সিলেটটুডে ডেস্ক:

০৮ জুলাই, ২০২১ ০২:১০

লকডাউনের সপ্তম দিনে গ্রেপ্তার ১১০২

রাজধানী

ফাইল ছবি

সড়কে সেনাবাহিনীসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল আছে, আছে চেকপোস্ট। অকারণে বাইরে বের হওয়া লোকজনের বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছে আইনি ব্যবস্থা। তারপরও চলমান কঠোর লকডাউনে সড়কে যানবাহন ও মানুষের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন।

জরুরি কাজের পাশাপাশি নানা অজুহাতেও বের হচ্ছেন অনেকে। নগরীর কোনো কোনো পয়েন্টে যানজটও হচ্ছে। যা দেখে বোঝার উপায় নেই, ঘর থেকে বেরুনোর ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

কেউ কেউ বলছেন, লকডাউনের শুরুতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যতটা কড়া অবস্থানে ছিল, এখন ততটা নেই। কিন্তু পুলিশের গ্রেপ্তার ও জরিমানার তথ্য বলছে ভিন্ন কথা।

বুধবার লকডাউনের সপ্তম দিনে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাইরে বের হওয়ায় সর্বোচ্চ এক হাজার ১০২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২৪৫ জনকে জরিমানা করা হয়েছে এক লাখ ৭১ হাজার ৯৮০ টাকা। এ সময় ৮০৪টি যানবাহনের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এগুলোর মালিকদের মোট ১৮ লাখ ৬৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে পুলিশ।

এদিকে প্রথম দফায় ঘোষিত এক সপ্তাহের লকডাউন এরইমধ্যে আরও সাতদিন বাড়ানো হয়েছে। ফলে আজ থেকে শুরু হচ্ছে দ্বিতীয় দফার বিধিনিষেধ। করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না আসায় গত সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। তাতে বলা হয়, চলমান সব বিধিনিষেধ ও কার্যক্রম ১৪ জুলাই রাত ১২টা পর্যন্ত বিদ্যমান থাকবে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম ও জনসংযোগ শাখার দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত উপ-কমিশনার ইফতেখায়রুল ইসলাম বলেন, বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে কঠোর অবস্থানেই রয়েছে পুলিশ। রোববার পর্যন্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় জনচলাচল কিছুটা কম ছিল। এখন এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সেখানে সেবা নিতে যাওয়া মানুষের যাতায়াতের কারণে ভিড় কিছুটা বেড়েছে। শিল্প-কারখানাসহ যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, সেসবের কর্মীরাও চলাচল করছেন। কাঁচাবাজারসহ জরুরি নানা প্রয়োজনেও লোকজন বের হচ্ছেন। সঙ্গত কারণেই তাদের বাধা দেওয়ার সুযোগ নেই। তারপরও কেউ যেন অকারণে ঘর থেকে না বের হন, সেজন্য পুলিশের নানামুখী তৎপরতা চলছে। মাস্ক পরতে উৎসাহিত করাসহ সচেতনতা সৃষ্টির কার্যক্রম আছে। বাড়তি চাপ সামলাতে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত