আজ বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ইং

ফেব্রুয়ারি বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বিজয়ের

রণেশ মৈত্র  

লেখাটি যখন ঢাকায় সংবাদ মাধ্যমের হাতে পৌঁছাবে, জানি না, তখন ফেব্রুয়ারি ২০১৭ শেষ হয়ে আসবে। তবে ফেব্রুয়ারির গোটা মাসই তো একুশ বা একুশের মাস। তাই মাস জুড়েই চলে বইমেলা, আলোচনা সভা সহ নানাবিধ সাংস্কৃতিক আয়োজন। সেই আয়োজনে এবার আমার পক্ষে সশরীরে উপস্থিত হওয়া সম্ভব না হলেও দেশ বাসীর সামনে ফেব্রুয়ারি ও একুশ নিয়ে কয়েকটি নিবন্ধের মাধ্যমেই হাজির হয়ে এই নিবন্ধটির মাধ্যমেই এবারের মত তার সমাপ্তি ঘটাচ্ছি।

একুশের ঘটনাবলী আমরা অনেকেই জানি আবার নতুন প্রজন্মের অনেকে হয়তো তা সঠিকভাবে জানবার সুযোগও পায় নি।

জানবার ক্ষেত্রে চমৎকার একটি বই বেড়িয়েছিল ১৯৫২ সালেই। তার নাম ছিলো “একুশে ফেব্রুয়ারি”। এটি একটি সংকলন যাতে ছিল সংক্ষিপ্তভাবে লিখিত ভাষা আন্দোলন তথা একুশে ফেব্রুয়ারির ইতিহাস ও তার নানাবিধ তাৎপর্যে সমৃদ্ধ । কিছু গল্প, প্রবন্ধ ও কবিতা যার লেখকেরাও ছিলেন ভাষা আন্দোলনের প্রত্যক্ষ সংগঠক। বার বার বইটিকে বে-আইনি ঘোষণা করেছে পাকিস্তান সরকার। প্রকাশক মোহাম্মদ সুলতান। সম্পাদক হাসান হাফিজুর রহমান। পুঁথিপত্র প্রকাশনী এই ঐতিহাসিক সংকলনটি বের করেছিল বলে মনে পড়ে। কিন্তু বহুকাল যাবত আর এই বইটি বাজারে নেই। তখনকার দিনে সাধারণ মলাটের ভেতরে কমদামী নিউজপ্রিন্টে ছাপানো এই বইটির ঐতিহাসিক মূল্য অসীম। আশা করবো কোন একজন প্রকাশক দ্রুতই এগিয়ে আসবেন এই বইটির পুন মুদ্রণের অপরিহার্য দায়িত্ব নিয়ে এবং বইটি অত্যন্ত সহজলভ্যও হওয়া প্রয়োজন তার দামের দিক থেকেও। এটিকে পাঠ্য সূচিরও অন্তর্ভুক্ত করা উচিত হবে ষষ্ট শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত তরুণ-তরুণীদের। তাই সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া উচিত বইটি পুনর্মুদ্রণের।

ভাষা আন্দোলন ১৯৪৮ সালে শুরু হয় এবং সবারও তরুণ ছাত্র সমাজ সারা দেশের শহরগুলিতে রাজপথ কাঁপিয়ে তুলেছিল-গ্রেফতার হয়েছিলেন অনেকেই। তার প্রতিবাদে রাজবন্দীদের মুক্তি দাবী করে গড়ে উঠতে শুরু হয় বন্দী মুক্তি আন্দোলনের।

আবার ১৯৪৮ এর আন্দোলনের স্মরণে প্রতি বছর ১১ মার্চ পালন করা হতে ভাষা আন্দোলনের স্মরণে। এভাবেই ইস্যুটাকে জীবিত রাখা হয় সকলের স্মৃতিতে।

এভাবে আরও যা যা করা হতো পত্র-পত্রিকায় বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার সপক্ষে যুক্তি দিয়ে লেখালেখি, ছাত্র সমাজের পক্ষ থেকে লিফলেট বিতরণ, পোস্টারিং প্রভৃতি। মাইক্রোফোনের যুগ তখনও না আসায় প্রচার প্রচারণা ছাত্ররা চালাতো টিনের চোঙা বানিয়ে নিয়ে। অত্যন্ত কষ্টকর হলেও সেভাবেই আমাদের প্রচার করতে হয়েছে রাস্তার মোড়ে মোড়ে। পুলিশ তেড়ে এলে দৌড়ে পালিয়ে অন্য এক মোড়ে গিয়ে প্রচার চালাতে হতো। এতে কষ্টনালীতে প্রচণ্ড চাপ পড়তো কষ্টও হতো কিন্তু এমন প্রচারে। কিন্তু যখন কোন কর্মসূচী সফল হতো-তখন স্পষ্ট করেই অনুভব করতাম-কি বিপুল জনপ্রিয়তাই না পেয়েছিলো বাংলাদেশকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবীটি গোড়া থেকেই।

আসে এভাবেই দিন কাটতে কাটতে চলে বাহান্নর ফেব্রুয়ারি। একটা গুমোট যেন আগে থেকেই অনুভব করা যাচ্ছিলো। একদিকে পাঠদান সরকারের জেদ কোনক্রমেই বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা হবে না-অপরপক্ষে তরুণ-তরুণীরাও শপথ নিয়েছে মাতৃভাষার জন্য তারা প্রয়োজনে বুকের রক্ত ঢেলে দেবে। এবং তাই দিতে হলো তাদেরকে শেষ পর্যন্ত।

না, শুধু তরুণ-তরুণীদের আবেগাশ্রিত ছিল না রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন। এতে কখনও প্রত্যক্ষ কখনও বা অপ্রকাশ্যভাবে সক্রিয় সমর্থন যুগিয়েছেন স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মণ্ডলীও। তাঁরা উৎসাহিত করতেন ছেলেমেয়েদেরকে, বাসায় গেলে সাধ্যানুযায়ী আর্থিক সহায়তাও দিতেন। আন্দোলন সংক্রান্ত খরচের লক্ষে।

অভিভাবকদের সরাসরি মিছিল সমাবেশগুলিতে অনেকে অংশ গ্রহণ করতেন-বাকীরা নানাভাবে গোপনে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতেন। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই ছাত্রীদের উপর গড়াতো চাঁদা তোলার দায়িত্ব। অত্যন্ত খুশি মনে তাঁরা সে দায়িত্ব পালন করতেন। যেতেন বাড়ী বাড়ী। মহিলাদের কাছে গিয়ে বিষয়টি আলোচনা করে আর্থিক সাহায্য চাইলে তাঁরা অনেকেই সাধ্যমত অর্থ সহায়তা দিতেন। অনেক মহিলা আবার নিজের গায়ের গহনাও স্বেচ্ছায় দিয়ে দিতেন যেমন অর্থাভাবে আন্দোলনের কোন ক্ষতি না হয়।

আজ আমরা দেখি অভিভাবকেরা চেষ্টা করেন যাতে সন্তানেরা কোন আন্দোলনে না যায়। আর তখনকার ভাষা আন্দোলনে? অভিভাবক-শিক্ষকেরাই আন্দোলন গড়ে তুলতে তাঁদের সন্তান, ছাত্র-ছাত্রীদেরকে উৎসাহিত করতেন।

তবে এই কথাগুলি থেকে কেউ যেন ভেবে না বসেন, পাকিস্তান সরকার ছাড়া পূর্ব বাংলার আর একজনও ভাষা আন্দোলনের বিরোধিতা করে নি। সে দাবী করা যাবে না। বিরোধিতা করতো সরকারী দল মুসলিম লীগ আর কাঠ মোল্লারা। বহু জায়গায় মুসলিম লীগের ভাড়াটিয়া গুণ্ডারা ভাষা আন্দোলনের মিছিলকে নানাবিধ অস্ত্র নিয়ে যেমন, লাঠি, ফালা, সড়কি প্রভৃতি নিয়ে মিছিল গুলিকে আক্রমণ করেছে পুলিশ প্রহরায়, তেমনি আবার কাঠ-মোল্লারাও রামদাও, বটি, দা প্রভৃতি ধারালো অন্ত্র নিয়ে ঐ আন্দোলন কারীদের “ভারতের দালাল,“পাকিস্তানের দুশমন,” “ইসলামের দুশমন” প্রভৃতি প্রচার করে মিছিলগুলিকে আক্রমণ করেছে। এর প্রতিবাদে আন্দোলন আরও জোরদার হয়েছেÑকাঠমোল্লারা হারিয়েছে সমাজে তাদের গ্রহণযোগ্যতা।

রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন বাঙালিকে ঘরে ফিরিয়েছিলো। ইংরেজরা বাঙালিকে বিশ্বাস করতো না-তাদের প্রতিভায় ভীত হয়ে। তাই তারা সৃষ্টি করেছিল দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ ও অনৈক্য। দাঙ্গা-ফ্যাসাদ তাদেরই ইন্ধনে ঘটেছিল। আর সামনে রেখেছিল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ নামক ইংরেজ শাসকদেরই একটি প্লেয়ারকে।

একটি তথ্যই যথেষ্ট হবে বিষয়টি পরিষ্কার করার ক্ষেত্রে। ১৯৪০ সালে সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে পাকিস্তান দাবীর সমর্থনে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব গৃহীত হলো। কিন্তু পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলন মুসলিম লীগ শুরু করেছিল আরও অনেক আগে। আর পাকিস্তান বাস্তবে প্রতিষ্ঠিত হলো ১৯৪৭ সালের আগস্টে। একটি নতুন দেশ গঠনের জন্য এত বড় আন্দোলন। আন্দোলন করীদের কষ্ট শ্লোগান উচ্চারিত হতো “লড়কে লেঙ্গে পাকিস্তান”। কিন্তু এমনই যে লড়াই যে ইংরেজরা এ আন্দোলনের মূল নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ সহ কাউকেই এক বেলার জন্য কারারুদ্ধ করলো না। অথচ ভারতের স্বাধীনতার জন্য কংগ্রেস, সি.পি.আই ও অন্যান্য দলের হাজার হাজার নেতা কর্মীকে কাঠে ঝুলানো হলো, বছরের পর বছর কারারুদ্ধ করে রাখা হলো, কত জনের কত সম্পদ লুণ্ঠন হলো তার তো হিসেবই নেই।

এতেই বুঝা যায় পাকিস্তান আন্দোলন নামক আন্দোলনটি আসলে কি ছিলো। স্পষ্ট করে বলতে গেলে তা ছিল ইংরেজ ও ধনী মুসলিমদের স্বার্থ রক্ষার জন্য ইংরেজ শাসক ও মুসলিম লীগের মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, লিয়াকত আলী খান ও খাজা নাজিমুদ্দিন ও নুরুল আমিনদের এক ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র। এবং সাময়িকভাবে হলেও তা সফলও হতে পেরেছিল তৎকালীন সর্বভারতীয় কংগ্রেস নেতৃত্বের ভ্রান্তিমূলক ধারণার কারণে।

বাহান্নর ফেব্রুয়ারি সেই জায়গায় প্রথম এবং শক্তিশালী আঘাত হেনেছে যে আঘাতে মুসলিম সমাজের (পূর্ব বাংলার) বিভ্রান্তির ঘোর কেটেছিল দ্বিজাতিতত্ত্ব প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। সে এক মহোৎসব যেন।

ধর্মকে রাজনীতি থেকে পৃথক করা, রাজনৈতিক দলগুলির নাম থেকে ধর্মের চিহ্নটুকু অপসারণ করা, দলীয় লক্ষ্য হিসাবে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগঠনের প্রত্যয় ঘোষণা, নয়-একমাত্র বাঙালী জাতীয়তাবাদ (উগ্র জাতীয়তাবাদ নয়) সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় পুন: প্রতিষ্ঠা করে লৌহ-দৃঢ় জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলে দেশে মানুষে মানুষে মিলনের বন্যা বইয়ে দেওয়ার শপথে বলীয়ান ছিল সেই ফেব্রুয়ারি। ঐ চেতনায় অর্জন হিসেবে জাতি পেলো মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এবং মুক্তিযুদ্ধের সুমহান বিজয় ও আজ ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি বিদায় নিতে চলেছে।

