গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি

২০ জুলাই, ২০১৮ ০০:১১

গোলাপগঞ্জে পাশের হার ৭৬.৬৪%, জিপিএ-৫ ১৬

এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় সিলেটের গোলাপগঞ্জে  ১২টি জিপিএ-৫ নিয়ে উপজেলার শীর্ষস্থানে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী গোলাপগঞ্জ এম.সি একাডেমী মডেল স্কুল এন্ড কলেজ। অন্যদিকে পাশের হারের দিক দিয়ে ৯৯.০৮% নিয়ে সবার উপরে রয়েছে রাণাপিং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ।

এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ডে মোট ২ হাজার ৩ শত ৯৪জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ১ হাজার ৮ শত ৩৫জন, পাশের হার ৭৬.৬৪%।

মাদ্রাসা বোর্ডে ২শত ৫৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাশ করেছেন ১ শত ৩২ জন, পাশের হার ৫১.৩৩%। তবে মাদ্রাসা বোর্ডে কোন জিপিএ-৫ আসেনি। উপজেলায় মোট জিপিএ-৫ এসেছে ১৬টি। এরমধ্যে এম.সি একাডেমী মডেল স্কুল এন্ড কলেজ ১২টি, কুশিয়ারা কলেজ ২টি ও ঢাকাদক্ষিণ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ ২টি।

গোলাপগঞ্জ এমসি একাডেমি মডেল স্কুল এন্ড কলেজে ৪ শত ৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩ শত ৫৩ জন, পাশের হার ৮৬.৯৫%। রাণাপিং আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ১ শত ৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ শত ৮ জন, পাশের হার ৯৯.০৮%। ভাদেশ্বর নাছির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ১ শত ৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ শত ৪ জন, পাশের হার ৯৫.০০%। ভাদেশ্বর মহিলা ডিগ্রী কলেজে ১ শত ৩৮জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ শত ২৮ জন, পাশের হার ৯২.৭৫%। ভাদেশ্বর কলেজ ৫২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪৮ জন, পাশের হার ৯২.৩১%। আত্হারিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৫৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪৮ জন, পাশের হার ৮৮.৮৯%। কুশিয়ারা কলেজে ১ শত ৩৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ শত ১৫ জন, পাশের হার ৮৫.১৯%। ফুলসাইন্দ দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৭৭ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৬৪ জন, পাশের হার ৮৩.১২%। আল-এমদাদ ডিগ্রি কলেজে ১ শত ১৫ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৯৩ জন, পাশের হার ৮১.৪২%।

এছাড়াও ঢাকা দক্ষিণ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ২ শত ৫৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ২ শত ৩ জন, পাশের হার ৮০.৫৬%। রণকেলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৬৮ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২ জন, পাশের হার ৭৬.৪৭%। ঢাকাদক্ষিণ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় কলেজে ৩ শত ৩৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ২ শত ৫৮ জন, পাশের হার ৭৬.৩৩%। ড. সৈয়দ মকবুল হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৬৪ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪৬ জন, পাশের হার ৭১.৮৮%। হাজী আব্দুল আহাদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৮১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২ জন, পাশের হার ৬৪.২০%। বিএনকে উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে ৫৯ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৯ জন, পাশের হার ৪৯.১৫%। ঢাকাদক্ষিণ ডিগ্রী কলেজে ৩ শত ৩২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে উত্তীর্ণ হয়েছে ১ শত ৩৪ জন, পাশের হার ৪০.৯৮%।

এদিকে মাদ্রাসা বোর্ডে হাজী আব্দুস শহীদ মহিলা আলিম মাদ্রাসায় ২৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ২৭জন, পাশের হার ৯৬.৪২%। মেহেরপুর আনছারুল উলুম আলিম মাদ্রাসায় ৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ২২জন, পাশের হার ৬৪.৭০%। ভাদেশ্বর মডেল ফাজিল মাদ্রাসায় ১শত ৬জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ৫৫জন, পাশের হার ৫১.৮৮%। ফুলবাড়ী আজিরিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় ৬২ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে পাশ করেছে ২১জন, পাশের হার ৩৩.৮৭%। আছিরগঞ্জ সিনিয়র আলীম মাদ্রাসায় ২৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহণ করে পাশ করেছে ৭জন, পাশের হার ২৫.৯২%।

এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অভিজিৎ কুমার পাল জানান, এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় আমাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল আসেনি। তবে আগামীতে আরো ভালো ফলাফল হবে আশা করছি।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত