০৮ জুলাই, ২০২১ ০২:২০
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেছেন, ভার্চুয়াল কোর্ট চালু করায় মানুষ বিচার পেয়েছে। মেডিকেল সার্ভিসের মতো বিচার ব্যবস্থাও জরুরি সার্ভিস। যে কারণে ভার্চুয়াল কোর্ট হওয়াতে মানুষ অনেক সুবিধাও পেয়েছে।
বুধবার ছয় সদস্যের আপিল বিভাগে এক মামলার (ভার্চুয়ালি) শুনানিতে এ কথা বলেন তিনি।
প্রধান বিচারপতি বলেন, আমাদের আপিল বিভাগের স্টাফরা তো বাসায় বসেই কাজ করছেন। কোর্টে আসেননি। ফলে ভার্চুয়াল কোর্ট একটি বড় সফলতা। তবে অসুবিধা নিম্ন আদালতের। সেখানে বিচারককে কোর্টে যেতে হয়।
ভার্চুয়াল কোর্টের সফলতা উল্লেখ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ভার্চুয়াল কোর্টের সফলতা অনেক বেশি। এ অবস্থার মধ্যে ফিজিক্যাল কোর্ট হলে আপিল বিভাগে বিচারকাজ চলত না। কারণ অনেক সিনিয়র আইনজীবী আসতেন না। তারা না এলে আপিল বিভাগ চলত না। এ অবস্থার মধ্যেও ভার্চুয়ালি আপিল বিভাগে দুই গুণ মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে।
সরকারের সদিচ্ছা ছিল বলেই ভার্চুয়াল আইন হয়েছে উল্লেখ করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ভারতে এখনও ভার্চুয়াল আইন হয়নি। সুপ্রিম কোর্টের একটি আদেশে ভারতের ভার্চুয়াল কোর্ট চলে। পাকিস্তানেও হয়নি।
এদিকে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের কার্যক্রম সীমিত পরিসরে চলবে। এ সময়ে রিট ও দেওয়ানি, ফৌজদারি এবং কোম্পানি ও অ্যাডমিরালিটি-সংক্রান্ত তিনটি একক বেঞ্চ ভার্চুয়ালি চলবে। তবে বিচারপতিসহ সবাইকে নিজ বাসস্থান থেকে যুক্ত হতে হবে। এ বিষয়ে বুধবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৩০ জুন এ বিষয়ে দেওয়া বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতা ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হল।
আপনার মন্তব্য