এই মুহুর্তে যদি পর্যালোচনা করতে বসি, বাহান্নর অমোঘ বিজয়ের যে মালা গাঁথতে পেরেছিল বাঙালি এই দীর্ঘ ৬৫ বছরের যাত্রাপথে সে অর্জন কি দিনে দিনে নতুনর বিজয় এনে ঐ মালাটিকে আরও স্ফীত কলেবর সুগন্ধিময় ও সমৃদ্ধ করে তুলতে পেরেছে? বাঙালি জাতি আজও কি বাঙালি জাতীয় ভাষাকে সগর্বে লালন করছে? বাঙালি কি আজও বাঙালি জাতি হিসেবে নিজেকে লালন করতে সক্ষম হয়েছে?

বেদনাদায়ক হলেও সঠিক উত্তরটি হচ্ছে-না। বাঙালি জাতি আজ আর বাঙালি থাকতে পরছে না - আবার তারা হিন্দু-মুসলমানে বিভক্ত হয়ে পড়ছে বা সংখ্যাগুরু পরিচয়ে পরিচিত হচ্ছে পরিত্যক্ত চেতনায় পর্যবসিত হচ্ছে মাঠে ময়দানে উন্মুক্ত আকাশে তাকালে সাত চল্লিশের কালো মেঘের আচ্ছন্ন এক আকাশ পরিদৃষ্ট হচ্ছে জাতি চেতনার রাজ্যে পিছু হাঁটছে ইসলামী উগ্র জঙ্গিপনার চিন্তার ঘটছে সংবিধান থেকে পাঠ্যপুস্তক পর্যন্ত সর্বত্র সাম্প্রদায়িক ভাবধারার বিস্তার রাষ্ট্রীয় আনুকূল্যে আধুনিক বাংলাদেশ বিনির্মাণের একাত্তরের মহান স্বপ্নকে দুমড়ে মুচড়ে ফেলে এক অনিশ্চিত যাত্রায় দ্রুতগতিতে ছুটছে যেন। একাত্তর আজ মুখ লুকিয়েছে ঠাঁই নেও কোথাও তার মূল বৈশিষ্ট্যগুলি।

ফেব্রুয়ারিতেই বাঙালি প্রথম “না” উচ্চারণ করেছিল। সেই “না” দিয়ে সে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে প্রতিষ্ঠিত করতে, বাঙালি জাতি সত্ত্বার বিকাশ ঘটাতে, হিন্দু-মুসলিম -বৌদ্ধ-খৃষ্টানের মিলন ঘটিয়ে সম মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করতে যে সাফল্য অর্জন করেছিল আজ ২০১৭ সালের করুন অভিজ্ঞতা তা যেন লুণ্ঠিত+অপহৃত।

তাই আমাদের ভবিষ্যতের কর্ণধার বিপ্লবী যুব সমাজ কি বাহান্নর ফেব্রুয়ারির সেই পরিত্যক্ত পতাকা দৃঢ় হাতে নতুন করে কাঁধ তুলে নিয়ে বর্তমানের কালো নিকষকালো অন্ধকারকে দূর করার প্রত্যয়ে, নতুন প্রভাত ছিনিয়ে আনার প্রত্যয়ে আবার লাখো কণ্ঠে রাজপথ কাঁপিয়ে সেই “না” এর চাইতে আরও শক্তিশালী “না” শ্লোগানে সর্বত্র ঝড় তুলে দিয়ে নতুন এবং স্থায়ী বিজয় ছিনিয়ে আনতে ঐক্যবদ্ধ হতে সক্ষম হবে।

“এ কলঙ্ককে মানি না-মানব না” নতুন সূর্য ছিনিয়ে এসে সুসমৃদ্ধ আধুনিক, গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার শপথে বলীয়ান হয়ে নতুন করে রাজপথ কাঁপিয়ে তুলতে এগিয়ে আসবেন?

