আজ বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৯ ইং

সু-শাসক, সু-শাসন এবং বাঁশের চেয়ে কঞ্চির দাপট!

রহিম আব্দুর রহিম  

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুর্নীতি বিরোধী অবস্থান, দেশের তৃণমূল পর্যায়ে খেঁটে খাওয়া মানুষদের মাঝেও আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ইলেক্ট্রনিক্স মিডিয়ায় টকশো, প্রিন্ট মিডিয়ায় সমালোচনা গ্রাম-গঞ্জের চায়ের কাপে যখন শেখ হাসিনার সময়ের সাহসী পদক্ষেপে ভূয়সী প্রশংসা হচ্ছিল, ঠিক ওই সময় আবরার ফাহাদ নামে বুয়েট এর এক মেধাবী শিক্ষার্থীকে নির্মম, নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করলো ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডে সারাদেশে আনাচেকানাচে ক্ষোভের আগুন জ্বলছে। স্বজনহারা বঙ্গকন্যা নিজেও এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচারের জন্য সোচ্চার, তা তিনি স্পষ্ট করেছেন ৯ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনে। ছাত্রলীগের নামে নাকি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে উঠেছে ’৭১ ন্যায় পাকিস্তানি আদলের নির্যাতন সেল।
আশ্চর্য! ঐতিহ্যবাহী ছাত্রলীগে ছাত্র সমাজের কল্যাণ ব্যতীত, অন্য কিছু হবার কথা নয়। কেন এমনটা হচ্ছে? লেখাটি যখন তৈরি করছিলাম, ঠিক তখনই বর্তমান সরকারের একজন নীরব শুভাকাঙ্ক্ষী ফোন করে জানতে চাইলেন, ‘আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশকারী ১ হাজার ৫’শ জনের একটি তালিকা নাকি প্রধানমন্ত্রীর হাতে!’ বললাম, প্রধানমন্ত্রীর হাতে কী আছে, না আছে, তা জানি না। তবে তিনি সারা দেশের তৃণমূল পর্যায়ে নেতা কর্মীদের সম্পর্কে জানেন এবং তাদের খোঁজ খবর রাখেন। ফলে অনুপ্রবেশকারীদের তালিকা থাকতেই পারে।

এবার তিনি জানালেন মজার সংবাদ, ‘ভোলা জেলার চরফেশন উপজেলা, গ্রামের নাম এওয়াজপুর। ওই গ্রামের বাসিন্দা ইউনুস আল মামুন, যিনি ২০০১ এর পর তৎকালীন বিএনপি’র প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক এমপি নাজিম উদ্দীন আলম এর একনিষ্ঠ সহচর এবং রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। বর্তমানে ওই ব্যক্তি, চরফেশন উপজেলা আওয়ামীলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক এবং আওয়া মীলীগ থেকে নির্বাচিত এমপির ডানহস্ত। দলীয় দাপটে ইউনুস আল মামুন বর্তমানে প্রায় ৫’শ কোটি টাকার মালিক। মামুনের ভগ্নীপতি এক সময়কার বিএনপি’র লেজুড়ধারী ওবায়েদুল হক রতন, চরফেশন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি। যার গ্রামের বাড়ি উপজেলার উসমানগঞ্জ ইউনিয়নে। একই উপজেলার এক সময়কার জামায়াতে ইসলাম এর প্রভাবশালী নেতা, মাওলানা মাইনউদ্দী বর্তমান চরফেশন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সেজে দু’হাতে লুটপাট করছে, তা কি প্রধানমন্ত্রী জানেন? বললাম জানতেও পারে, নাও জানতে পারে। তাকে জানালাম, এটা শুধু ভোলার জেলার চরফেশন উপজেলার চিত্র না, সারা দেশের একই অবস্থা।

একা প্রধানমন্ত্রী কী করবেন? দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ের ওয়ার্ড থেকে শুরু করে ঘরে ঘরে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ দলের অঙ্গ সংগঠনগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে সুবিধাবাদী- অপরাধীরা। যারা দলীয় ব্যানারে অবাধে বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হওয়ায় সরকারে ব্যাপক উন্নয়নে কলঙ্ক লেপন হচ্ছে।

