আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ইং

বলির পাঁঠা ‘ভূমিপুত্র’ ড. আতিউর রহমান

জুয়েল রাজ  

বাংলাদেশে ব্যাংক-এর রিজার্ভ ছিলো যুক্তরাষ্ট্রের রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে। সে রিজার্ভ থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার গিয়েছে ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশনের একাউন্টে আর দুই কোটি ডলার গিয়েছে শ্রীলঙ্কার এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নামে। কিন্তু নামের বানান ভুল হওয়ার কারণে শ্রীলঙ্কার প্রাপকের নামে টাকা জমা হয়নি যে কারণে রক্ষা পাওয়া যাবে শোনা যাচ্ছে। শ্রীলঙ্কার টাকাটা নিশ্চয়ই এখন রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে ফেরত যাওয়ার কথা।

অবশেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে অর্থ পাচারের দায় মাথায় নিয়েই পদত্যাগ করলেন ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান। যদিও বিদায়ী গভর্নর বিষয়টিকে এখনো হ্যাকিং বলেই দাবী করে আসছেন।

যারা আইটি সেক্টরের বিশেষজ্ঞ তাঁরা বিষয়টি ভাল বলতে পারবেন। আমি সাধারণ জ্ঞানে যতটুকু বুঝি, বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মচারীদের কোন চক্রের মাধ্যমে সংগঠিত হয়েছে। কোনভাবেই হ্যাকিং এর ঘটনা নয়। হ্যাকিং আর চুরির পার্থক্য বোঝা দরকার আছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক-এর আন্তর্জাতিক লেনদেন এর ব্যবস্থায় সুইফট মাধ্যম ব্যবহার করেই রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্ককে অর্থ ট্রান্সফারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিলো।

যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ বলেছে তার একাউন্ট হ্যাক হয়নি। রিজার্ভ ব্যাংক তার কোনও ত্রুটি বিচ্যুতি মানতে নারাজ। আন্তর্জাতিক লেনদেন এর জন্য ব্যবহৃত ‘সুইফট’ এখনও কোথাও হ্যাক হয়নি। এই পদ্ধতি নানা ধাপে নিরাপত্তার জালে আবদ্ধ।

‘সুইফট’  থেকে যে বার্তা যায় সেটাও অনেক নিরাপদ। বার্তাটা যেখান থেকে যায় আর যেখানে যাচ্ছে উভয়-স্থানে একই সফটওয়ার থাকতে হবে। না হয় বার্তাটার ভাষা উদ্ধার করা সম্ভব হবে না।

হ্যাকিং হলে পুরো সিস্টেমই অকার্যকর থাকত।  কিন্তু সেটা হয়নি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট সিস্টেমে লগ ইন করতে পারেনি বাংলাদেশ ব্যাংক। ঘটনার বিবরণে যা উঠে এসেছে “প্রচলিত নিয়মে বাংলাদেশ ব্যাংকের তিন উপ-পরিচালককে ছুটির দিন সহ  প্রতিদিন আসতে হয়। ফেব্রুয়ারির ৪ তারিখ। অফিস ছুটি শেষে সবাই যে যার মতো বাসায় চলে গেছেন। পরদিন ৫ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার। ছুটির দিনে তিন কর্মকর্তা যথারীতি ব্যাংকে এসেছিলেন। একটি বিশেষ শাখায় এসে মেইল চেক করার তাদের অনুমোদন দেয়া আছে। মেইল চেক করতে গিয়ে দেখেন মেইল আর ওপেন হয় না। বেশ কিছুক্ষণ চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছুতেই আর মেইল ওপেন হলো না। পরদিন শনিবার আবারো যথারীতি এলেন তারা। মেইল খোলার অনেক চেষ্টা করলেন। কিন্তু কোনো কাজ হলো না। ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে কোনো ধরনের মেইল আসে কিনা তা যাচাই-বাছাই করার দায়িত্ব ছিল সেই তিন কর্মকর্তার। রোববার যথারীতি অফিস খুলল। অফিসে এসেই সেই কর্মকর্তা আইটি বিভাগের কর্মকর্তাদের খবর দিলেন। ৫ ফেব্রুয়ারি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকে ব্যাকিং সিস্টেমে চলে গেছে, এই তথ্যটি যখন জানতে পারেন তার দু’দিন পর সেখানে ছুটে যান বাংলাদেশ ব্যাংকের দু’জন কর্মকর্তা। তারা মনে করেছিলেন, গেলেই সব সমস্যা সমাধান হবে।  ১০ ফেব্রুয়ারি বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে জানানো হলো। গভর্নর ড. আতিউর রহমান মনে করেছিলেন, বিষয়টি গোপনে সমাধান করা হবে। এবং সেই অনুযায়ী তিনি কাজ ও শুরু করেছিলেন।

বিদায়ী সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, আপনাদের মাধ্যমে আমি দেশবাসীর উদ্দেশে বলতে চাই,  আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে অর্থনীতির রোল মডেল হিসেবে বাংলাদেশ হাজির হয়েছে- এটা যেন অক্ষয় থাকে, এটা যেন সব সময় আমরা ধরে রাখতে পারি এবং এর জন্য যেখানেই থাকি না কেন আমি দেশের পক্ষেই কাজ করব। আমি সব সময় মানুষের পাশেই থাকব, গরীবের পাশে থাকব, কৃষকের পাশে থাকব। আমি আমার সন্তানদের রক্ষা করব, আমার যে ২৮ বিলিয়ন ডলার, সেটা রক্ষা করতেই আমি কিছুটা সময় নিয়েছি। এতে যদি আমি অন্যায় করে থাকি, আমি দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইছি। তবে আমি আবারও বললাম-বাংলাদেশ ব্যাংক আমার সন্তানের চাইতেও বেশি। আমি আমার সন্তানদের সময় দিইনি, বাংলাদেশ ব্যাংককে সময় দিয়েছি, কর্মীদের স্বার্থ দেখেছি। দেশটাকে উন্নত করার জন্য দিন-রাত পরিশ্রম করেছি। যতবার দেশের বাইরে গিয়েছি, বাংলাদেশের কথা বলেছি। আমি একদিনও ছুটি নিইনি গত সাত বছরে। সুতরাং আপনারা ধৈর্য ধরুন এবং লক্ষ করুন যে, আমরা কী করছি। আমি যে কাজগুলো করেছি সেগুলো বাংলাদেশের ভবিষ্যতের বিশেষ করে সাইবার নিরাপত্তাতে অনেকটা স্বার্থ রক্ষা করবে এবং আরও কিছু কাজ করার বাকি আছে সেগুলো করার চেষ্টা করছি। কাজগুলো আমরা করব এবং আমি থাকি বা না থাকি আমার অনুরোধ থাকবে এই সাইবার সিকিউরিটির ব্যবস্থা যেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মতো একটা উদ্যোগ নিয়ে কাজ করা হয়।

 যে ঘটনার জন্য এত বিতর্ক, সেখানে ইতিবাচক দিক আছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সদ্য পদত্যাগী গভর্নর ড. আতিউর রহমান।  তিনি বলেন, ‘সংকটকে সম্ভাবনায় রূপান্তরিত করতে হবে। এটা মারাত্মক সাইবার অ্যাটাক, এটা একটা হাইটেক সাইবার অ্যাটাক। তিনি বলেন, ‘আমি যখন বাংলাদেশ ব্যাংকের দায়িত্ব নিয়েছিলাম, তখন রিজার্ভের পরিমাণ ছিল সাড়ে ৬ বিলিয়নের মতো। আর এখন তা ২৮ বিলিয়নের ওপরে। যখন যাচ্ছি দেখতে পাচ্ছি কোনও না কোনওভাবে ব্যাংকের সেবা নেওয়ার সুযোগ হয়েছে ৭০ শতাংশ মানুষের ।’ ‘একেকটা চ্যালেঞ্জ এসেছে, আমরা মুখোমুখি হয়েছি এবং এগিয়ে যেতে পেরেছি। আমি যখন চলে যাচ্ছি, তখন বাংলাদেশের অর্থনীতি সবচেয়ে স্থিতিশীল অবস্থায়।
আর বিদায়ী গভর্নর একটা ভুল ধারণা নিয়ে তাঁর বহুদিনের কর্মস্থল থেকে এক ধরনের দায় নিয়ে বিদায় নিলেন। তাঁর চারপাশের সিঁদেল চোরদের কাজ এটি। এদের চিহ্নিত করতে পারেননি তিনি। হ্যাকিং এর ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের যে সব কর্মকর্তা, কর্মচারী সুইফট সিস্টেমের সাথে জড়িত তাঁদের অব্যাহতি দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। বাংলাদেশে প্রতিটা ঘটনার পরই দায়িত্বশীলদের অব্যাহতি আর তদন্ত কমিটি একটি রীতিমত একটা শিল্পে পরিণত হয়েছে।

হুমায়ুন আজাদ স্যার বলেছিলেন  ‘’বাঙালি মুসলমান জীবিত প্রতিভাকে লাশে পরিণত করে, আর মৃত প্রতিভার কবরে আগরবাতি জ্বালে’’  ড. আতিউর রহমান এই ঘটনার আগেও গল্পের নায়ক ছিলেন, রাখাল বালক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হওয়ার কাহিনী রূপকথার কাহিনীর মতো আমাদেরকে আলোড়িত করেছে। সেই আতিউর রহমান ইতিহাসের কাছে একটা দায় মাথায় নিয়ে বিদায় নিলেন।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস প্রথম আলোর পিছনের পৃষ্ঠার লেখা লাইনটি আজ মনে পড়ছে। “তীর যেমন সামনে ছুটে চলার আগে একটু পেছনে যায় তেমনি  আমাদেরকেও সামনে আগানোর আগে গত শতাব্দীটা সম্পর্কে জানা দরকার’’

আমি বরাবরই অংকে কাঁচা। হলমার্কের ১৫০০ কোটি লুটপাট  কিংবা সোনালী ব্যাংকের ৪ হাজার কোটি টাকা গায়েব হয়ে গেল মাননীয় অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এর কোন প্রভাব পড়েনি। সে সময় মাননীয় অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়টি ও মাথায় আসেনি। গভর্নরের পদত্যাগ করার পর দেখলাম অর্থমন্ত্রী ও প্রস্তুত ছিলেন, পদত্যাগের জন্য।

সোনালী ব্যাংকের হলমার্ক কেলেঙ্কারি নিয়ে গণমাধ্যমের ভূমিকার সমালোচনা করে অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘ব্যাংকিং খাতে আমরা ৪০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দিই। এর মধ্যে মাত্র তিন বা চার হাজার কোটি টাকা নিয়ে ঝামেলা হয়েছে। এটা কোনো বড় অঙ্কের অর্থ নয়। এ নিয়ে হইচই করারও কিছু নেই। সংবাদমাধ্যম এটা নিয়ে অতিরিক্ত প্রচারণা করে দেশের ক্ষতি করছে। এমন ভাব যেন দেশের ব্যাংকিং সেক্টর ধসে গেছে। এতে আমাদের প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে।’ শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি, হলমার্ক, ডেস্টিনি, বেসিক, বিসমিল্লাহ, ইউনিপে টু  ইত্যাদি কেলেঙ্কারির মাধ্যমে দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা উধাও হয়ে যায়! আমরা নীরব ছিলাম অর্থমন্ত্রীর কথায় আশ্বস্ত ছিলাম। কিন্তু এইবারের ৮০০ কোটি টাকা নিয়ে অর্থমন্ত্রী আমাদের আশ্বস্ত করতে পারেননি।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতি বছর বিলিয়ন ডলার তছনছের  এমন  ঘটনা ঘটে থাকে। গতবছর এক বিলিয়ন ডলার বিভিন্ন দেশের ৩০টি ব্যাংক থেকে হ্যাকড হয়ে গেছে। গতমাসেও ইউএসএতে (যুক্তরাষ্ট্র) ৩০ মিলিয়ন ডলার হ্যাকড হয়েছে। বাংলাদেশে যা প্রথমবারের মতো ঘটেছে। অবশ্যই আমরা এই তহবিল তসরুপের ঘটনা চাইনা। সাথে সাথে ড. আতিউর রহমানের ব্যক্তিগত সততা এবং বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার পিছনে তাঁর ভূমিকা কেও খাটো করে দেখার অবকাশ নেই কোনভাবেই।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘প্রথম আলো’র  দু'টি কাল্পনিক চরিত্র "ভরত ও ভূমিসুতা" যাদের ঘিরে উপন্যাস এগিয়ে গেছে সেই  ভূমিপুত্র ভরত কখনো ত্রিপুরার সিংহাসনে তাঁর জায়গা পায়নি। সে কোনদিন ক্ষমতা ও চায়নি। ভরতের সাথে ড. আতিউরের ঘটনাটাও কেমন করে মিলে যাচ্ছে যেন। ভূমিপুত্র  রাজপুত্র হতে পারেনা কোন কালেই।

আমাদের রাজনীতির রাঘব বোয়ালরাই সব কিছু নির্ধারণ করবেন। ঘি মাখন খাবেন প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম। ভূমিপুত্ররা নয়। বাংলাদেশে ছোট বড় যে কোন ঘটনার জন্যই সবাই হা করে প্রধানমন্ত্রীর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকেন। মন্ত্রী পরিষদ,  বড় বড় আমলারা যেন ঘোড়ার ঘাস কাটার জন্য রয়ে গেছেন। ড. আতিউর অন্তত নিজে চেষ্টা করেছিলেন সমস্যা সমাধানের। সর্বশেষ দায়িত্ব থেকে নিজে সরে গিয়ে আরেকটি সাহসী ইতিহাসের জন্ম দিয়ে গেলেন।

ব্রিটিশ আমলের সেই তদন্ত কমিটি, দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া এসবের কোন কিছুরই দরকার নেই। যাদের দায়িত্বে লগইন এর বিষয়টি ছিল এদেরকে রিমান্ডে নিলেই সব বেরিয়ে আসবে। লগইন পাসওয়ার্ড কারা পাচার করেছে। ড. আতিউর রহমান না হয় বলির পাঁঠাই হলেন।

জুয়েল রাজ, ব্রিটেন প্রবাসী সাংবাদিক

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৩ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫১ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ১৯ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৫ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৩ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৫ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১০২ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৪ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১১৭ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৭ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