০৯ মে, ২০১৫ ২২:২৫
খুশীতে থাকুক সবাই, হাসতে থাকুন সব সময়। এমন বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শনিবার সিলেটে শেষ হল দু’দিনব্যাপী রোটারেক্ট কনফারেন্সের ‘স্মাইল’ ২০১৫।
শুক্রবার বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সিলেট নজরুল অডিটোরিয়ামে কনফারেন্সের উদ্ধোধন হয়। কনফারেন্সে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ৬ শতাধিক রোটারেক্ট অংশ গ্রহন করে। কনফারেন্সে গত দু’দিনে একে অপরের মধ্যে গড়ে উঠে গভীর সখ্যতা, গভীর ভালবাসা। তাদের প্রত্যেকের মুখে একটাই কথা উন্নত হোক জাতি, এগিয়ে যাক দেশ। তাদের প্রত্যেকের ভাবনা দেশ নিয়ে, দেশের মানুষকে নিয়ে। তাই কিভাবে দেশের উন্নয়ন করা যায় সেটিও ফুটে উঠেছে তাদের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে। দু’দিনের কনফারেন্সে সন্ত্রাস মুক্ত বাংলাদেশ, জঙ্গিবাদ মুক্ত বাংলাদেশ গঠনের দৃঢ় শপথ নেন রোটারেক্টররা।
বিভিন্ন সেশনে উপস্থিত বক্তারা বলেন, যারা রোটারেক্ট করে তারা নিজেরা আলোকিত, আর তারা নিজেরাই আলোকিত করতে পারে এদেশ। যারা রোটারেক্টর তাদের প্রত্যেকের ভেতরে লুকিয়ে আছে নানা প্রতিভা। লুকিয়ে থাকা প্রতিভা জাগ্রত করতে রোটারেক্টিংয়ের বিকল্প নেই। বক্তারা দেশের তরুণ প্রজন্মকে রোটারেক্ট মুভমেন্টে জড়িত হওয়ার আহবান জানান।
সমাপণী সেশনে প্রধান অতিথি ছিলেন সাংসদ মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরী কয়েস। ডিস্ট্রিক্ট রোটারেক্ট রিপ্রেজেন্টেটিভ (ডিআরআর) অ্যাডভোকেট হোসাইন আহমদ শিপনের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিসিবির পরিচালক ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল।
অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শাহরিয়ার কবির সেলিম, রোটারিয়ান মুফতি শামীম আহমদ, আতিকুর রহমান, আতিক মাহমুদ,মীর নাজমুল আহসান রবিন, কামরুজ্জামান চৌধুরী রোম্মান, মোস্তফা আশরাফুল ইসলাম আলভি, কয়েস আহমদ সুমন, মুহিবুর রহমান ইমন, রফিকুস সালেহীন, আজাদ শিপন, আবু সালেহ চৌধুরী সুহেল, মো. ইমরান চৌধুরী, শাহ জুনেদ আলী, হাফিজুল হক, শামসুজ্জামান সাগর প্রমূখ।
রাতে শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে রোটারেক্টাররা ছাড়াও বিভিন্ন শিল্পীরা গান পরিবেশন করেন। কনফারেন্স শেষে উপস্থাপক সবাইকে স্মাইল, স্মাইল বলে অনুষ্ঠান শেষ করেন। তখন সবাই করতালি দিয়ে হাসতে হাসতে অডিটোরিয়াম ত্যাগ করেন। আর এভাবেই শেষ হয় সিলেটে দু’দিনব্যাপী রোটারেক্ট ডিস্ট্রিক্ট কনফারেন্সের।
আপনার মন্তব্য