আজ শনিবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ইং

বাজার পরিস্থিতি: মূর্তিমান আতঙ্ক

শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ  

দিন দিন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে। রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজারে পাইকারি দামের তুলনায় সবজি দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। ফুলকপি আকার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬৫ টাকা, বাঁধাকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, প্রতি কেজি টমেটো মান ভেদে ৮০ থেকে ১২০ টাকা, মুলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, লাউ ৪৫-৫০ টাকা। এ ছাড়া লাল শাকের আঁটি ২০-৩০ টাকা, ধনে পাতা (১০০ গ্রাম) ৩৫-৪৫ টাকা, ছোট আকারের মিষ্টি কুমড়া ৩৫-৪৫ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

রাজধানীর বাজারগুলোতে এখন সব রকম সবজির দামই চড়া। পেঁয়াজ ও মরিচের দামও বেশ চড়া। ১৩০ টাকা কেজি দরের নিচে নামছে না কাঁচামরিচ। আর কমছে না দেশি পেঁয়াজের ঝাঁজ। রাজধানীর বাজারগুলোতে পেঁয়াজের দাম বাড়তে বাড়তে বর্তমানে ৮০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। বিভিন্ন বাজারে যখন সবজির মূল্য চড়া তখন সাদা ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১২৫ টাকা। সবজির দামের উল্লম্ফনের ফলে-ই হয়তো সবজির চেয়ে ব্রয়লার মুরগির মাংস সস্তায় মিলছে কিছুদিন ধরে।

সারাদেশের মানুষ যখন দ্রব্য মূল্যের কারণে হাহুতাশ করছেন, তখন বাণিজ্যমন্ত্রী জানালেন চালসহ দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল। কোনো দাম বাড়েনি। গত ২৪ অক্টোবর (মঙ্গলবার) বিকেলে সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি’র বৈঠকে একথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। বৈঠকে একাধিক সদস্য দ্রব্যমূল্যের বিষয়ে কথা বলতে চাইলেও মন্ত্রীর কথার পর আর কেউ মুখ খোলেননি।     

বাস্তবতা হচ্ছে, মন্ত্রীর কথার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির মিল নেই। বাজারে প্রতিটি পণ্যের দাম ঊর্ধ্বগতি। মন্ত্রীর বক্তব্য মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে একটু দাম বাড়লেও সমস্যা হবে না। প্রশ্ন হচ্ছে, বাণিজ্যমন্ত্রী কেন এমন খোঁড়া যুক্তি দিচ্ছেন? কাকে সান্ত্বনা দিতে চাইছেন? সাম্প্রতিক সময়ে প্রায় প্রতিদিন বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় বাজার মূল্যের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে। সেগুলো কী মন্ত্রী মহোদয়ের দৃষ্টিগোচর হয় না?

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম লাগামহীনভাবে বাড়ার সঙ্গে যোগ হয়েছে বাড়তি গ্যাস-বিদ্যুৎ বিল। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বাসাভাড়া, যাতায়াত ও শিশুদের পড়াশোনার খরচ। কনজুমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) হিসাবে গত বছর ঢাকায় জীবনযাত্রার ব্যয় আগের বছরের চেয়ে ৬.৪৭ শতাংশ বেড়েছে। এবার যে হারে বাড়ছে চলতি বছর শেষে তা ১০ বছরের বৃদ্ধির হারকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ক্যাব আশঙ্কা ব্যক্ত করেছে। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ঢাকা মহানগরীতে ১৪টি বাজার মনিটরিং টিম নিয়োজিত রয়েছে। প্রতিদিন ২টি করে টিম মোট ৩/৪ টি বাজার পরিদর্শন করে থাকে। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর আওতায় অধিদপ্তর কর্তৃক মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এই মনিটরিং ব্যবস্থা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন থাকলেও সরকারি হিসাবে বলা হয়েছে গত আগস্ট মাসে এ সকল টিম দ্বারা মোট ৪৭টি বাজার পরিদর্শন করে এবং ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

এক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ৫ জনের একটি পরিবারে দুই বেলার ভাত রান্নার জন্য প্রতিদিন ৩ থেকে সাড়ে ৩ কেজি চাল লাগে। এতে করে প্রতি মাসে পরিবারের চালের প্রয়োজন হয় ৪৫-৫০ কেজি। ৬০ টাকা কেজি দরে এক বস্তা (৫০ কেজি) মিনিকেট চাল কিনতে  খরচ পড়ছে ৩ হাজার টাকা। একই চাল গত বছরের একই সময়ে ৪৫-৪৬ টাকা দরে কেনা গেছে। অর্থাৎ তখন প্রতি বস্তা কিনতে ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ২৫০ টাকা। টিসিবির বাজার বিশ্লেষণের তথ্যে দেখা গেছে, মাঝারি মানের প্রতি কেজি মিনিকেট চালে এক বছরের ব্যবধানে ২৫ শতাংশের বেশি বা ১৫ টাকা পর্যন্ত ব্যয় বেড়েছে।

