২৩ জুলাই, ২০১৮ ১৯:৩১
‘নির্বাচনকে সামনে রেখে আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষ নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে আবুল কালাম দীপু। দীপু, মঞ্জু ও তপু এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং চাঁদাবাজ। তারা কাউন্সিলর প্রার্থী, ওয়ার্ড বিএনপির উপদেষ্টা ও সাবেক সভাপতি ফারুক আহমদের কর্মী।’
সোমবার (২৩ জুলাই) দুপুরে সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন সিলেট সিটি করপোরেশনের ২৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মোস্তাক আহমদ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে দীপু ও তার ভাইয়েরা আওয়ামী লীগের কর্মী বলে পরিচয় দিয়েছে। বাস্তবে দীপু, মঞ্জু ও তপু বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। আমি ২৩নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের আহবায়ক এর দায়িত্ব পালন করছি। কখনো তাদেরকে আওয়ামী লীগের কোন মিছিল মিটিংয়ে দেখা যায়নি।
তিনি বলেন, তারা দিনরাত ফারুক আহমদের পক্ষে কাজ করছে। গত নির্বাচনেও সে বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে। এবারো করছে। মূলত ফারুক আহমদের পক্ষে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে আমার নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাঘাত ঘটানোর জন্য সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালিয়েছে।
মোস্তাক আহমদ জানান, ১৮ জুলাই বেলা ৩টায় আমি ও আমার ভাই ভাতিজার নেতৃত্বে হামলা চালিয়ে দিপু এবং তার ভাইদের উপর হামলা চালানো হয় বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়। বাস্তবে তারাই উপস্থিত জনতার সামনে আমার নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা করে ভাংচুর চালায়। তখন দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে প্রকাশ্যে মহড়া দেয়। এ ঘটনায় আমরা কোতোয়ালি থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেছি।
তিনি প্রশ্ন রাখেন, সে যদি হামলার শিকার হয়েও থাকে, তবে সে থানায় অভিযোগ দেয়নি কেন? বাস্তব ঘটনা হচ্ছে, এই পরিবার বিএনপির প্রার্থীর পক্ষে আমাকে হয়রানি করতে সংবাদ সম্মেলনসহ মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে ক্ষতি সাধনের পাঁয়তারায় লিপ্ত রয়েছে।
মোস্তাক আহমদ আশংকা প্রকাশ করেন, এই সন্ত্রাসী চক্র আগামী নির্বাচনী তার বিজয় ছিনিয়ে নিতে প্রতিপক্ষ প্রার্থীর পক্ষে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতে পারে। এলাকা অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে। এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মে জড়িত দীপু, মঞ্জু ও তপুদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলার তথ্য তুলে ধরেন তিনি। এজন্য চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন কাউন্সিলর মোস্তাক।
আপনার মন্তব্য