আজ বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯ ইং

ত্রিশ লক্ষ শহীদের সংখ্যাতত্ত্ব

ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ  

একাত্তরের ত্রিশ লক্ষ শহীদের সংখ্যা নিয়ে অঙ্ক কষতে বসেছেন বাংলাদেশের একদল অঙ্কবিদ। অন্যদিকে একদল নিরপেক্ষ গবেষক এ সংখ্যা নিয়ে বস্তুনিষ্ঠ গবেষণার দাবি তুলেছেন। মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তির রাজনীতিবিদরা নিজেদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে যত না সংশয় প্রকাশ করছেন, তার চেয়ে বেশি সংশয় প্রকাশ করছেন এই ‘ত্রিশ লক্ষ’ সংখ্যাটি নিয়ে। আবার জনৈক ‘দেশ-জামাই’ ব্লগার ত্রিশ লক্ষ শহীদের সংখ্যার খেলা নিয়ে ‘ব্লগাইতে ব্লগাইতে’ নিজের দেশ, জাতি এবং ‘ধর্ম’ ত্যাগ করে এখন পাগলপ্রায়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরী তো দেশ, জাতি এবং গুরুত্বপূর্ণভাবে চট্টগ্রামবাসীর কাছে মৃত্যুর আগে শেষ ইচ্ছে হিসেবে ত্রিশ লক্ষ শহীদের ডেথ সার্টিফিকেটগুলো দেখতে চেয়েছিলেন। আর হাজার মাইল দূরের পাকিস্তান রাষ্ট্রটি ত্রিশ লক্ষ শহীদ তো দূরের কথা, একজনও শহীদ হননি বলে ফতোয়া দিয়ে বসে আছে।

তা যা-ই হোক, আসুন আমরা সবাই মিলে ত্রিশ লক্ষ শহীদের অঙ্কটি মিলিয়ে আসি। যারা অঙ্কটি মেলাতে পারেন না তাদের প্রধান তিনটি যুক্তি হলো :

  • ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশে ত্রিশ লক্ষ বাঙালি শহীদ হন নাই;
  • ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশে ত্রিশ লক্ষ বাঙালি শহীদ হতে পারেন না; এবং
  • জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি ভাষণ দেওয়ার সময় শহীদের সংখ্যা ভুলবশত অতিরঞ্জিত করে ত্রিশ লক্ষ বলে ফেলেছেন।

প্রথম যুক্তির খণ্ডন : ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশে ত্রিশ লক্ষ শহীদ হননি বলে যারা দারি করেন তাদের অজ্ঞতা দেখে যে কেউ লজ্জা পাবেন। কারণ :
(ক) ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসরদের লক্ষ্যই ছিল ত্রিশ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা করা। পাকিস্তানি আর্মিদের এক বৈঠকে ইয়াহিয়া খান বলেন, ‘Kill 3 million of them and the rest will eat out of our hands’. এখানে সুস্পষ্ট যে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রথম থেকেই লক্ষ্য ছিল অন্তত ত্রিশ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা করা। [তথ্যসূত্র : (১)  Robert Payne, Massacre: The Tragedy of Bangladesh and the Phenomenon of Mass Slaughter Throughout History (1972), পৃষ্ঠা-৫০; (২) Debashish Roy Chowdhury, ‘Indians are Bastard Any way’, The Asia Times, 23 June, 2005]

(খ) পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বিষয়ক ওয়েবসাইট defence.pk-এ প্রকাশিত ‘The Radical Truth: Teaching MPACUK the Forgotten Chapter of Pakistan’s History’ শীর্ষক নিবন্ধের তৃতীয় অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘In 1971, over 9 months, President Yahiya Khan and his military commanders with the aid of local collaborators committed mass atrocities on unarmed civilians, killed an estimated three million people...’

(গ) ১৯৭১ সালের ২১ ডিসেম্বরও দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকার সম্পাদকীয়তে লেখা হয়, ‘হানাদার দুশমন বাহিনী বাংলাদেশে প্রায় ত্রিশ লক্ষ নিরীহ লোক ও দু শতাধিক বুদ্ধিজীবীকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে’।

(ঘ) ১৯৭২ সালের ৫ জানুয়ারি ঢাকার The Daily Observer-এর শিরোনাম ছিল ‘Pak Army Killed Over 30 Lakh People’। একই দিন The Morning News-এর শিরোনাম ছিল ‘Over 30 Lakh Killed by Pak Force’।

(ঙ) রাশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র ‘প্রাভদা’ ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসেই বাংলাদেশে ত্রিশ লক্ষ শহীদের বিষয়টি প্রকাশ করে। এই প্রাভদার ইংরেজি সংস্করণে উল্লেখ করা হয়, ‘Over 30 lakh persons were killed throughout Bangladesh by the Pakisthani occupation forces during the last nine months’। প্রাভদা পত্রিকাটির ১৯৭২ সালের ৫ জানুয়ারির বাংলা সংস্করণে শিরোনাম হয় দখলদার বাহিনী বাংলাদেশে ত্রিশ লক্ষাধিক মানুষ হত্যা করেছে’।

(চ) ১৯৭২ সালের ৯ জানুয়ারি দৈনিক বাংলা-র ‘হুশিয়ার আন্তর্জাতিক চক্রান্ত’ শিরোনাম খবরে লেখা হয়, দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী বাংলাদেশে যে তাণ্ডব চালিয়েছে তাতে ৩৫ লক্ষাধিক বাঙালি প্রাণ হারিয়েছে।

(ছ) গবেষক রওনাক জাহানও তার গবেষণায় ত্রিশ লক্ষ শহীদের সংখ্যা খুঁজে পেয়েছেন। [তথ্যসূত্র : ‘Genocide in Bangladesh’ in Samuel Totten, William S. Parsons and Israel W. Charny (ed), Century of Genocide: Critical Essays and Eyewitness Accounts (2nd ed, Routledge, 1995) পৃষ্ঠা-২৯৫।]

দ্বিতীয় যুক্তির খণ্ডন : যারা মনে করেন ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ত্রিশ লক্ষ মানুষ শহীদ হওয়া কোনোমতেই সম্ভব নয় তারা আসলে অঙ্কে বড় কাঁচা। সহজ সরল অঙ্কের ফর্মুলা না বোঝার কারণেই তাদের এই বাচালতা। কারণ :
(ক) Rudolph Joseph Rummel গণহত্যার পরিসংখ্যান কিভাবে করতে হয় তার একটি গ্রহণযোগ্য পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন। পদ্ধতিটি তার রচিত ‘Estimating Democide: Methods and Procedures’ শীর্ষক নিবন্ধে বিধৃত হয়েছে। তার রচিত Statistics of Democide (1998) গ্রন্থের অষ্টম অধ্যায়ে তিনি অন্তর্ভুক্ত করেছেন ‘Statistics of Pakistan Democide, Estimates Calculation and sources’ শীর্ষক নিবন্ধটি। এই নিবন্ধে Rummel তার আবিষ্কৃত গণহত্যা পরিসংখ্যান পদ্ধতি অনুসারে দেখিয়েছেন যে, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশে ত্রিশ লক্ষ ৩ হাজার লোক প্রাণ হারিয়েছেন।

(খ) ১৯৮১ সালের UNHRC (ইউনাইটেড ন্যাশনস হিউম্যান রাইটস কমিশন) রিপোর্ট অনুযায়ী মানবসভ্যতার ইতিহাসে যতগুলো গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে তাতে অল্প সময়ের মধ্যে সব থেকে বেশি সংখ্যক মানুষকে হত্যা করা হয়েছে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে। প্রতিদিন গড়ে ৬,০০০ থেকে ১২,০০০ মানুষ তখন খুন হয়েছিল বাংলাদেশে। গণহত্যার ইতিহাসে এটাই সর্বোচ্চ গড়। তবে এখানে উল্লেখ্য, অপারেশন সার্চলাইটের প্রথম রাতের প্রাণহানির সংখ্যাই ছিল কমপক্ষে ৩৫,০০০। চুকনগর গণহত্যায় প্রাণহানি ঘটেছিল ১০,০০০ এর ওপরে। ১৯৭১ সালের ২৮ মার্চ প্রকাশিত New York Times-এর রিপোর্ট অনুযায়ী ২৭ মার্চে প্রাণহানির সংখ্যা ১০,০০০। ১৯৭১ সালের Sydney Morning Herald-এর রিপোর্ট অনুযায়ী মার্চের ২৫ থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত (৫ দিনে) প্রাণহানির সংখ্যা প্রায় ১ লাখ। এতে দেখা যায় দিনপ্রতি প্রাণহানির সংখ্যা প্রায় ২০ হাজার। সুতরাং ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে প্রাণহানির দৈনিক গড় UNHRC রিপোর্টের ঊর্ধ্বসীমার কাছাকাছি (দিন প্রতি ১২,০০০) বলেই আমরা ধরে নিতে পারি। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ চলেছে মোট ২৬৭ দিন (২৫ মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর)। অতএব, দিনপ্রতি ১২,০০০ নিহত সংখ্যাকে ২৬৭ দিন দিয়ে গুণ করলে মোট নিহতের সংখ্যা পাওয়া যায় ৩২ লাখ ৪ হাজার। আবার UNHRC-এর নির্দেশিত ঊর্ধ্বসীমা ১২,০০০ ও নিম্নসীমা ৬,০০০-এর গড় যদি হয় ৯০০০, তবে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় অন্তত পক্ষে ২৪ লাখ ৩ হাজার।

(গ) ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি বাংলাদেশে প্রায় ৯৪২টি বধ্যভূমি শনাক্ত করেছিল। অতি সম্প্রতি, ১৯৭১ গণহত্যা নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘরের সমীক্ষা অনুযায়ী ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে মোট ৩৪০০টি বধ্যভূমি শনাক্ত করা হয়েছে। চট্টগ্রামের পাহাড়তলি বধ্যভূমি স্মৃতি সংরক্ষণ পরিষদের হিসাব অনুযায়ী ১৯৭১-এর এপ্রিল থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাহাড়তলি বধ্যভূমিতে প্রায় ২০ হাজারের মতো বাঙালিকে হত্যা করা হয়েছে। আবার ইতিহাসবিদ মুনতাসীর মামুনের গবেষণা অনুযায়ী গল্লামারী বধ্যভূমিতে ১৫ হাজার বাঙালিকে হত্যা করা হয়েছে। রায়ের বাজার বধ্যভূমি ও জল্লাদখানা বধ্যভূমির মোট লাশের সংখ্যা নির্ণয় করা বেশ দুষ্কর। তবে যদি ত্রিশ লক্ষ বাঙালিকে শুধু ৩৪০০ বধ্যভূমিতেই হত্যা করা হয় তবে প্রতি বধ্যভূমিতে অন্তত ৮৮২ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এই সংখ্যা প্রাপ্ত তথ্যের চেয়ে অস্বাভাবিকভাবে কম। সুতরাং ত্রিশ লক্ষ শহীদের সংখ্যার সম্ভাব্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা অর্থহীন। একই সঙ্গে এটাও মনে রাখতে হবে যে, অসংখ্য লাশ নদীতে বা পানিতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে। সুতরাং শুধু বধ্যভূমির সংখ্যা দিয়ে একাত্তরের শহীদের মোট সংখ্যা নিরূপণ করা সঠিক হবে না। প্রকৃত শহীদের সংখ্যা ৩০ লক্ষের বেশিই হবে।