বস্তুত: তার বিকল্প যেমন নাই তেমনই সে অভিযান শুরুর বিলম্বেরও অবকাশ নেই।

রণেশ মৈত্র, লেখক, একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক; মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। ইমেইল : [email protected]

মুক্তমত বিভাগে প্রকাশিত লেখার বিষয়, মতামত, মন্তব্য লেখকের একান্ত নিজস্ব। sylhettoday24.com-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে যার মিল আছে এমন সিদ্ধান্তে আসার কোন যৌক্তিকতা সর্বক্ষেত্রে নেই। লেখকের মতামত, বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে sylhettoday24.com আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় গ্রহণ করে না।

আপনার মন্তব্য

লেখক তালিকা অঞ্জন আচার্য অসীম চক্রবর্তী আজম খান ১০ আজমিনা আফরিন তোড়া আফসানা বেগম আবু এম ইউসুফ আবু সাঈদ আহমেদ আব্দুল করিম কিম ২০ আব্দুল্লাহ আল নোমান আব্দুল্লাহ হারুন জুয়েল আমিনা আইরিন আরশাদ খান আরিফ জেবতিক ১৩ আরিফ রহমান ১৪ আরিফুর রহমান আলমগীর নিষাদ আলমগীর শাহরিয়ার ৪০ আশরাফ মাহমুদ আশিক শাওন ইমতিয়াজ মাহমুদ ৫১ ইয়ামেন এম হক এখলাসুর রহমান ১৯ এনামুল হক এনাম ২৫ এমদাদুল হক তুহিন ১৯ এস এম নাদিম মাহমুদ ১৯ ওমর ফারুক লুক্স কবির য়াহমদ ৩১ কাজল দাস ১০ কাজী মাহবুব হাসান খুরশীদ শাম্মী ১২ গোঁসাই পাহ্‌লভী ১৪ চিররঞ্জন সরকার ৩৫ জফির সেতু জহিরুল হক বাপি ২৮ জহিরুল হক মজুমদার জান্নাতুল মাওয়া জাহিদ নেওয়াজ খান জুয়েল রাজ ৭৫ ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন ড. কাবেরী গায়েন ২২ ড. শাখাওয়াৎ নয়ন ডা. সাঈদ এনাম ডোরা প্রেন্টিস তপু সৌমেন তসলিমা নাসরিন তানবীরা তালুকদার দিব্যেন্দু দ্বীপ দেব দুলাল গুহ দেব প্রসাদ দেবু দেবজ্যোতি দেবু ২৬ নিখিল নীল পাপলু বাঙ্গালী পুলক ঘটক ফকির ইলিয়াস ২৪ ফজলুল বারী ৬২ ফড়িং ক্যামেলিয়া ফরিদ আহমেদ ৩৩ ফারজানা কবীর খান স্নিগ্ধা বদরুল আলম বন্যা আহমেদ বিজন সরকার বিপ্লব কর্মকার ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ ১৫ ভায়লেট হালদার মারজিয়া প্রভা মাসকাওয়াথ আহসান ১০২ মাসুদ পারভেজ মাহমুদুল হক মুন্সী মিলন ফারাবী মুনীর উদ্দীন শামীম ১০ মুহম্মদ জাফর ইকবাল ১১৪ মো. মাহমুদুর রহমান মো. সাখাওয়াত হোসেন মোছাদ্দিক উজ্জ্বল মোনাজ হক রণেশ মৈত্র ১১৭ রতন কুমার সমাদ্দার রহিম আব্দুর রহিম ১৭ রাজেশ পাল ১৯ রুমী আহমেদ রেজা ঘটক ৩২ লীনা পারভীন শওগাত আলী সাগর শাখাওয়াত লিটন শামান সাত্ত্বিক শামীম সাঈদ শারমিন শামস্ ১৪ শাশ্বতী বিপ্লব শিতাংশু গুহ শিবলী নোমান শুভাশিস ব্যানার্জি শুভ ২৪ শেখ মো. নাজমুল হাসান ২১ শেখ হাসিনা শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী সঙ্গীতা ইমাম সঙ্গীতা ইয়াসমিন ১৬ সহুল আহমদ সাইফুর মিশু সাকিল আহমদ অরণ্য সাব্বির খান ২৮

ফেসবুক পেইজ