আজ শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং

শিক্ষকের কাজ সৌন্দর্য বিনাশ নয় বিকাশ

ফরিদ আহমেদ  

এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ভাইস-চ্যান্সেলর খন্দকার নাসির উদ্দিনের পদত্যাগ চেয়ে আন্দোলন করে চলেছে গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা। ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি ভিসি তথা প্রশাসনের নিয়মিত অসৌজন্যমূলক আচরণ, সামান্য ধরনের 'অপরাধ' এবং অজুহাতে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কার, ভিসির স্বজনপ্রীতি এবং সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগে তার পদত্যাগ চেয়ে রাতদিন আন্দোলন করছে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা। এটা একটা অরাজনৈতিক এবং আপাদমস্তক স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন। কোনো ধরনের রাজনৈতিক কারণ কিংবা কায়েমি স্বার্থবাদী কারণ নেই এর পিছনে। একটা অপশক্তির হাত থেকে নিজেদের মুক্ত করতেই সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা নেমে এসেছে মাঠে, শুরু করেছে সর্বাত্মক এক শান্তিপূর্ণ আন্দোলন।

আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছিলো ফাতেমা তুজ জিনিয়া নামের একজন ছাত্রীকে ফেসবুকের একটি নিরীহ পোস্টের কারণে সাময়িক বহিস্কারের প্রতিবাদে। জিনিয়াকে তার অফিসে ভাইস-চ্যান্সেলর যে ধরনের অসভ্য ভাষায় গালমন্দ করেছিলেন তার একটি ভিডিও ক্লিপও ভাইরাল হয়েছিলো। এই ভিডিও ক্লিপ এবং জিনিয়ার বহিষ্কার আন্দোলনের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ হিসাবে কাজ করে। যদিও এটাই মূল কারণ নয়। মূল কারণ আরও গভীরে নিহিত। ভাইস-চ্যান্সেলর এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে সামন্ততান্ত্রিক আচরণ করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। এ পর্যন্ত ৩৪ জন ছাত্র-ছাত্রীকে বহিস্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বহিস্কারের কারণে মানসিক স্থিরতা হারিয়ে অর্ঘ্য বিশ্বাস নামের একজন প্রথম বর্ষের ছাত্র বছর দুয়েক আগে ছয় তলার ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যাও করেছে।

সেইসব বহিস্কার যে সব কারণে হয়েছে সেগুলো জানার পরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন যে একটা চরম প্রতিক্রিয়াশীল সামন্ততান্ত্রিক সংকীর্ণ মন-মানসিকতা নিয়ে চলে সে বিষয়ে বিন্দুমাত্র কোনো সন্দেহের অবকাশ থাকে না। আন্দোলন শুরু হবার পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর এবং প্রক্টরের বক্তব্য টেলিভিশনে শোনার সৌভাগ্য কিংবা দুর্ভাগ্য বাংলাদেশের মানুষের হয়েছে। এদের বক্তব্য শুনলে যে কেউ-ই বুঝতে পারবে যে তাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-ছাত্রীদের অভিযোগ একেবারেই অমূলক নয়। আগেকার দিনে জমিদাররা তাদের প্রজাদের সাথে যে রকম অপমানসূচক, অসৌজন্যতাবিশিষ্ট এবং অবজ্ঞামূলক আচরণ করতো, তাদের ভাষা এবং অঙ্গভঙ্গিতে সেই একই ধরনের আচরণ পরিলক্ষিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের প্রাজ্ঞতা, পরিপক্বতা, সৌজন্যতা এবং সর্বোপরি ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি যে ভালবাসা থাকা উচিত, এদের কারোরই সেটা বিন্দু পরিমাণে নেই। লাঠির জোরে সবার মুখ বন্ধ করে রাখাই এদের মানসিকতা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সুবিস্তৃত, উদার এবং উন্মুক্ত পরিবেশের সাথে এই ইতর ধরনের উন্নাসিক লেঠেল মানসিকতা সাংঘর্ষিক।

ছাত্র-ছাত্রীদের এই আন্দোলনকে বানচাল করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নানা ধরনের কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের পূজার ছুটি হবার কথা ছিলো আগামী মাসে। সেই ছুটিকে এগিয়ে নিয়ে আসা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়কে বন্ধ ঘোষণা করে দেয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করেই ক্ষান্ত হয় না তাঁরা, ছাত্র-ছাত্রীদের এক ঘণ্টার নোটিশে হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়। এরকম হল ত্যাগের নির্দেশনা আমরা সাধারণত দেখেছি স্বৈরাচার এরশাদের সময়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইস্যু নিয়ে আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রীদের ঠেকাতে হল ভ্যাকান্ট করছে এমন নজির মনে হয় বাংলাদেশে নেই। প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত অবশ্য মানেনি ছাত্র-ছাত্রীরা। তারা হলেই অবস্থান করছে। আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।

