ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক

১৩ মার্চ, ২০১৮ ১৭:৫৫

বিমান বিধ্বস্ত: নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ৬ কর্মকর্তাকে বদলি

নেপালে ইউএস-বাংলা'র উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে হতাহতের ঘটনায় কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিয়ন্ত্রণ কক্ষে সে সময় দায়িত্বে থাকা ছয় কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে বলে নেপালের সংবাদমাধ্যম মাই রিপাবলিকা।

ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বলেছে, যে দিক দিয়ে বিমানটির রানওয়েতে নামার কথা ছিল, পাইলট নেমেছেন তার উল্টো দিক দিয়ে। অন্যদিকে ইউএস-বাংলা কর্তৃপক্ষ এ দুর্ঘটনার জন্য ত্রিভুবনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ এনেছে।

পাল্টাপাল্টি এমন অভিযোগের মধ্যেই বদলি করা হয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ৬ কর্মকর্তাকে।

যদিও নেপালের সংবাদমাধ্যম মাই রিপাবলিকা জানায়, নেপালের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের উপ মহা পরিচালক রাজন পোখারেল বলছেন, "এমন দুর্ঘটনার পর স্বাভাবিক প্রক্রিয়া মেনেই তাদের অন্যত্র সরানো হয়েছে। তারা একটি ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখেছে এবং তারা শোকাহত। তাদের চাপ কমাতেই আমরা তাদের অন্য বিভাগে স্থানান্তর করেছি।"

তিনি বলেন, ওই অডিও রেকর্ডের সঙ্গে ছয় কর্মকর্তাকে বদলির কোনো সম্পর্ক নেই।

ত্রিভুবন বিমানবন্দরের জেনারেল ম্যানেজার রাজ কুমার ছেত্রীর বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, তদন্তকারীরা সোমবারই ধ্বংসস্তূপ থেকে ফ্লাইটের ডেটা রেকর্ডার উদ্ধার করেছেন।

এ দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে ছয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছে নেপাল সরকার। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সাবেক মহাপরিচালক যজ্ঞ প্রসাদ গৌতমের নেতৃত্বে ওই কমিটি ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। তাদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সোমবার (১২ মার্চ) দুপুরে ঢাকা থেকে ৬৭ জন যাত্রী নিয়ে কাঠমান্ডু রওয়ানা হয়েছিল ইউএস বাংলার একটি উড়োজাহাজ। কেবিন ক্রু সহ বিমানের মোট মানুষ ছিলেন ৭১ জন। ত্রিভুবন বিমানবন্দরে নামার সময় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এতে ৪৯ জনের মৃত্যুর খবর জানিয়েছিল নেপাল পুলিশ। যার বেশিরভাগই বাংলাদেশ ও নেপালের নাগরিক।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত