আজ শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ ইং

বাতিল রবীন্দ্রনাথ : পাঠ্যপুস্তকে মৌলবাদের নয়া চাষবাস

আলমগীর শাহরিয়ার  

মধ্যযুগের ইউরোপ যখন পুরোহিততন্ত্রের নিষ্পেষণে পিষ্ট, নতুন জ্ঞান পাপ ও প্রশ্নবিদ্ধ তখন মুসলিম মনীষীরা প্রাচীন গ্রীস ও রোমের বিলুপ্তপ্রায় জ্ঞানের পুনরুজ্জীবন দান করেন। যা ইউরোপের রেনেসাঁকে ত্বরান্বিত করে ও প্রাণ দেয়। পৃথিবীর জ্ঞান-বিজ্ঞানে মুসলিম মনীষীদের দান অনবদ্য ও অপরিমেয়।

মধ্যযুগ নেই; এখন একুশ শতকের পৃথিবী। মানুষ জ্ঞান-বিজ্ঞানের চরম উৎকর্ষ সাধনে অহোরাত্র তৎপর। অথৈ জলরাশির সাগর-সমুদ্র, অসীম মহাকাশ নিয়ে যখন গবেষণা করছে তখন মধ্যযুগীয় চার্চের বিধিনিষেধের আদলে আমাদের মোল্লাতন্ত্র ও কূপমণ্ডূক চিন্তার প্রাতিষ্ঠানিকীকরণের প্রচেষ্টা আমাদেরকে লজ্জিত করে। জ্ঞানের উদার পৃথিবীতে আমাদের হেয় করে। আমাদের চিন্তার দারিদ্র্যকে উৎকট ও প্রকটভাবে প্রকাশ করে।

২০১৭ সালের নতুন পাঠ্যপুস্তক থেকে ধর্ম পরিচয়ে জন্মানো ঘৃণা ও বিদ্বেষে ‘নাস্তিক’ ও ‘হিন্দু’ অপবাদে বাদ পড়েছে অনেক মননশীল লেখকদের লেখা। আমরা সৃজনশীলতার স্লোগান দিচ্ছি আর বাদ দিচ্ছি মননশীল প্রতিভাবানদের সঙ্গে পরিচয়ের সুযোগ। এ তালিকায় আছেন অনেক মহৎ লেখক, বিস্ময়কর হলেও সত্য বাদ পড়েননি বাঙালির শ্রেষ্ঠ প্রতিভা রবীন্দ্রনাথও। বিশিষ্টজনেরা বলছেন, হেফাজত ও জামায়াতের দাবির কাছে এই আত্মসমর্পণ বলে দেয় কতোটা দিকচিহ্নহীন মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের সরকার। প্রতিদিন জঙ্গিবিরোধী জনসভা, মিছিল, মাঠে গরম বক্তৃতা দেবেন নেতা-কর্মীরা আর রাতের আঁধারে সরকার আপস করবে, ধর্মের বিভাজনে মানুষ, জ্ঞান বিভক্ত হবে, চাষবাস হবে মৌলবাদের-এ কেমন স্ববিরোধী অবস্থান!

কী কী বাদ পড়েছে :  পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা বই থেকে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ হুমায়ুন আজাদের 'বই' কবিতাটি বাদ দেয়া হয়েছে। তিনি তাঁর কবিতায় লিখেছেন, “যে বই তোমায় দেখায় ভয় সেগুলো কোন বই-ই নয়/ সে-বই তুমি পড়বে না/ যে-বই তোমায় অন্ধ করে যে-বই তোমায় বন্ধ করে/ সে-বই তুমি ধরবে না/” হুমায়ূন আজাদ তাঁর কবিতায় কোন বইয়ের নাম উল্লেখ করেনি; অথচ হেফাজতের হুজুরেরা মনে করছেন, বই দিয়ে নাকি কুরআন শরীফকেই ইঙ্গিত করা হয়েছে। আর এতে নাকি কোমলমতি শিশুদের ইসলাম বিদ্বেষী করা হচ্ছে। কথা হলো কোরআন কী মানুষকে অন্ধ করে? ভয় দেখায়? কোরআন হলো মুসলমানদের পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। দিক নির্দেশক। কিন্তু কতিপয় কাঠমোল্লার দল ইসলামকে, কোরআনকে জ্ঞানের বিপরীতে দাঁড় করাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে তারা কী ভুল বার্তা দিচ্ছে না?

ষষ্ঠ শ্রেণীর বাংলা বইয়ে এস ওয়াজেদ আলীর 'রাঁচি ভ্রমণ' বাদ দেওয়ার কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে ভারতের ঝাড়খণ্ডের রাজধানী রাঁচি হিন্দুদের একটি তীর্থস্থান। একই শ্রেণীর সত্যেন সেনের 'লাল গরুটা বাদ দেওয়া হয়েছে গরু মায়ের মতো উল্লেখ করে মুসলমান বাচ্চাদের নাকি হিন্দুত্ববাদ শেখানো হচ্ছে।

সপ্তম শ্রেণীর বাংলা বইতে নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের 'লাল ঘোড়া' গল্পটি বাদ দেওয়ার কারণ -গল্পে লালু নামে একটি ঘোড়া ছিল। এতে পশুর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। পশুর প্রতি ভালোবাসা কিভাবে ইসলামের ভাবানুভূতির বিরুদ্ধে গেল ঠিক বোঝা গেল না। বাদ পড়েছে সুকুমার রায়ের 'আনন্দ' কবিতা। কালিদাস রায়ের 'অপূর্ব প্রতিশোধ' কবিতা ইসলামের প্রশংসা করে লেখা হয়েছে তবুও কবিতাটি বাদ দেওয়া হয়েছে। বাদ পড়েছে স্বর্ণকুমারী দেবীর 'উপদেশ' কবিতাও।  রণেশ দাশগুপ্তের 'মাল্যদান' গল্পে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ফুটে উঠেছে; অথচ এটাও বাদ পড়েছে। মধ্যবিত্ত বাঙালির ঘরে ঘরে পবিত্র কোরআন, বেদ ও গীতার পরে সর্বাধিক পঠিত লেখক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বিখ্যাত গল্প 'লালু' বাদ দেওয়ার হয়েছে। অষ্টম শ্রেণীর বাংলা বইয়ে রবীন্দ্রোত্তর যুগের বাংলা সাহিত্যের বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী বুদ্ধদেব বসুর 'নদীর স্বপ্ন' কবিতাটি বাদ দেয়া হয়েছে। উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরী রচিত 'রামায়ণ কাহিনী-আদিখণ্ড' শীর্ষক গল্পটি বাদ পড়েছে। নবম শ্রেণীর বাংলা বইতে সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত 'পালামৌ' গল্পটি বাদ দেওয়া হয়েছে। জ্ঞানদাস রচিত 'সুখের লাগিয়া' কবিতাটি বাদ পড়েছে। বাদ পড়েছে ভারতচন্দ্র গুণাকর রচিত 'আমার সন্তান' কবিতাটি। বাঙলার মানবতাবাদী সংস্কৃতির প্রতীক মরমী সাধক লালন শাহ রচিত 'সময় গেলে সাধন হবে না' কবিতাটি বাদ পড়েছে। এ তালিকায় আরো আছে রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'স্বাধীনতা', জনপ্রিয় কবি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের 'সাঁকোটা দুলছে'। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বাংলাদেশের হৃদয়' কবিতাটি বাদ দেওয়া হয়েছে।

ধর্মচেতনায় গড়ে উঠা পাকিস্তানে ষাটের দশকে রবীন্দ্রনাথকে নিষিদ্ধ করা হয়। বাংলার পরিবর্তে উর্দু চর্চায় নিয়োজিত হন কিছু ভাড়াটে বুদ্ধিজীবী ও লেখক। তখন এদেশের মনীষারা বাঙালি জাতীয়তাবাদের চেতনায় ভাষা ও বুদ্ধিবৃত্তিক সাম্প্রদায়িকতার নয়া মেরুকরণ রুখে দিয়েছিলেন। সৃষ্টি করেছিলেন সাংস্কৃতিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, সফল ও স্বতঃস্ফূর্ত একটি রাজনৈতিক আন্দোলন। যার ফসল মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ। ভাবা যায় একটি স্বাধীন দেশে সেই পুরনো পাকিস্তানের প্রেতাত্মাদের দাবীতে সে ভাষার শ্রেষ্ঠ প্রতিভা, জাতীয় সঙ্গীত রচয়িতার লেখা পাঠ্যপুস্তক থেকে আজ বাতিল!

একটি সমাজ বিকাশের পূর্বশর্ত হলো চিন্তার বহুত্ববাদকে স্বাগত জানানো। সব সমাজে সব কালে ধর্ম-বণিকেরা চিরদিনই সে পথ রুদ্ধ করেছেন দৈব অজুহাতে। বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। আদিম সমাজ থেকে মানুষ সভ্যতার সোপানে পৌঁছেছে নব নব চিন্তার দ্বার উন্মোচন করে। ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে নজরুল লিখেছিলেন, “যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃত্যুকে আঁকড়িয়া পড়িয়া থাকে, বৃদ্ধ তাহারাই-যাহারা মায়াচ্ছন্ন নব মানবের অভিনব জয় যাত্রার শুধু বোঝা নয়, বিঘ্ন; শতাব্দীর নব যাত্রীর চলার ছন্দে ছন্দ মিলাইয়া যাহারা কুচকাওয়াজ করিতে জানে না, পারে না; যাহারা জীব হইয়াও জড়; যাহারা অটল সংস্কারের পাষাণস্তূপ আঁকড়িয়া পড়িয়া আছে। বৃদ্ধ তাহারাই যাহারা নব অরুণোদয় দেখিয়া নিদ্রাভঙ্গের ভয়ে দ্বার রুদ্ধ করিয়া পড়িয়া থাকে। আলোক-পিয়াসী প্রাণ চঞ্চল শিশুদের কল কোলাহলে যাহারা বিরক্ত হইয়া অভিসম্পাত করিতে থাকে, জীর্ণ পুঁতি চাপা পড়িয়া যাহাদের নাভিশ্বাস বহিতেছে, অতি জ্ঞানের অগ্নিমান্দ্যে যাহারা আজ কঙ্কালসার—বৃদ্ধ তাহারাই। ইহাদের ধর্মই বার্ধক্য।” আমরা কী এখনো তবে বার্ধক্যের সেই অটল সংস্কারের পাষাণস্তূপ আকড়ে পড়ে থাকব?

‘বিশ্বসভ্যতায় মুসলিম দার্শনিকদের দান’ প্রবন্ধে উপমহাদেশের প্রখ্যাত দার্শনিক জি সি দেব বলেছিলেন, খ্রিষ্টীয় নয় শতক থেকে বারো শতক পর্যন্ত মুসলিম দার্শনিকগণ যে সার্বজনীন উদার দৃষ্টি, জ্ঞানের জন্য গভীর অনুরাগ ও মননশীলতার পরিচয় দিয়েছেন, বিশ্বের দর্শনের ইতিহাসে তাকে আমি একটি গৌরবময় অধ্যায় বলে মনে করি।” তিনি এই প্রবন্ধে আরো বলেন, রেনেসাঁর বহু আগে সার্বজনীন দৃষ্টির পরিচয় দিয়েছেন মুসলিম দার্শনিকেরা তাদের চিন্তাধারার মধ্যে। যে প্লেটো ও এরিস্টটল য়ুরোপের মধ্যযুগের চার্চীয় দর্শনে এবং রেনেসাঁ উত্তর আধুনিক চিন্তাধারায় প্রবল ও প্রচুর প্রভাব বিস্তার করেছেন, তাঁদের ভাবধারার সংরক্ষণ প্রচার বিশ্বসভ্যতার মুসলিম দার্শনিকদের একক ও বড় দান। তাঁদের চেষ্টা ব্যতিরেকে সংকীর্ণ ধর্মপ্রচারের আঘাতে প্লেটো-এরিস্টটলের ভাবধারা হয়তো পৃথিবী থেকে মুছে যেতো।” আফসোস আজকের বাংলাদেশে আমাদের দেখতে হচ্ছে বিদ্যা-বুদ্ধির ধর্ম পরিচয়। ধর্মান্ধ চেতনায় জ্ঞানের বাছবিচার!

ক্লিশে মৌলবাদ ও মুক্তির পথ: মৌলবাদ অত্যন্ত ক্লিশে একটা শব্দ। শুনতে শুনতেও ক্লান্তি লাগে। তবু মৌলবাদ ক্লান্তিহীন। পৃথিবীতে হিন্দু মৌলবাদ, খ্রিস্টীয় মৌলবাদ ও মুসলিম মৌলবাদের পুনরুত্থান ঘটছে। ভারতে চলচ্চিত্র শিল্পে কাজ করেন এমন গুণী শিল্পীরা বাদ পড়ে যান, ভারত ছাড়া হন - ধর্মান্ধ আরএসএস ও উগ্রবাদীদের হুমকিতে। ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপিকে অঘোষিতভাবে পরিচালিত করে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন আর এস এস। মৌলবাদীদের কাছে পাকিস্তানের নাস্তানাবুদ হওয়ার ঘটনা পাকিস্তানের জন্মলগ্নের ইতিহাস। মায়ানমারে বৌদ্ধ মৌলবাদে ঘরছাড়া আরাকানের হাজার হাজার মুসলমান। ইউরোপ ও আমেরিকায় ডান ও উগ্র জাতীয়তাবাদী সংগঠন ও রাজনৈতিক দলগুলোর উত্থান ঘটছে। যুদ্ধবাজ বুশ, ধর্ম ও বর্ণ বিদ্বেষ, ব্রেক্সিট, ট্রাম্পের আবির্ভাব তাঁর সর্বশেষ নিদর্শন। আর এভাবেই দিন দিন মৌলবাদের নয়া  বিশ্বায়ন হচ্ছে।

বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী ধর্মনিরপেক্ষ আদর্শের দল কী তবে আজ মৌলবাদের নয়া খপ্পরে? জিসি দেব তাঁর ‘দর্শন ও একজগৎ’ প্রবন্ধে বহু আগে বলেছিলেন, “আজকের দিনে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন সব দেশের সব মানুষকে এক আদর্শে অনুপ্রাণিত করে এক জগৎ গড়ে তোলা।” মানবতাবাদী দার্শনিক জিসি দেবের এই আবেদন ফুরোয় নি। এখনো সমান প্রাসঙ্গিক। জ্ঞানের কোন লৌকিক ধর্ম নেই, আস্তিকতা-নাস্তিকতা নেই। জ্ঞান জ্যোতির্ময় মনোজাগতিক ও প্রায়োগিক। সব কালের সব মানুষের জন্য।

আলমগীর শাহরিয়ার, কবি ও প্রাবন্ধিক

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া ১০ আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৩ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫৩ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ২১ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৫ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৩ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৬ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১১৩ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৮ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১৩১ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৭ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