হল ভ্যাকান্ট নয়, এই প্রশাসন সবচেয়ে ন্যক্কারজনক যে কাজটা করেছে, সেটা হচ্ছে আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রীদের উপর হামলা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এই কাজটা করার সাহস তারা পায়নি ছাত্র-ছাত্রীদের বিপুল শক্তির ভয়ে ভীত হয়ে। কিন্তু, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বাইরে তারা নিয়ে গিয়েছে তাদের কালো হাত। বিশ্ববিদ্যালয়ের আশে-পাশের গ্রামে অনেক ছাত্র-ছাত্রী মেস করে থাকে। এরা যখন আন্দোলনে যোগ দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে আসছিলো, তখন এদের উপর গুণ্ডা লেলিয়ে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। নিরীহ ছাত্র-ছাত্রীদের উপর অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে এরা। মারধর করে অনেককে মারাত্মকভাবে আহত করে দেয় তারা। প্রায় বিশজন ছাত্র-ছাত্রীকে ভর্তি করাতে হয় হাসপাতালে। এদের কারো কারো অবস্থা খুবই মারাত্মক ছিলো। হামলা থেকে বাঁচার জন্য অনেক ছাত্র-ছাত্রীকে বিলের পানিতে নেমে যেতে হয়। প্রায় কোমর সমান পানিতে নেমে পড়া ভীত-সন্ত্রস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের ছবি আমরা সোশ্যাল মিডিয়া বা পত্র-পত্রিকাতেও দেখেছি। কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন তাদের ছাত্র-ছাত্রীদের মারার জন্য গুণ্ডা ভাড়া করতে পারে, সেটাও মোটামুটি একটা অবিশ্বাস্য কাজ। সেই কাজটা এরা করে দেখিয়েছে।

এটা যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাজ, সেটা আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভিতরের লোকদের কাছ থেকেই জানতে পারি। ছাত্র-ছাত্রীদের হামলার প্রতিবাদে একেবারে শুরুতে সহকারী প্রক্টর হুমায়ুন কবির পদত্যাগ করেন। তিনি তার পদত্যাগপত্রে লিখেছিলেন, “‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও ন্যায্য দাবির প্রতি সমর্থন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির অনৈতিক কার্যকলাপের প্রতি প্রতিবাদ জানিয়ে সহকারী প্রক্টর পদ থেকে পদত্যাগ করছি।" ইঙ্গিতটা পরিষ্কার। তিনি ভিসির দিকে আঙুল তুলেছেন এই হামলার জন্য।

প্রথম আলোর সাথে আলাপচারিতায় তিনি এই হামলার জন্য সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, “প্রশাসনিক নির্দেশেই শিক্ষার্থীদের ওপর ওই হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ জন্য তিনি পদত্যাগ করেছেন।”

হুমায়ুন কবিরের পদত্যাগের রেশ কাটতে না কাটতেই আরেকজন সহকারী প্রক্টর নাজমুল হকও পদত্যাগ করেন। তিনি অবশ্য পদত্যাগের জন্য ব্যক্তিগত কারণকে দেখিয়েছেন।

সহকারী প্রক্টরদের পদত্যাগের এই মিছিলে সর্বশেষ যোগ দিয়েছেন মো. তরিকুল আলম। পদত্যাগের কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, "শিক্ষার্থীদের অহিংস ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে হামলার কারণে ২০ জন ছাত্র আহত হয়েছেন। এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রতি একাত্মতা পোষণ করে তিনি পদত্যাগ করেছেন।"

