২৫ জুলাই, ২০১৮ ১৬:০২
সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান বলেছেন, সিলেট নগরীর আলো-বাতাসে আমি বড় হয়েছি। নগরবাসী আমার সুখ-দুঃখের সঙ্গী। প্রিয় সিলেট নগরী ও নগরবাসীর কল্যাণ ও উন্নয়নই আমার জীবনের একমাত্র ব্রত। অতীতের মতো ভবিষ্যতেও আমি সিলেটের উন্নয়নে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাব। বিশেষ গুরুত্ব দেব নগরীর ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে।
বুধবার (২৫ জুলাই) সকালে নৌকা প্রতীকের সমর্থনে নগরীর দক্ষিণ সুরমার কদমতলীস্থ ফল মার্কেটে অনুষ্ঠিত পথসভায় তিনি এ কথা বলেন।
বদর উদ্দিন আহমদ কামরান বলেন, সিলেট হলো শান্তির ও সম্প্রীতির জনপদ। এখনো আমরা সবাই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বসবাস করছি। তবে কিছু লোক সর্বদাই সমাজের শান্তি ও সম্প্রীতির বিঘ্ন ঘটাতে চায়। তারা সুযোগ পেলে এ সময় অপতৎপরতা শুরু করে। সিলেট সিটি নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে তারা ইতোমধ্যেই সন্ত্রাস, জ্বালাও-পোড়াওসহ বিভিন্ন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাচ্ছে। তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। সমাজের শান্তি বিঘ্নকারী এসব ব্যক্তিকে প্রত্যাখ্যান করতে হবে স্বাধীনতা, উন্নয়ন ও সম্প্রীতির প্রতীক নৌকাকে বিজয়ী করার মাধ্যমে।
ফল মার্কেট ব্যবসায়ী সমিতির সহসভাপতি বশির মিয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হাজী ফারুক আহমেদের পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, ব্যবসায়ী সামছ উদ্দিন আহমদ, রাজাক হোসেন, ইকবাল হোসেন, বদরুল আলম, সুমন আহমদ, নাছির উদ্দিন, আলম খান মুক্তি, সুজন আহমদ, খুরশেদ আহমদ, মইন উদ্দিন, রাজা মিয়া, সামাদ মিয়া, ফারুক আহমদ, জুমাদিন আহমদ প্রমুখ।
মেয়র প্রার্থী বদর উদ্দিন আহমদ কামরান সকাল ১১টায় দক্ষিণ সুরমা ফল মার্কেট এলাকায় যান। এ সময় তিনি সেখানে উপস্থিত ব্যবসায়ীসহ সকলের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং নির্বাচনের নৌকা প্রতীককে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার জন্য অনুরোধ জানান। উপস্থিত লোকজনও হাত তুলে নৌকা প্রতীকের প্রতি সমর্থন জানান।
এর আগে সকাল ১০টায় বদর উদ্দিন আহমদ কামরান নগরীর কাষ্ঠঘর এলাকায় গণসংযোগে যান। এ সময় স্থানীয় লোকজন নৌকার সমর্থনে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। কামরান এলাকার বিভিন্ন বাসা-বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে সবার কাছে দোয়া ও নৌকা প্রতীকে সমর্থন চান। এলাকাবাসীও তাকে স্বত:স্ফূর্তভাবে সমর্থন জানান।
গণসংযোগকালে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, মহানগর যুবলীগ আহবায়ক আলম খান মুক্তি, যুবলীগ নেতা বেলাল খান, রশিদ আহমদ, বদরুল হোসেন খান, কয়েছ খান, কামাল আহমদ, তপু চৌধুরী, বাবুল দে, সঞ্জয় দেব, অমর দত্ত, রাজু দত্ত, সংগ্রাম রায়, কান্ত পাল, পান্না দত্ত, টিটু চক্রবর্তী, জয় চক্রবর্তী, ঝুমন চক্রবর্তী, সুমন দত্ত, খোকন আহমদ, নন্দন চৌধুরী, পল্টু দাস, জাকির আহমদ, রনি চৌধুরী, সৌরভ চক্রবর্তী, রুহেল আহমদ, শাকিল আহমদ, বিশ্বজিত দাস, বিজয় পাল, সাইদ আহমদ, শিবু প্রসাদ দত্ত প্রমুখ।
আপনার মন্তব্য