পাঠকে ধৈর্যচ্যুতি না ঘটিয়ে মূল কথায় যাচ্ছি, বর্তমান সরকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ভাষণের (দিন তারিখে মনে নেই) শেষে, কবি সুকান্তের কবিতার বাণী উচ্চারণ করে বলেছিলেন, “এসেছে নতুন শিশু, তাকে ছেড়ে দিতে হবে স্থান, জীর্ণ পৃথিবীতে ব্যর্থ; মৃত আর ধ্বংস স্তূপ পিঠে চলে যেতে হবে আমাদের, চলে যাব, তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ, প্রাণ-পণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল, এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।” দেশের সর্বস্তরে যখন উন্নয়নের পরিকল্পিত প্যাকেজ চলমান, ঠিক ওই সময় প্রধানমন্ত্রীর সুকান্তের কবিতা উচ্চারণের অন্তরালে যেমন দৃঢ় প্রতিজ্ঞার বহিঃপ্রকাশ, তেমনি অসাধুদের প্রতি চরম হুঁশিয়ারি।

দুর্ভাগ্য! প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় উচ্চারণ বেকুবরা বুঝতে পারে নি। এরপরও এরা নাকি মেধাবী। কথায় আছে, ‘যার বুদ্ধি হয়না নয়ে, তার বুদ্ধি না হয় নব্বইয়ে।’ ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টের পর দীর্ঘ ৬ বছর ভারতে অবস্থানের পর ১৯৮১ সালে বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা দেশে ফিরেন এবং আওয়ামী লীগের হাল ধরেন। সাগরসম চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে শেখ হাসিনা দেশের প্রধানমন্ত্রী। সময়কাল প্রায় একযুগ। শেখ হাসিনার মতে, ‘সংগঠন আমার পাশে, বাংলার জনগণ আমার পাশে, তাদের দোয়া আশীর্বাদ এটাই আমার শক্তি।’ তাঁর বিশ্বাস, ধারণা এবং চেতনাকে বাস্তবায়ন করতে গিয়েই তিনি প্রান্তিক জনগণের কাছে সেবা পৌঁছে দেবার যে মিশন চালিয়ে যাচ্ছে তাতে ঘুণধরা, অসম্ভব!। নড়ে-চড়ে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা কত বড় দেশপ্রেমিক, রাজনীতিবিদ, সাহসী এর উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপনের পাল্লায় যখন তিনি পা রেখেছেন, ওই সময়, এ কোন ধরণের নাটকীয় কলঙ্ক। এরপরও জাতি বিশ্বাস করে, বজ্রের মত কঠিন-কঠোর ও ফুলের মত কোমল শেখ হাসিনা তাঁর মিশন থেকে পিছপা হতে পারে না।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দুর্নীতি বিরোধী অভিযান হচ্ছে, ওয়ান ইলেভেনের মতো পরিস্থিতি যাতে তৈরি না হয়। সেই কাজটি আমি নিজের ঘর থেকেই শুরু করেছি; এটি অব্যাহত থাকবে। আমি বলতে চাচ্ছি, ওয়ান ইলেভেন লাগবে না। কোন অন্যায় হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আমরাই নেবো। এ ধরনের আঘাতের দরকার ছিল, ধরেছি যখন ভালোভাবেই ধরেছি। অভিযান অব্যাহত থাকবে।’ তাঁর এই বক্তব্যই প্রমাণ করে, বাঘে ধরলে ছাড়ে, শেখ হাসিনা যাকে ধরে তাকে ছাড়ে না।’ এটা শুধু কথার কথাই নয়। রূঢ় সত্য। শেখ হাসিনা এমন একজন রাজনীতিবিদ যাকে কেনা যায় না। এর চাক্ষুষ দলিল দাঁড় করেছেন সাবেক সেনা প্রধান মঈন ইউ আহমেদ। তিনি তার এক পাণ্ডুলিপিতে উল্লেখ করেছেন। ‘ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষাকারী সেনা গোয়েন্দাদের দল, একদিন আমার সঙ্গে বৈঠক করে। পুরো রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তারা আমাকে জানায়, একমাত্র শেখ হাসিনা ছাড়া সব রাজনীতিবিদকে কেনা যায়।’ জাতির বৃহৎ অংশ এমনটাই বিশ্বাসও করেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এমন একটা অভিযান চালাবে তা কেউ কল্পনাই করেনি। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক-জুয়া যখন গাঁও গ্রামে ঢ়ুকে পড়েছে তখনি প্রধানমন্ত্রীর অভিযান। যা ভূয়সী প্রশংসনীয়। প্রশ্ন, তিনি তাঁর ঘরে থেকে শুদ্ধি অভিযানের যে প্রকল্প হাতে নিয়েছেন, সেই প্রকল্পে তৃণমূল পর্যায়ের অর্থাৎ ৬৪ জেলার সাধারণ ও পুলিশ প্রশাসনের ভেতর-বাহির কেমন তা কি রয়েছে?

বর্তমান সরকারের আমলে দলীয় ব্যানারে যে পরিমাণ অপকর্ম-দুর্নীতি হয়েছে, তার চেয়েও দ্বিগুণ দুর্নীতি লুটপাট হয়েছে, হচ্ছে প্রশাসনিক পর্যায়ে । দুঃখজনক হলেও সত্য, ইউনিয়ন পর্যায়ের আতি-পাতি নেতারাও থানা পুলিশের যোগসাজশে মাদক, জুয়ার স্বর্গরাজ্য কায়েম করেছে। শুধু তাই নয়, একই সাথে বিচার-আচারের নামে নিরীহ মানুষদের কাছ থেকেও চাঁদাবাজিও কম করছে না। গ্রামের মেঠোপথ এখন পিচঢালা, অথচ এই উন্নয়নের অন্তরালে ঠিকাদাররা লাগামহীন দুর্নীতি করায়, বছর পার না হতেই পাকা রাস্তা, ব্রিজ কালভার্ট ভেঙে যাচ্ছে, খসে পড়ছে, বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ইমারত। বঙ্গবন্ধুর সোনার দেশ গড়তে হলে, সোনার মানুষদের দখলে যেমন রাজনৈতিক মঞ্চ থাকতে হবে; তেমনি সৎ নিষ্ঠাবান দেশপ্রেমিক মানুষদের হাতে প্রশাসনিক ‘চাবুক’ তুলে দিতে হবে। অসংখ্য দুর্জনরা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেছেন, দেশের ৬৪ জেলার, ৬৪ জন জেল প্রশাসক, ৬৪ জন পুলিশ সুপার ৩’শ নির্বাচিত এমপি যদি ইচ্ছা করেন, তবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একটি দেশের দুর্নীতি নির্মূল করা সম্ভব। কিন্তু তা হচ্ছে না কেন? তবে কি পুরো দেশটা মামা-ভাগনের রাজ্যে পরিণত হচ্ছে?

বাস্তবতা খুবই দুঃখজনক, তৃণমূল প্রশাসনিক কর্মকর্তারা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের চালাচ্ছেন, নির্দেশ দিচ্ছেন। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে শক্তি বলে মুখে ফেনা তুলছে। পৃথিবীর কোন সৎ প্রশাসনিক কর্মকর্তারা প্রকাশ্য রাজনীতি করে না। তবে রাজনৈতিক সরকারের একনিষ্ঠ সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে মাত্র। বর্তমান সরকারের আমলে যার ব্যত্যয় ঘটছে। এ লক্ষণ শুভ নয়।

গত ২ অক্টোবর হোটেল সোনারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট -১ এ বাণিজ্যিক সম্প্রসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘অপকর্মে জড়িত থাকলে দল-পরিবার কাউকে ছাড় নয়।’ তাঁর বক্তব্য থেকে বুঝতে বাকি থাকে না, তিনি দেশটা দুর্নীতিমুক্ত করার সংগ্রামে উঠে-পড়ে লেগেছেন। এক্ষেত্রে তিনি প্রশাসনিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করলে, জাতি তৃপ্ত হবেন বলে অনেকেই মনে করছেন। ৩০ সেপ্টেম্বর জাতীয় একটি পত্রিকায় প্রকাশিত একটি শিরোনাম ছিল, ‘ডিসি-ইউএনওর কর্ম-মূল্যায়ন হবে গোয়েন্দা প্রতিবেদনে।’ ভাল, তবে সে ক্ষেত্রে সিভিল ও পুলিশ প্রশাসন মিলে মিশেই দেশটাকে যদি রক্ষা করে তবে কোন কথা নাই। ব্যত্যয় ঘটলেই জাতির কপালে দুর্গতি।