তিনি তার পদত্যাগপত্রে লিখেছেন, “আমি প্রক্টরাল বডিতে ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির দায়িত্ব পালন করছিলাম।সম্প্রতি প্রশাসন বিরোধী অহিংস আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের উপর বহিরাগত সন্ত্রাসীদের হামলায় ২০ জনেরও বেশি ছাত্র আহত হয়। এর মধ্যে আমার বিভাগের দু’ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত মনে জানাচ্ছি যে, অহিংস আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ কোনো প্রকার কার্যকারী পদক্ষেপ নেয়নি। বরং ছাত্রদের ওপর বহিরাগত সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। একই অভিযোগে আমার সহকর্মী ও সহকারী প্রক্টর সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. হুমায়ুন কবির পদত্যাগ করেছেন। তারপর আমি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিধানের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের অপেক্ষায় থাকি। এরপর জানতে পারে ন্যক্কারজনক হামলার পরেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো মামলা করেনি। এমনকি ক্যাম্পাসে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। আমার সন্তানতুল্য শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্বে অবহেলার প্রতিবাদে আমি প্রশাসনিক পদ থেকে পদত্যাগ করছি।”

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একটা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে এর প্রক্টরাল বডি। এই প্রতিষ্ঠানটা বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা বজায় রাখার কাজ করে। ভাইস-চ্যান্সেলরের খুব নিকটতম একটা প্রতিষ্ঠান এটা। এ রকম একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান থেকে যখন মিছিলের মতো কর্মকর্তাদের পদত্যাগ হতে থাকে এবং সেই পদত্যাগকারীরা যখন ছাত্র-ছাত্রীদের হামলার জন্য সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দায়ী করে, তখন আমাদের শঙ্কিত এবং উদ্বিগ্ন হবার যথেষ্ট কারণ থাকে। সরকারি দলের ছাত্র সংগঠনের ক্যাডার ছাত্ররা ছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রীরাই সাধারণ পরিবার থেকে আসে। এদের অর্থবল সীমিত, প্রভাব-প্রতিপত্তিও নেই বললেই চলে। নিজের এবং পরিবারের স্বপ্নকে বুকে লালন করে অনেক আশা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসে এরা। আসার পরে নানা ধরনের প্রতিকূলতার সম্মুখীন হতে হয় তাদের। ছাত্রাবাসে আসন থাকে না, গাদাগাদি করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকতে হয়, অপুষ্টিকর খাবার খেয়ে দিনযাপন করতে হয়। সরকারি ছাত্র সংগঠনের পাণ্ডাদের আধিপত্য এবং নির্যাতন সহ্য করতে হয় তাদের। এর পরে যদি প্রশাসনও এদের সাথে রাস্তার গুণ্ডা-বদমাশদের মতো আচরণ করে, তবে এদের আর যাবার কোনো জায়গা থাকে না। পরিবার ছেড়ে অনেক দূরে থাকার যে মানসিক ধাক্কা এই সদ্য কৈশোর পেরোনো তরুণ-তরুণীদের নিতে হয়, তার সাথে এই অহেতুক যন্ত্রণা বাড়তি বোঝা হিসাবে এসে পড়ে তাদের উপর। যে সময়টা তাদের কাটানোর কথা হাসিখুশিতে, নিজেদের স্বপ্ন নিয়ে স্বপ্নজাল বোনার ব্যস্ততায়, সেই সময়টাতে তাদের লড়তে হয় অসম এক শক্তির বিরুদ্ধে। আর এই শক্তিটা কে? যেটা আসলে তার সেই স্বপ্ন বোনায় সর্বাত্মক সহযোগিতা দেবার কথা। সহযোগিতার পরশ দেবার পরিবর্তে বরং পেশীশক্তির দৌরাত্ম্য দেখাচ্ছে সেটা।

বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন ছাত্র বা ছাত্রী আসে অসীম স্বপ্নকে বুকে নিয়ে। পরিবার ছেড়ে তারা শিক্ষকদের কাছে আসে এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য। কুঁড়ি অবস্থায় থাকে তারা। এদেরকে পূর্ণ বিকশিত পুষ্পে পরিণত করার পবিত্র দায়িত্ব থাকে শিক্ষকদের উপর। আদর, ভালবাসা এবং স্নেহের পরশ দিয়ে একজন শিক্ষক অনায়াসে এদের বানিয়ে ফেলতে পারেন সৌন্দর্যমণ্ডিত শতদলে। এদের সৌরভে বিভোর হয়ে উঠতে পারে সমস্ত দেশ।

প্রশ্ন হচ্ছে, শিক্ষকরা কি সেই সৌন্দর্য বিকাশের মতো সুন্দরতম কাজটা করবেন, নাকি বিনাশের মতো বিষাক্ত কাজটাতেই ব্যস্ত থাকবেন তারা?

ফরিদ আহমেদ, কানাডা প্রবাসী লেখক

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৩ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইনাম আহমদ চৌধুরী ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫৩ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ২১ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৫ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৩ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৭ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১১৪ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৯ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১৩২ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৭ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য

ফেসবুক পেইজ