০৪ জানুয়ারি, ২০১৬ ২২:১০
শিয়া নেতা নিমর আল-নিমরকে দেয়া সৌদির মৃত্যুদণ্ডকে ঘিরে উত্তেজনার জের ধরে তেহরানে অবস্থিত সৌদি আরবের দূতাবাসে হামলার প্রেক্ষিতে সৌদি আরবের ইরানের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদের পর বাহরাইন এবং সুদানও সম্পর্কচ্ছেদ করেছে। কূটনৈতিক মিশনের মর্যাদা কমিয়েছে আবর আমিরাত।
শনিবার সৌদি সরকার শিয়া নেতা শেখ নিমর আল নিমরসহ ৪৭ জনের শিরশ্ছেদ করার ঘোষণা দেয়ার পরপরই ইরানের সঙ্গে তাদের সম্পর্কের দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকে। শনিবার রাতে তেহরানের সৌদি দূতাবোসে অগ্নিসংযোগ করে দেশটির বিক্ষুব্ধ জনতা।
বাহরাইনের গণ-যোগাযোগ মন্ত্রী ঈসা আল হামাদি সোমবার এক ঘোষণাতে এই কথা বলেন। সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর এবং তারপর শনিবার তেহরানের সৌদি দূতাবাসের হামলা ঘিরে দুই দেশের মধ্যে যে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে তার ভিত্তিতে বাহরাইন ইরানের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করেছে। শিয়া জনগণদের মধ্যে বিক্ষোভ উস্কে দেয়ার জন্য ইরানকে দায়ি করছে বাহরাইন।
শনিবার রাতে ইরানে সৌদি দূতাবাসে হামলার পরপরই ইরানের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরব। শিয়া নেতা নিমর আল-নিমরকে দেয়া সৌদির মৃত্যুদণ্ডকে ঘিরে মূলত এই উত্তেজনা চরমে পৌঁছে।
ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সৌদির রিয়াদ থেকে তাদের দূতাবাস অপসারণ করতে বলা হলে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, দূতাবাস হামলার ঘটনাকে সৌদি ব্যবহার করছে মূলত তেল নিয়ে সৃষ্ট উত্তেজনার একটা অজুহাত হিসেবে।
এদিকে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আদেল আল-জুবায়ের ইরানকে অভিযুক্ত করে বলেছেন, দূতাবাস হামলার পেছনে ইরান কর্তৃপক্ষের হাত রয়েছে, কারণ অফিস থেকে কম্পিউটার এবং কাগজপত্র কেড়ে নেয়া হয়েছে।
বাহরাইনও সৌদির সাথে এই জায়গায় একমত। শিয়া বিক্ষোভকারীদের উস্কে দেয়া এবং ইচ্ছাকৃতভাবে হামলা চালানোয় ইরানের সাথে সম্পর্কচ্ছেদ করেছে তারাও।
আপনার মন্তব্য