ক্যাবের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০০৯ সালে ঢাকা মহানগরীতে জীবনযাত্রার খরচ বেড়েছে ৬.১৯ শতাংশ, ২০১০ সালে ১৬.১০ শতাংশ, ২০১১ সালে ১২.৭৭ শতাংশ, ২০১২ সালের ৬.৪২ শতাংশ, ২০১৩ সালে ১১ শতাংশ, ২০১৪ সালের ৬.৮২ শতাংশ, ২০১৫ সালে ৬.৩৮ শতাংশ এবং ২০১৬ সালে ৬.৪৭ শতাংশ। তবে বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, শুধু ২০১৭ সালেই যে হারে ব্যয় বেড়েছে তা বিগত ১০ বছরের বৃদ্ধির হারকে ছাড়িয়ে যেতে পারে।

টিসিবির তথ্যে দেখা গেছে, চলতি বছর হু হু করে দাম বেড়েছে খাদ্য পণ্যের। সাধারণ মানুষের সহনীয় সীমা পার হয়ে যাচ্ছে খাদ্য পণ্যের দাম। চলতি বছরে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে চালের দাম। গত বছর যে মোটা চাল ৩০-৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতো এখন সেটা ৪৬-৪৮ টাকা। চিকন চাল প্রতি কেজি ৬৮ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। ওই চাল গত বছরের এই সময়ে ৫৫-৫৬ টাকায় বিক্রি হয়েছে। চাল ছাড়াও মাসখানেক ধরে অস্থির অবস্থায় রয়েছে পেঁয়াজের বাজার। আমদানি করা পেঁয়াজ ৭০ টাকা এবং দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮৫-৯০ টাকায়। অথচ ঈদুল আজহার পরে এর দাম ২৫-৩০ টাকায় নেমে এসেছিল। চলতি বছরেই দুইবার বেড়েছে সয়াবিন তেলের দাম। লবণও কিনতে হচ্ছে ৪০-৪২ টাকা কেজি দরে। আর সবজির বাজারে তো আগুন লেগে আছে। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকায়, যা গত বছরের চেয়ে অন্তত ১০০ টাকা বেশি।  

ক্রেতাদের অভিযোগ, সব জায়গায়ই ব্যবসায়ীরা বলছে নেই। অথচ বাজারে সবই পাওয়া যাচ্ছে। কোনোটার কমতি নেই। এই জিনিসটাই যারা মনিটর করবে তারা চুপচাপ বসে রয়েছে। কোনো কথা বলতে বা কাজ করতে দেখা যায় না তাদের। ক্যাবের সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, ‘বিগত বছরগুলোতে যেভাবে নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে তার তুলনায় এ বছর ব্যাপকহারে বেড়েছে সব কিছুর দাম। তুলনা করলে দেখা যাবে ২০১৭ সালে জীবনযাত্রার ব্যয় বিগত ৪-৫ বছরের মধ্যে বেশি হবে। হুটহাট ব্যয় বেড়ে গেলে খুবই সমস্যায় পড়তে হয় নির্দিষ্ট আয়ের মানুষকে। এ বছর নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যগুলোর দাম যে হারে বৃদ্ধি পেয়েছে সেটার একটা বড় ব্যর্থতা হচ্ছে সরকারের দূরদৃষ্টির অভাব। পাশাপাশি বাজারগুলোতে তাদের মনিটরিং নেই বললেই চলে। মনিটরিং শক্তিশালী করতে না পারলে ভবিষ্যতে আরও ভুগতে হবে।

বিবিধ প্রাকৃতিক দুর্যোগ সত্ত্বেও দেশে শাকসবজি উৎপাদন বাড়ছে বলে জানিয়েছেন কৃষি অর্থনীতিবিদ ও উন্নয়ন গবেষকরা। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে বার্ষিক মোট সবজি উৎপাদন হয় ২২ লাখ টন, যেখানে ১৯৭০ সালে উৎপাদন হতো মাত্র ৭ লাখ টন। গত ৩ দশকে দেশে সবজির উৎপাদন বেড়েছে ৩ গুণের বেশি। দেশে বর্তমানে প্রায় ৮ লাখ হেক্টর জমিতে বছরে প্রায় ২০ লাখ টনের অধিক সবজি উৎপাদন হচ্ছে। গত অর্থবছরে ৬৫০ কোটি ৪১ লাখ ২০ হাজার টাকার সবজি বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়েছে।

শীতের সবজির উৎপাদন ও সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকার পরও দাম সাধারণ ক্রেতাদের হাতের নাগালের বাইরে। কেন? এর অন্তরালে নানান কারণ থাকতে পারে। দূর-দূরান্ত থেকে সবজি ঢাকা পর্যন্ত পৌঁছতে পরিবহন খরচ বাবদ ব্যয় হয় অনেক টাকা। তার ওপর পাইকারি বাজারে সক্রিয় রয়েছে সিন্ডিকেট। এভাবে কয়েক হাত বদলে পর্যায়ক্রমে দাম বাড়তে থাকে। শেষ পর্যন্ত ভোক্তা পর্যায়ে আসতে দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যায়। কিন্তু এ বিষয় গুলো দেখার কী কেউ নেই? বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাজার মনিটরিং এর যে ব্যবস্থা রয়েছে, সেটি যদি সততার সাথে কাজ করতো, তাহলে পরিস্থিতি হয়তো অন্যরকম হতে পারতো।

পত্রিকান্তরে জানা যায়, দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিদিন অসংখ্য সবজি বোঝাই ট্রাক আসছে ঢাকায়। রাতেই মূলত এসব ট্রাক ঢাকায় প্রবেশ করে। পাইকারি আড়ত কারওয়ান বাজারে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই এ সবজি চলে যায় নির্দিষ্ট সিন্ডিকেটদের হাতে। আর এসব সিন্ডিকেটের কারসাজিতে কয়েক দফা হাতবদলে বেড়ে যাচ্ছে সবজির দাম।

জানা গেছে, এলাকাভিত্তিক প্রত্যেক কাঁচাবাজারের বিক্রেতা প্রতিনিধিদের নিয়ে এ সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। কারওয়ান বাজারে প্রতিদিন রাতে সবজি কিনতে এসে সিন্ডিকেটের সদস্যরা একত্রিত হন। এ সময় সবাই মিলে পরদিন কী দরে সবজি বিক্রি হবে তা নির্ধারণ করে নেন। দর নির্ধারণ হয়ে গেলে এলাকাভিত্তিক বাজারের বিক্রেতাদের নির্ধারিত দর নিজ নিজ প্রতিনিধি জানিয়ে দেন। পরিবহন ব্যবসায়ীদেরও রয়েছে শক্তিশালী সিন্ডিকেট।শুধু পরিবহন ভাড়া বাবদই কেজিতে অতিরিক্ত আড়াই থেকে ৩ টাকা বেশি যোগ হয়। এর সঙ্গে অন্যান্য ব্যয় তো আছেই।

ভোগ্যপণ্যের মূল্য জনগণের আয়ের সাথে সামঞ্জস্য নেই। বাজার ক্রয় সীমার বাইরে চলে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতি একদিনে সৃষ্টি হয়নি। এর পেছনে কালোবাজারির অতি মোনাফালোভীদের কারসাজি থোকার যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। সুষ্ঠুভাবে প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেয়া না গেলে এদের অপ-তৎপরতা সমান্তরালে বাড়তে থাকবে। ভ্রাম্যমাণ আদালত ও ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে নিয়মিত তদারকি থাকলে মূল্য বৃদ্ধির তৎপরতা কম দেখা যায়।

জনগণের স্বার্থ রক্ষায় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও ভেজাল প্রতিরোধে নিয়মিতভাবে নজরদারি ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের ভূমিকা চায় জনগণ। ভ্রাম্যমাণ আদালতের তদারকি শহর ও গ্রাম সবখানেই রাখা হোক। যেভাবেই হোক ভোগ্যপণ্যকে অবশ্যই জনগণের নাগালের মধ্যে রাখতে হবে। মানুষের আয়ের ক্ষমতার মধ্যে ব্যয় রাখতে হবে। জনগণের অন্নের সুরক্ষা করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। ক্ষমতায় যারা থাকবেন তাদের দায়িত্ব জনগণের অন্নের ন্যায্য অধিকার পূরণ ও বাস্তবায়ন করা। এসব বিষয় মাথায় রেখে প্রশাসনের সাথে ব্যবসায়ী ও ভোক্তা অধিকার বাস্তবায়ন ফোরাম নেতৃবৃন্দের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ও ভাবের আদান প্রদান থাকতে হবে। ক্রেতা বিক্রেতা, প্রশাসন সকলকেই রাষ্ট্রের সুরক্ষার দায়িত্ব পালন করতে হবে। সকল পর্যায়ের প্রতিনিধিকে নিয়ে রাষ্ট্র ও দেশ চালাতে হবে। প্রশাসনের সাথে ব্যবসায়ীদের একটা সু-সম্পর্ক থাকতে হবে।

জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতা সম্পর্কে সজাগ থাকা আবশ্যক। সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভোগ্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণ অনেকাংশে সম্ভব। জনগণের এ মৌলিক অধিকার রক্ষায় সর্বাগ্রে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলকে একযোগে এগিয়ে আসতে হবে।জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের চাপ থেকে পরিত্রাণের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধিতে আনতে হবে। প্রতি নিয়ত বিভিন্ন ধাপে পিষ্ট হওয়া নাগরিক জীবনকে রক্ষা করার দায়িত্ব কার?

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১২ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৩৯ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫০ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ১৮ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৪ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬০ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩২ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৫ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১০২ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৩ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১০৮ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৬ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