প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতি প্রতিরোধে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছিলেন নির্বাচিত এমপিদের, এরমধ্যে থানায় মামলার ব্যাপারে তদবির না করা, ওসিদের পোস্টিং এ এমপিদের হস্তক্ষেপ না করা। এর সাথে যুক্ত হয়েছে, টিআরসহ অন্যান্য উন্নয়ন প্রকল্প এমপিদের হাত থেকে না রাখা। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ বাণিজ্য বন্ধে এমপিদের সভাপতি না রাখা। প্রধানমন্ত্রীর এ ধরনের কৌশল গ্রহণযোগ্য, তবে এতে করে বাঁশের চেয়ে কঞ্চির দাপট বেড়ে যাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে । এদের নিয়ন্ত্রণে জনপ্রতিনিধিদের খবরদারির প্রয়োজনও রয়েছে।

গণতান্ত্রিক দেশে প্রশাসনিক রাম-রাজত্ব দৃষ্টিকটু এবং অশোভন। তৃণমূলে খোঁজ খবর নিলে দেখা যাবে, একই স্থানে একই জায়গায় দীর্ঘদিন চাকরি করার সুবাদে সিন্ডিকেট দুর্নীতিতে প্রশাসনের চুনোপুঁটিরাও রাঘব-বোয়াল সেজেছে। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার জন্য ৪ হাজার ৬’শ ৮২ দিন জেল খেটেছেন। অথচ স্বাধীনতার পর তিনি বেঁচে ছিলেন ১ হাজার ৩’শ ১৪ দিন মাত্র। অথচ তিনি ইতিহাসে স্থান পেয়েছেন হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে।

প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতি বিরোধী কঠোর অভিযান চলাকালে পত্রিকায় যখন আমরা দেখি , ”ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে সাবেক তিন মন্ত্রী, এক সিটি মেয়র ও পাঁচ এমপি জড়িত, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার অপেক্ষায় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।” বা “ প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা চেষ্টা মামলার আসামী এখন আওয়ামী লীগ নেতা।” অথবা “শেখ হাসিনাকে হত্যা মামলার আসামী মিজানের দেখা মিললো এক পুলিশ কর্মকর্তার অফিসে।” এ ধরনের সংবাদ, সরকারের নীরব ভক্তদের মাঝে যেমন আতঙ্ক-আশঙ্কার কারণ হয়ে দাড়ায়, তেমনি “শান্তি প্রতিষ্ঠায় ক্ষুধা দারিদ্র দূর এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে অবদানের জন্য টেগোর শান্তি পুরস্কার পাওয়ায় শেখ হাসিনার প্রতি কোটি মানুষের নির্বাক শ্রদ্ধা সচেতন মহলের অনুপ্রেরণারই সামিল।

২০২০ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উৎযাপন হবে। সারা দেশে মুজিববর্ষ পালনের প্রস্তুতি চলছে। মুজিববর্ষ পালনের শুরুতে জাতির জনকের বিদেহী আত্মার শান্তি প্রতিষ্ঠায়, জাতির প্রত্যাশা, দেশের সকল অপকর্ম নিধনে প্রধানমন্ত্রীর সোচ্চার ভূমিকা আরও কঠিন ও কঠোর হোক। নিপাত যাক বাঁশের চেয়ে কঞ্চির দাপট। সু-শাসনের আগেই নিশ্চিত হোক সু-শাসক।

রহিম আব্দুর রহিম, সাংবাদিক, কলাম লেখক, শিক্ষক ও নাট্যকার; ই-মেইল: [email protected]

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৩ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫৩ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ২১ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৫ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৩ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৬ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১০৮ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৭ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১২৬ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৭ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