নিজস্ব প্রতিবেদক

২৯ জুলাই, ২০১৮ ০২:০৪

প্রার্থীরা সরব, নীরব ভোটাররা

সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনের প্রচারণা শেষ হয়েছে শনিবার। এই কদিন প্রচার প্রচারণায় প্রার্থীরা সরব থাকলেও নীরব ছিলেন ভোটাররা।

সিসিক মেয়র পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৭ প্রার্থীর ৬ জন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সরব থাকলেও অনেকটাই নীরব এখানকার ২৭টি ওয়ার্ডের ভোটাররা। কে মেয়র হবেন, তার চেয়েও ভোট কেমন হবে, সে প্রশ্নটিই এখন নগরীর বেশিরভাগ ভোটারের কাছেই মুখ্য হয়ে ওঠেছে। ভোটের দিনসহ আগে ও পরের আইনশৃঙ্খলাসহ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ ছড়াচ্ছে নাগরিকদের মধ্যে। এরই মধ্যে বিএনপি মনোনিত মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব এবং বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাককে শনিবার (২৮ জুলাই) রাত ৯টার দিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জনগণের রায় ছিনিয়ে নিতে মরিয়া হয়ে ওঠেছে সরকার ও প্রশাসন এমন অভিযোগ আরিফুল হক চৌধুরীর। পুরো পরিস্থিতিকে ভিন্ন মোড় দেয়ার চেষ্টায় সরকার সমর্থিতরা, হামলার ঘটনা ঘটিয়ে আমার নেতাকর্মীদের মামলা দিয়ে হয়রানী করছে, এমন অভিযোগও তার।

শুক্রবার রাত ১২টা থেকে নগরীতে বহিরাগতদের চলাচলে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে এ নির্দেশনার মানছেন না প্রার্থীরা। আচরণবিধি লঙ্ঘন করে এক সাংসদকে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে দেখা গেছে।

ভোটের ঠিক পূর্ব মুহূর্তে এসে প্রার্থী ও ভোটারদের প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ পদ্ধতি। বিএনপি বলছে, ইভিএমের মাধ্যমে ভোটে ডিজিটাল কারচুপি হবে। আর আওয়ামী লীগের দাবি সময় বাঁচাতে ও দুর্ভোগ কমাতে সবগুলো কেন্দ্রেই ইভিএম ব্যবহার করা প্রয়োজন।

নগরীর বাগবাড়ি এলাকার বাসিন্দা লুৎফুর রহমানের (৬০) সাথে নির্বাচন কেমন হবে এ বিষয়ে কথা হলে তিনি নির্বাচন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন ভালোয় ভালোয় নির্বাচন শেষ হলেই রক্ষা।

৩০ জুলাই সিলেট সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবার ৩ লাখ ২১ হাজার ৭৩২ জন ভোটার ১৩৪টি ভোট কেন্দ্রে তাদের ভোট প্রদান করবেন। নগরীর ২৭টি টি ওয়ার্ডের এসব ভোট কেন্দ্রে ৯২৬ টি ভোট কক্ষে ভোট গ্রহণ করা হবে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত