বোর্ডে এসএসিতে ৯৪ হাজার ১শ’ ৪২জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। গত বছরের মত এবারের পরীক্ষায় মেয়েদের চেয়ে ছেলেরা এগিয়ে রয়েছে। ছেলেদের পাশের হার ৮০ দশমিক ৮৫ শতাংশ। আর মেয়েদের পাশের হার ৭৯ দশমিক ৭৯ শতাংশ।
সিলেট বোর্ডের অধীনে চার জেলায় পাসের হার সিলেটে ৮৪ দশমিক ৩১, হবিগঞ্জে ৭৬ দশমিক ০২, মৌলভীবাজারে ৭৬ দশমিক ১২ ও সুনামগঞ্জে ৮১ দশমিক ৩৮ শতাংশ।
এ বছর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং কারিগরি শিক্ষা নামে দুটি নতুন বিষয় যুক্ত হয়। বাংলা দ্বিতীয়পত্র এবং ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয়পত্র ছাড়া সব বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হয়। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রালপালসি জনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীরা স্ক্রাইব (শ্রুতি লেখক) সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরেছে। এ ধরনের এবং শ্রবণ প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ করা হয়।
আপনার মন্তব্য