সিলেটটুডে ডেস্ক

০৬ ডিসেম্বর, ২০১৫ ২২:১১

সিলেট-চট্টগ্রাম রুটে বিমান চালুর উদ্যোগ নিতে মন্ত্রীর নির্দেশ

বিদেশি পর্যটকদের সুবিধার জন্য সিলেট থেকে চট্টগ্রামে ফ্লাইট শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন।

রোববার জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে ‘পর্যটন বিষয়ক আলোকচিত্র এবং ভ্রমণ বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

বর্তমানে অভ্যন্তরীণ রুটে যেসব বিমান চলাচল করে তার সবই ঢাকা থেকে যাওয়া-আসা করে। এজন্য এখন কেউ আকাশপথে সিলেট থেকে চট্টগ্রাম যেতে চাইলে তাকে ঢাকা ঘুরে যেতে হয়।

মন্ত্রী বলেন, “ভারতের শিলং থেকে অনেকেই সিলেট-চট্টগ্রামে বেড়াতে আসতে চান। আমি ইতোমধ্যে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষকে বলেছি, সিলেট থেকে চট্টগ্রামে বিমান চলাচল শুরু করার উদ্যোগ নিতে, তারা যেন একটা ব্যবস্থা করে। এটি হলে তারা সিলেট থেকে বিমানে করে চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারে যেতে পারবেন।

“ভবিষ্যতে চীনের কুনমিংয়ের সঙ্গেও আমাদের যোগাযোগ বাড়বে। এতে প্রচুর পর্যটক আমরা পাব বলে আশা করছি।”

সরকার ঘোষিত পর্যটন বর্ষ ২০১৬ সালে দেশের মানুষ আরও বেশি পর্যটনমনস্ক হবে- এ আশা প্রকাশ করে মেনন বলেন, “গত এক দশক ধরে আমাদের মধ্যে একটি পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। এখন অবসর পেলেই মানুষ ছুটি কাটাতে বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে যায়।

“একটা সময় ছিল, যখন কক্সবাজার ছিল ওপরতলার মানুষের জন্য। এখন দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির কারণে অভ্যন্তরীণ পর্যটন বৃদ্ধি পেয়েছে।”

“এক্ষেত্রে নতুন নতুন পর্যটন গন্তব্য সামনে তুলে ধরলে আমাদের পর্যটন খাত বিকশিত হবে”, যোগ করেন তিনি।

পর্যটন বর্ষে বিদেশি পর্যটক বৃদ্ধির আশা প্রকাশ করে এজন্য আঞ্চলিক সহযোগিতাও কামনা করেন মন্ত্রী মেনন।

তিনি বলেন, “আমাদের মন্ত্রণালয় ছাড়াও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এবং কিছুটা বন মন্ত্রণালয়কে নিয়েই আমরা পর্যটন বর্ষ পালন করব। পর্যটন বর্ষে কী হবে, না হবে- তা নিয়ে অনেক জল্পনা-কল্পনা রয়েছে। আমি বলব, আপনারা আগে পর্যটন কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখুন।”

অনুষ্ঠানে ৪৪ দিনে পায়ে হেঁটে বাংলাবান্ধা থেকে টেকনাফ পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য অভিযাত্রী মো. জিয়াউর রহমানকে সনদ তুলে দেওয়া হয়।

এরপর জিয়াউরের ভ্রমণের আলোকচিত্র নিয়ে তিন দিনের আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন পর্যটনমন্ত্রী মেনন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সরকারি তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আবু হায়দার আহমেদ নাসের, জাদুঘরের মহাপরিচালক ফয়জুল লতিফ চৌধুরী, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আখতারুজ জামান খান কবির প্রমুখ।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত