সিলেটটুডে ডেস্ক

০৪ জানুয়ারি, ২০২৪ ১২:২৯

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ২৮ দলের ১৯৭১ প্রার্থী

আগামী ৭ জানুয়ারি ২০২৪ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত ৪৪টি রাজনৈতিক দলের ২৮টি অংশ নিচ্ছে।

নির্বাচনে ১৯৭১ জন প্রার্থী ভোটের লড়াইয়ে থাকছেন। এদের মধ্যে দলীয় প্রার্থী রয়েছেন ৪৩৬ জন আর স্বতন্ত্র প্রার্থী ১৫৩৫ জন।

মোট প্রার্থীর মধ্যে নারী প্রার্থী রয়েছেন অন্তত ৯৩ জন ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ অন্যান্য সম্প্রদায়ের প্রার্থী ৭৯ জন।

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর ১৮৯৫ জনের সঙ্গে আদালতের আদেশে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়া ৭৬ জন যুক্ত হন।

এদিকে, নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় লক্ষ্মীপুর-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান পবনের (ঈগল) প্রার্থিতা ইসি বাতিল করার পরের দিন বুধবার তিনি হাইকোর্ট থেকে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।বুধবার বিকেলে হাইকোর্টের বিচারপতি মো. ইকবাল কবীর ও বিচারপতি এস এম মনিরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ পবনের প্রার্থিতার বিরুদ্ধে ইসির সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন।

আগামী ৭ জানুয়ারি সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোট হবে স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স ও ব্যালট পেপারে।

এদিন ২৯৯ আসনে ভোট হবে। নওগাঁ-২ আসনের একজন প্রার্থী মারা যাওয়ায় সেখানে পরে ভোট হবে। নওগাঁ-২ আসনের দুই প্রার্থীও রয়েছেন; তবে এ আসনে প্রার্থীর মৃত্যুর পর নতুন তফসিলে ভোটের তারিখ নির্ধারণ হবে ও প্রার্থীও যুক্ত হতে পারে।

২৯৯ আসনের জন্য ব্যালট পেপার মুদ্রণও শেষ হয়েছে বলে জানান ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ।

ভোটের মাঝপথে দলীয় কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের মধ্যে গণতন্ত্রী পার্টির ১০ জনের প্রার্থিতা বাতিল করে ইসি। পরে আদালতের আদেশে পার্টির ১০ জনকে যুক্ত করায় ২৮টি দলের অংশগ্রহণ চূড়ান্ত হয়।

কোন দলে কত প্রার্থী
এবার সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে আওয়ামী লীগ। এরপরই রয়েছে জাতীয় পার্টি, আর তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৩৫ জন প্রার্থী রয়েছেন ‘সোনালী আঁশ’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে আসা তৃণমূল বিএনপির।

আওয়ামী লীগ (নৌকা): ২৬৬ জন; জাতীয় পার্টি (লাঙ্গল): ২৬৫ জন; জাকের পার্টি (গোলাপ ফুল): ২১ জন; তৃণমূল বিএনপি (সোনালী আঁশ) : ১৩৫ জন; ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (আম): ১২২ জন; বাংলাদেশ কংগ্রেস (ডাব): ৯৬ জন; জাসদ (মশাল): ৬৬ জন; বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (একতারা): ৭৯ জন; বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (ছড়ি): ৬৩ জন; বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ (টেলিভিশন): ৪৫ জন; বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন-বিএনএম (নোঙ্গর): ৫৬ জন; বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশন (ফুলের মালা): ৩৮ জন; ইসলামী ঐক্যজোট (মিনার): ৪২ জন; ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ (চেয়ার): ৩৯ জন; বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট (মোমবাতি): ৩৭ জন; কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ (গামছা): ৩০ জন; বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি (হাতুড়ি): ২৬ জন; গণফ্রন্ট (মাছ): ২১ জন; জাতীয় পার্টি-জেপি (বাই সাইকেল): ১৩ জন; বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি (হাতঘড়ি): ১৬ জন; বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন (বটগাছ): ১১ জন; বিকল্প ধারা বাংলাদেশ (কুলা): ১০ জন; বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (কাঁঠাল): ৫ জন; গণতন্ত্রী পার্টি (কবুতর): ১০ জন; গণফোরাম (উদীয়মান সূর্য): ৯ জন; বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল (চাকা): ৪ জন; বাংলাদেশ ন্যশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ (কুঁড়েঘর): ৫ জন; বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল (হাত পাঞ্জা): ৪ জন; স্বতন্ত্র ৪৩৬ জন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত