০২ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:৩০
সাম্প্রতিক সময়ে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির বেড়ে যাওয়ায় কমলগঞ্জে ‘আমাদের দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা’ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি কমলগঞ্জ ইউনিটের উদ্যোগে মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) বিকাল ৫টায় শমশেরনগর ব্রাদার্স পার্টি সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি কমলগঞ্জ ইউনিটের সভাপতি নূরুল মোহাইমীন (মিল্টন)-এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান (মারুফ)-এর সঞ্চালনায় সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজারের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সার্কেল) মো. আশফাকুজ্জামান, কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমান, কমলগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সুধীন চন্দ্র দাস, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের সদস্য ও সুজা মেমোরিয়াল কলেজ অধ্যক্ষ ম মুর্শেদুর রহমান, শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (তদন্ত) অরুপ কুমার চৌধুরী, উপজেলা দূর্ণীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান চিনু। সভার শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান।
সভায় আরও উপস্থিত হয়ে সড়ক দূর্ঘটনা প্রতিরোধে মতামত ব্যক্ত করেন বক্তব্য রাখেন কমলগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ, সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তাফিজুর রহমান, মাসিক চা মজদুর পত্রিকার সম্পাদক সীতারাম বীন, সাংবাদিক মুজিবুর রহমান রঞ্জু, সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক রাজা, সাংবাদিক জয়নাল আবেদীন, সিএনজি মালিক সমিতির নেতা মিজানুল হক স্বপন, প্রভাষক আবু সাদাত মো: সায়েম, সিএনজি চালক সমিতির নেতা নুর মিয়া, সিরাজ মিয়া, রমিজ মিয়া, সারফিন মিয়া প্রমুখ। সভায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-ছাত্র, পরিবহনের বিভিন্ন বিভাগের প্রতিনিধি, চালক প্রতিনিধি, চাকুরিজীবি, পরিবহন মালিক প্রতিনিধিসহ নানা পেশার মানুষজন।
সভায় মৌলভীবাজারের সনিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল সার্কেল) মো. আশফাকুজ্জামানসহ অতিথিরা বলেন, বৈধ লাইসেন্স ছাড়া কোন চালক যানবাহন চালাতে পারবেন না। যান বাহন চালানোর সময় মুঠোফোনে কথা বলতে পারবেন না। যানবাহন চালানোর পূর্বে প্রশিক্ষণ তিনে হবে। স্কুল কলেজ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার সামনে অবৈধভাবে পার্কিং করা যাবে না। সড়কধারের অবৈধ স্থাপনা নিজেরাই অপসারণ করে নিতে হবে। সড়ক দূর্ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনে পুলিশ প্রশাসন থেকে নিয়মিত তদারকি করা হবে। আর দূর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য জনপ্রতিনিধি, উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, যানবাহন চালক, সাংবাদিক ও সর্ব সাধারণের সচেতন হয়ে নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে। তাহলেই ধীরে ধীরে সড়ক দূর্ঘটনা অনেকটা কমে আসবে।
আপনার মন্তব্য