২০ জুলাই, ২০১৮ ১৩:৪৮
সিলেটের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. আজম খান বলেন, ‘আমরা মাছে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি, এটা গোটা জাতির জন্য একটা বড় অর্জন। বাংলাদেশের সক্ষমতা অনেক বেড়েছে। এখন আমরা নিজেরাই পদ্মা সেতু তৈরি করছি।
আজম খান আরো বলেন, বাংলাদেশ মৎস্য উৎপাদনে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। মাছ আমাদের আমিষের চাহিদা পূরণে অনেক বড় ভূমিকা রাখছে। এই স্বয়ংসম্পূর্ণতা বহির্বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করবে।
১৯৮৩-৮৪ অর্থবছরে মাছের মোট উৎপাদন ছিল ৭ দশমিক ৫৪ লাখ মেট্রিক টন। ৩৩ বছরের ব্যবধানে ২০১৬-১৭ সালে এই উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৪১ দশমিক ৩৪ লাখ মেট্রিক টন। অর্থাৎ, এই সময়ের ব্যবধানে মোট মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় সাড়ে পাঁচ গুণ।
সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ ও মৎস্যজীবীদের আন্তরিকতার কারণেই এই উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। আগামীতেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে আন্তরিকতার সাথে সকলকে কাজ করতে হবে।
তিনি গোলাপগঞ্জে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা পরবর্তী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন।
স্বয়ংসম্পূর্ণ মাছের দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ” এই স্লোগান নিয়ে বৃহস্পতিবার (১৯ জুলাই) সকালে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম।
উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা আব্দুল আহাদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমন্ত ব্যনার্জি, কৃষি কর্মকর্তা খায়রুল আমিন, মৎস্য কর্মকর্তা ফনিন্দ্র সরকার। বক্তব্য রাখেন মৎস্যজীবী নুরুল ইসলাম, জাকির হোসেন, হোসেন আহমদ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্বাহী সদস্য জাহেদুর রহমান জাহেদ, গোলাগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাহিদ উদ্দিন, গোলাপগঞ্জ জার্নালিস্ট ফোরামের সেক্রেটারি খালেদ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ আব্দুল আজিজ, প্রচার সম্পাদক ফাহাদ হোসাইন প্রমুখ।
আপনার মন্তব্য