(ঘ) ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ৯৩,০০০ পাকিস্তানি সৈন্য আত্মসমর্পণ করে। এটাও সত্য যে, যুদ্ধে অনেক পাকিস্তানি সৈন্যের মৃত্যুও ঘটেছে। ২০১০ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠিত হওয়ার পর তদন্ত সংস্থা এলাকাভিত্তিক রাজাকার বাহিনীর নাম সংগ্রহের কাজ শুরু করে। এ ছাড়া মেজর আরেফিন এবং মুনতাসীর মামুনও ভিন্ন ভিন্নভাবে রাজাকারদের তালিকা তৈরির কাজ করেছেন। সবার তথ্য অনুযায়ী ১৯৭১ সালে রাজাকারের সংখ্যা ছিল ৪৭,০০০ থেকে ৬০,০০০। একাত্তরে এরা সবাই পাকিস্তানি বাহিনীর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাঙালি নিধন করেছে। যদি ধরে নিই অন্তত ৪৭,০০০ রাজাকার সেই সময় ৯৩০০০ পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে ছিল তবে মোট ঘাতকের সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ৪০ হাজার। এখন ১ লাখ ৪০ হাজার ঘাতক যদি ত্রিশ লক্ষ বাঙালি নিধন করে থাকে তবে এক একজন ঘাতক মোট ২৬৭ দিনে মাত্র ২১ জনকে হত্যা করেছে। অর্থাৎ একজন ঘাতক যুদ্ধকালে ১৩ দিন পর পর একজন বাঙালিকে হত্যা করেছে। এই সংখ্যাটি কি খুবই অবিশ্বাস্য?

ত্রিশ লক্ষ শহীদের সংখ্যা নিয়ে যারা সংশয় প্রকাশ করেন, তারা অঙ্কটি বেশ কয়েকবার কষে দেখবেন হিসাবটি ঠিক করে বুঝবার জন্য।

তৃতীয় যুক্তির খণ্ডন : যারা দারি করেন যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি ভাষণ দেওয়ার সময় ভুলবশত শহীদের সংখ্যা অতিরঞ্জিত করে ত্রিশ লক্ষ বলে ফেলেছেন, তারা যে কত হাস্যকর মিথ্যাচার করতে পারেন তা ভেবে আমি অবাক হই। কারণ :
(ক) ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত চরমপত্র অনুষ্ঠানে এম আর আখতার মুকুল ত্রিশ লক্ষ শহীদের কথা উল্লেখ করেছেন।

(খ) ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর দৈনিক পূর্বদেশ-এর সম্পাদকীয়তে, ১৯৭২ সালের ৫ জানুয়ারি The Daily Observer, The Morning News এবং রাশিয়ার প্রাভদা পত্রিকার বাংলা সংস্করণের শিরোনামে এবং ১৯৭২ সালের ৯ জানুয়ারি দৈনিক বাংলার শিরোনামে ত্রিশ লক্ষ শহীদের কথা উল্লেখ করা হয়।

অতএব, দেখা যাচ্ছে যে, বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি ভাষণ দেওয়ার অনেক আগে থেকেই ত্রিশ লক্ষ শহীদের বিষয়টি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম অনুযায়ী একটি স্বীকৃত বাস্তবতায় পরিণত হয়ে গিয়েছিল। তাই ত্রিশ লক্ষ শহীদ নিয়ে বঙ্গবন্ধু অতিরঞ্জিত করে কিছু বলেছেন এটা কখনই হতে পারে না।

সর্বশেষে, বলতে চাই, আজ যারা ত্রিশ লক্ষ শহীদের সংখ্যা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তারা আসলে নিজেরাই বিভ্রান্ত। খোঁজ নিয়ে দেখলেই জানা যাবে, যারা ত্রিশ লক্ষ শহীদের সংখ্যা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন বা এর বস্তুনিষ্ঠ গবেষণা দাবি করেন, তাদের সবারই পাকিস্তানি সম্পৃক্ততা রয়েছে— হয় পারিবারিকভাবে, নয় রাজনৈতিক বা অর্থনৈতিকভাবে। বাংলাদেশে বসবাসকারী এসব পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী লোকজন কখনই আপনার বা আমার বন্ধু হতে পারে না। আসুন, এদের বর্জন করি— ঘৃণা করি।

ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ, প্রসিকিউটর, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৩ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫৩ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ২১ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৫ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৩ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৬ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১১০ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৭ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১২৭ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৭ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