COVID-19
CORONAVIRUS
OUTBREAK

Bangladesh

Worldwide

49

Confirmed Cases,
Bangladesh

05

Deaths in
Bangladesh

19

Total
Recovered

724,278

Worldwide
Cases

34,007

Deaths
Worldwide

152,061

Total
Recovered

Source : IEDCR

Source : worldometers.info

সিলেটটুডে ডেস্ক

২৫ মার্চ, ২০২০ ০৯:০৮

হুবেই প্রদেশে লকডাউন উঠছে আজ

উহান বাদে আজ বুধবার থেকে চীনের হুবেই প্রদেশে প্রবেশ ও প্রদেশটি থেকে বের হওয়ার ওপর আরোপিত সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হচ্ছে। আর ৮ এপ্রিল থেকে উহানের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পর স্বাস্থ্য কোডের ওপর ভিত্তি করে লোকজন শহরটি ছাড়ার সুযোগ পাবে বলে জানিয়েছে হুবেই প্রদেশের স্বাস্থ্য কমিশন।

গত বছরের ডিসেম্বরের একেবারে শেষ দিকে হুবেই প্রদেশের উহান শহর প্রথম নতুন ধরনের এ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঘটে। কিছুদিনের মধ্যে ভাইরাসটির সংক্রমণ দ্রুত হুবেই প্রদেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়লে কর্তৃপক্ষ প্রদেশটি লকাডাউন করে দিয়ে কোটি কোটি বাসিন্দাকে ঘরে অবস্থান করতে বাধ্য করে।

এর আড়াই মাস পর সোমবার দিন শেষে হুবেইর স্বাস্থ্য কমিশন প্রদেশটিতে মোট ৬৭ হাজার ৮০১ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও তিন হাজার ১৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে। কিন্তু প্রদেশটিতে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। গত ছয় দিনে প্রদেশটিতে মাত্র একজন আক্রান্ত হয়েছেন বলে স্বাস্থ্য কমিশন জানিয়েছে। ফলে স্বাস্থ্য কমিশন প্রদেশটি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খবর বিবিসির

চীনের মূল ভূখণ্ডজুড়ে এ পর্যন্ত প্রায় ৮২ হাজার লোক এ ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের মধ্যে তিন হাজার ২৭৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৭৩ হাজার রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। চীনের পাশাপাশি বিশ্বের প্রায় ২০০ দেশ ও অঞ্চলে ভাইরাসটির সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর এ ভাইরাসের নাম দেওয়া হয় নভেল করোনাভাইরাস, আর এর ফলে সৃষ্ট রোগ নাম পায় কভিড-১৯। যার লক্ষণ জ্বর, মাথাব্যথা ও শ্বাসজনিত সমস্যা।

প্রাদুর্ভাবের শুরুতে চীনে মৃতের সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকলেও মাস দুয়েকের মধ্যে তারা পরিস্থিতি অনেকটাই সামলে নিতে পেরেছে। চীনের পর প্রথমে দক্ষিণ কোরিয়ায় ও পরে ইতালিতে মৃতের সংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে। দক্ষিণ কোরিয়া পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণ আনতে পারলেও ইতালিতে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে চীনকেও।

তবে উহান বাদে চীনের মূল খণ্ডে মঙ্গলবার নতুন করে আরও ৭৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এতে দেশটিতে দ্বিতীয় দফা করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের বেশিরভাগই বিদেশ থেকে এসেছেন। এতদিন চীনের নাগরিকরাই ছিলেন করোনার বাহক। এখন উল্টো বাইরে থেকে আসা লোকজন এ ব্যাপারে ভয় ধরাচ্ছেন।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত