সিলেটটুডে ডেস্ক

২৫ এপ্রিল, ২০২২ ১৪:১৬

অর্থপাচার: এনু-রুপনসহ ১১ জনের অর্থ ও কারাদণ্ড

অর্থপাচার মামলায় ঢাকার গেণ্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূঁইয়াসহ ১১ জনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ইকবাল হোসেন সোমবার (২৫ এপ্রিল) বেলা পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে আসামিদের ৪ কোটি টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- মেরাজুল হক ভূঁইয়া শিপলু, রশিদুল হক ভূঁইয়া, সহিদুল হক ভূঁইয়া, জয় গোপাল সরকার, পাভেল রহমান, তুহিন মুন্সি, আবুল কালাম, নবীর হোসেন শিকদার ও সাইফুল ইসলাম।

আসামিদের মধ্যে শিপলু, রশিদুল, সহিদুল ও পাভেল মামলার শুরু থেকে পলাতক। জামিনে আছেন তুহিন। এনু-রুপনসহ বাকি ৬ আসামি কারাগারে আছেন।

ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের সময় ২০১৯ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর গেণ্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের তৎকালীন নেতা দুই ভাই, তাদের এক কর্মচারী এবং তাদের এক বন্ধুর বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব।

সেখান থেকে টাকা ও গহনা জব্দ করার পর ওয়ান্ডারার্স ক্লাবের কর্মচারী আবুল কালাম ও এনুর বন্ধু হারুন অর রশিদের বাসায় অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে ৫ কোটি ৫ লাখ টাকা, ৮ কেজি স্বর্ণালঙ্কার ও ৬টি আগ্নেয়াস্ত্র জব্দ করে র‌্যাব। এরপর দুদক দুই ভাইয়ের সম্পদের বিষয়ে অনুসন্ধান চালায়।

৩৫ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর দুজনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, এনু ২১ কোটি ৮৯ লাখ ৪৩ হাজার টাকার ও রুপন ১৪ কোটি ১২ লাখ ৯৫ হাজার ৮৮২ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এসব ঘটনায় দুজনকেই আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

ঢাকার ক্রীড়াক্লাবগুলোতে ক্যাসিনো বন্ধে অভিযানের মধ্যে ২০২০ সালের ১৩ জানুয়ারি গ্রেপ্তার করা হয় এই দুই ভাইকে। অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ১২টি মামলা হয়।

তার মধ্যে ওয়ারী থানার অর্থ পাচার আইনের এ মামলা গত ১৬ মার্চ রাষ্ট্র এবং আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত