আজ শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং

মন্ত্রীরা অসহায়: যুব-ছাত্রলীগ নেতারা দুঃসাহসী

রণেশ মৈত্র  

আকস্মিকভাবেই অভিযানটি শুরু হলো। দুর্নীতি বিরোধী অভিযান দিয়েই শুরু কিন্তু তাতেই থেকে থাকে নি। সীমাবদ্ধ থাকেনি দুর্নীতি টেন্ডারবাজির মধ্যেই এবং তা-ও আবার শাসকদল ও তার অঙ্গ বা সহযোগী সংগঠনগুলির রীতিমত প্রভাবশালী নেতাদের বিরুদ্ধেই। তাঁদের ব্যবসাস্থল, তাঁদের পরিচালিত নানা ক্লাব তল্লাশি হলো। বেরিয়ে পড়লো কোটি কোটি টাকার বান্ডিল, ডলারের বান্ডিল, মদের বোতল, দেশি-বিদেশি নানা অস্ত্র। তবে ২৫ সেপ্টেম্বরের ভাব দেখে মনে হচ্ছে অভিযান যেন অনেকটাই থিতিয়ে পড়েছে কেউকেটারা আর গ্রেপ্তার হচ্ছেন না।

এ ব্যাপারে, প্রধানমন্ত্রী আপাতত: দেশে না থাকায়, প্রতিদিন দলীয় সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক-সেতু দপ্তরের মন্ত্রী রোজই হাঁকছেন,“প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ তাই অভিযান চলবে। অপরাধীরা হুঁশিয়ার”।

আমরা দেখছি এই বিষয়টিই দু’সপ্তাহ ধরে ‘টক অব দ্য কাষ্ট্রিতে পরিণত’। আবার বিস্ময়ের সাথে লক্ষ্য করা গেল মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একজন প্রধান উপদেষ্টা বলে উঠলেন, গ্রেপ্তারকৃত অপরাধীরা কেউই খাঁটি আওয়ামী লীগের নন-তাঁরা এসেছেন বিএনপি-জামায়াত থেকে। বিস্ময় জাগে, উপদেষ্টা মহোদয় কি ভেবে চিন্তে কথাগুলি বলেছেন? আবার সড়ক মন্ত্রী ও দলীয় সাধারণ সম্পাদক বারংবার বলছেন, হাইব্রিড আওয়ামী লীগার দলটি ভর্তি হয়ে গেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি ধরেছেন, তাই কোন অপরাধীই পার পাবেন না। এতে অবশ্য আশার সঞ্চার হয় এবং আদতেই সকল অপরাধী গ্রেপ্তার হোক উপযুক্ত শাস্তি পাক এটা সকলেরই কাম্য।

কিন্তু শাসকদল যখন যারাই গ্রেপ্তার হয়, তখনই তাদেরকে মূল আওয়ামী লীগার না বলে জামায়াত-বিএনপি থেকে অনুপ্রবেশকারী বলে চিহ্নিত করার চেষ্টায় উন্মাদ হয়ে ওঠেন। তখন মানুষ বিস্মিত না হয়ে পারে না মানুষ মনে মনে ক্ষুব্ধও হয়ে ওঠেন কারণ যারা গ্রেপ্তার হচ্ছেন তাঁদের পরিচালিত ক্লাব, অফিস ও বাড়ী থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধার করছে এবং দেখছে কাদের সাংগঠনিক পদ মর্যাদার কেন্দ্রীয় বা জেলা কমিটির সহ-সভাপতি, বা যুগ্ম সম্পাদক-তখন কি এ প্রশ্ন তোলা কি অযৌক্তিক হবে যে দেখে শুনে বুঝে সুঝেই তো তাদেরকে দলে টেনে আনা হয়েছে, দলীয় পদ-মর্যাদাও দেওয়া হয়েছে এবং কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা অবৈধভাবে উপার্জনের সুযোগও করে দেওয়া হয়েছে। যদি খাঁটি আওয়ামী লীগার তাঁরা না হন তবে ঐ পদ মর্যাদাও তাঁদেরকে যারা দিলেন, যারা তার আগে তাঁদেরকে দলে টেনে আনলেন তাঁরাও কি খাঁটি আওয়ামী লীগার নন?

আরও হাস্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় যখন সরকারি পদস্থ ব্যক্তিরা ক্যাসিনো আমদানি হয় জিয়ার আমলে বা ক্যাসিনো জুয়া চালু করেন তারেক--------এ জাতীয় কথাগুলি বলেন। দায়িত্বশীল পদে অধিষ্ঠিত থেকেই কেউ কেউ এ জাতীয় কথা বলছেন।

মানুষকে কেউ যেন বোকা না ভাবেন। জিয়ার মৃত্যু ঘটেছে ১৯৮০-৮১ সালে-প্রায় চল্লিশ বছর আগে। তারেকও এক যুগ হলো দেশে নেই বিদেশবাসী। বি.এন.পি. ক্ষমতা হারিয়েছে বহু দিন আগে। আওয়ামী লীগ, পঁচাত্তরের পর এবার দিয়ে চার দফায় ক্ষমতায় এসে অবাধে দেশ শাসন করছে। দৃশ্যমান কোন শক্তিশালী বিরোধী দলের অস্তিত্ব সংসদের ভেতরেও নেই বাইরেও নেই যে, তারা ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান শুরু করলে বাধা দিত। তবু অভিযান এতদেরিতে শুরু হলো কেন সে প্রশ্ন তোলা অত্যন্ত স্বাভাবিক।

বস্তুত: দলমত নির্বিশেষে এই অভিযানকে সকলেই স্বাগত জানিয়েছেন দেশবাসী অত্যন্ত খুশী। কিন্তু তাঁরা চান সমগ্র দেশব্যাপী দ্রুত জোরদার অভিযান চালানো হোক। সকল অপরাধীকে অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে সকল অপরাধীর কঠোরতম শাস্তির ব্যবস্থা হোক।

আমরা এও লক্ষ করছি, একটি মহল ইতোমধ্যেই ক্যাসিনো বৈধ করার পক্ষে মতামত প্রকাশ করতে শুরু করেছেন অবশ্য সরকারি উচ্চ মহল থেকে তার বিরোধী বক্তব্যও এসেছে। কিন্তু যখন শত শত কোটি অসৎপথে উপার্জিত টাকা নানা স্থান থেকে উদ্ধার হচ্ছে তখন ক্যাসিনোর পক্ষে মত প্রকাশ উদ্দেশ্য মূলক বলেই মনে হয়। যারা তা চাইছেন তাঁরা নিঃসন্দেহ জুয়া, মদ, দুর্নীতির পক্ষেই সাফাই গাইছে।

রাঘববোয়ালেরা কেউই এখনও ধরা পড়ে নি। যে শক্তিশালী মহল প্রত্যক্ষভাবে দোষী, তাদের একাংশ ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হয়েছে বটে কিন্তু তাদের গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া সম্পর্কে মানুষ অনবহিত।

মানুষ দেখেছে আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির এক সাম্প্রতিক সভায় যখন দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনা ছাত্র লীগের দুই নেতা সম্পর্কে উষ্মা প্রকাশ করলেন, তখনই মাত্র ঐ দুই ছাত্র নেতাকে পদ থেকে সরানো হলো। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ টেন্ডারবাজি, কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে আইনগত আর কোন পদক্ষেপ আজও গৃহীত হয় নি। ঐ সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাদের বিরুদ্ধেই টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি সহ আজও অভিযোগ রয়েছে-রয়েছে আরও বহু অপরাধের অভিযোগও সারা দেশে। কিন্তু কোন ব্যবস্থা তাদের বিরুদ্ধে অতীতেও গৃহীত হয় নি আজও হচ্ছে না। তা না করলে এ অভিযান কদাপি পুরোপুরি সফল হবে না। ঠিক একই অভিযোগ যুবলীগের বিরুদ্ধেও। ঢাকাতে মাত্র ঐ কয়জন নয় আরও শত শত আছে যারা হয়তো সাময়িকভাবে কিছুটা গা-ঢাকা দিয়েছে কোন প্রভাবশালীর আশ্রয়ে। কেউ কেউ যে দেশত্যাগের চেষ্টাতেও আছে সংবাদপত্রে এমন খবরও দেখেছি।

প্রশ্ন জাগে, এরা এতদিন কেন গ্রেপ্তার হলো না? কিভাবে তারা নির্বিবাদে বছরের পর বছর ধরে নিশ্চিন্তে নিরাপদে এই জঘন্য অপরাধগুলি করে যেতে পারলো? পুলিশ নিশ্চয়ই জানতো-জানতো সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও। রাজনৈতিক মুরুব্বীদেরও বিষয়টি অজানা থাকার কথা নয়। তবু এতদিন ব্যবস্থা গৃহীত হচ্ছিলো না কেন? আর কারা কারা এই সব কর্মকাণ্ডের বেনিফিশিয়ারী? তাদেরকেও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক। নইলে ঐ চক্র এই অভিযানকে একেবারেই গতিহীন করে দিতে পারে। দ্রুতই সরকার সেদিকে নজর দেন বলে সকলের প্রত্যাশা।

ইতোমধ্যে জানা গেল, জাতিসংঘে হাজারো কর্তব্য সততার মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অভিযানটি বন্ধ না করে বরং তাকে জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন। আদেশটি গুরুত্বসহকারে এবং অক্ষরে অক্ষরে পালিত হোক। একই সাথে কিছু সংখ্যক পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং মন্ত্রী এম.পি. সহ যে সকল রাজনৈতিক নেতা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁদেরকেও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।

এখানে দলমত নির্বিশেষেই ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। এরশাদের দল জাতীয় পার্টি এবং অন্যান্য বিরোধীদলের কারও যদি সম্পৃক্ততার সন্ধান পাওয়া যায়, দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন। কারণ এমন অভিযান বছর বছর চালানো যাবে না। তাই এবারের অভিযানকে সর্বতোভাবে সক করে তুলতে হবে।

প্রশ্ন কিন্তু উঠেছে বা উঠানো হয়েছে যে, রাজনীতিই দেশটাকে ধ্বংস করে দিল রাজনীতি মানেই দুর্নীতিবাজ, লম্পট ও পেশী শক্তির ধারক। মানুষও একথা অনেকটা বিশ্বাস করে ফেলেছে। কারণ তাদের দীর্ঘদিনের করুণ অভিজ্ঞতাও তাই বলে। সর্বত্রই দেখা যায় ক্ষমতাসীন রাজনীতিকরাই মূলত দুর্নীতিবাজ অথবা দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষক। কোটি কোটি টাকা যেন তাদের কাছে নস্যি। এই অভিজ্ঞতা থেকেই মানুষ ওই মতলবি কথাকেও বিশ্বাস করতে বাধ্য হচ্ছে।

তাই রাজনীতির ময়দান থেকে কালো টাকাধারী, দুর্নীতিবাজ, অস্ত্রধারী প্রভৃতিকে নির্দয়ভাবে রাজনীতির অঙ্গন থেকে বিতাড়িত করে সৎ, দেশপ্রেমিক, নীতিনিষ্ঠ রাজনৈতিক নেতা কর্মীরাই যাতে রাজনীতিতে প্রাধান্য পান, সর্বতোভাবে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। এটা করতে না পারলে নতুন নতুন দুর্নীতিবাজ, অসৎ, অস্ত্রধারী এই পবিত্র অঙ্গনকে আবার দখল করে নিবে, সন্দেহ নেই।

দেশে সুষ্ঠু দেশপ্রেমিক আদর্শনিষ্ঠ এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় নিষ্ঠার সাথে বিশ্বাসী একটি শক্তিশালী বিরোধীদল যাতে বিকশিত হতে পারে তার সহায়ক সকল পরিবেশ রচনা করতে পারে। রাষ্ট্রকে ভাবতে হবে গণতন্ত্রে শক্তিশালী বিরোধীদলের প্রয়োজন অনস্বীকার্য। সেই বিরোধীদল যদি দক্ষিণপন্থি বা প্রতিক্রিয়াশীল হয় তাহলে তা দেশের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়। তাই প্রগতিশীল দলকে বা দলগুলিকে শক্তিশালী অবস্থানে আনা বাংলাদেশে সুষ্ঠু রাজনীতির জন্য অপরিহার্য। বস্তুত: আমাদের সকলের উপলব্ধি করা প্রয়োজন রাজনীতি দেশ ও জনগণের স্বার্থে অপরিহার্য। গণতন্ত্রে জন্য একাধিক দেশে প্রেমিক রাজনৈতিক দলেরও প্রয়োজন। একই সাথে সুষ্ঠু অংশ গ্রহণমূলক নির্বাচন নিয়ম মাফিক অনুষ্ঠানের স্বার্থে একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ এবং অবিতর্কিত নির্বাচন কমিশন, নির্বাচনে প্রকৃত দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক নেতাদের মনোনয়ন (অর্থ-বিত্তে নয় আদর্শে ও নীতিতে শক্তিশালী), নির্বাচনে টাকা, ধর্ম, আঞ্চলিকতা ও অস্ত্রের ব্যবহার সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করা, রাজনৈতিক দলগুলি ও নেতা-নেত্রীদের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধামূলক সম্পর্ক, সংকীর্ণ দলীয় চিন্তা পরিহার এগুলি অপরিহার্য হয়ে পড়েছে রাজনীতির অঙ্গন থেকে সকল আবর্জনা পরিস্কার করার স্বার্থে।

মহান মুক্তিযুদ্ধের অর্ধশত বার্ষিকী আসন্ন। তার আগেই আমরা একটি পরিচ্ছন্ন দুর্নীতি, সন্ত্রাসমুক্ত, সাম্প্রদায়িক মুক্ত রাজনৈতিক অঙ্গন গড়ে তুলতে পারলে তবেই হবে ঐ অর্ধশত বার্ষিকী উদযাপন সার্থক ও অর্থবহ।

এতক্ষণ যা বললাম তা আমাদের পচাগলা অবস্থা থেকে রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিকে পুনরুদ্ধারের স্বার্থে। মনে রাখা প্রয়োজন যে মহান জাতীয় নেতৃত্ব আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে,স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়কে সম্ভব করে তুলেছিল তাঁরা হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী, কমরেড মনি সিংহ, অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ, তাজউদ্দীন আহমেদ, মনোরঞ্জন ধর, ক্যাপ্টেন মনছুর আলী প্রমুখ। এঁরা কেউই দলবাজি, টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, অস্ত্রবাজি করেন নি বা সেগুলিকে সামান্যতম প্রশ্রয় দেন নি। প্রতি মুহূর্তে এই কথাগুলি স্মরণে রাখা প্রয়োজন।

সর্বোপরি, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত বৈপ্লবিক আনা অত্যন্ত জরুরি। সার্টিফিকেট ভিত্তিক নয়-জ্ঞান ভিত্তিক, বিজ্ঞান ভিত্তিক, সাম্প্রদায়িকতামুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা ও শিক্ষাঙ্গনকে সর্বপ্রযত্নে দ্রুত গড়ে তুলতে হবে নতুবা চলমান দুর্নীতি বিরোধী অভিযান আপাতত: যদি সার্থক হয়ও তাকে স্থায়ী করা যাবে না। কারণ আমাদেরকে একই সাথে সাংস্কৃতিক বিপর্যয় বোধ করতে হবে দেশ ও জনগণের সার্বিক কল্যাণের স্বার্থেই।

এগুলি আরও প্রয়োজন আমাদের অর্জিত করুন অভিজ্ঞাতর কারণেই।

চলমান অভিযান নিয়েও নিঃসন্দেহে বলা যায়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলবেন তারপরে হয়ে-এমনটা কেন? দুদক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চুপ থাকলেন কেন এতকাল? তাঁরা সক্রিয় ও দায়িত্বশীল হলে কি এই সব অপরাধীরা এত কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা অবৈধভাবে অর্জনের, এভাবে ক্যাসিনো চালাতে বা মদ-মাদকের আস্তানা গড়তে পারতো? ছাত্র লীগ যদি গণতন্ত্র থাকতো তবে কি তাদের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক এত বড় অপরাধ করতে পারতো? যুবলীগেরও যদি ভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র থাকতো বা মূল সংগঠন আওয়ামী লীগ যদি তাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলির সার্বিক তদারক করতো তবে ঐ সংগঠনগুলির এতটা পচন ধরতে পারত? সর্বদা সর্বত্র জবাবদিহিতার প্রয়োজন নইলে পরিণতি কি দাঁড়ায় তা স্পষ্ট হলো। এবারে সবাই শিক্ষা নেবেন-এমন আশা করা অসঙ্গত হবে কি?

রণেশ মৈত্র, লেখক, একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক; মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। ইমেইল : [email protected]

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৩ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইনাম আহমদ চৌধুরী ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫৩ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ২১ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৫ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৩ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৭ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১১৪ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৯ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১৩২ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৭ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য

ফেসবুক পেইজ