সিলেটটুডে ডেস্ক:

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ২৩:৩৪

ভোটের প্রচারে গিয়ে ধর্ষণের শিকার প্রার্থী, গ্রেপ্তার ৫

রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন এক নারী প্রার্থী।

এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই নারী বাগমারা উপজেলার গনিপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা।

অভিযোগে জানা যায়, বাগমারার বাহামনিপাড়া মোড়ের সোহেল রানার চা-স্টলে ৭ সেপ্টেম্বর ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে নারী নিজেই রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। এরপর ১৫ সেপ্টেম্বর ছাড়পত্র নিয়ে বাগমারা থানায় তিনজনের নামোল্লেখ ও অজ্ঞাতপরিচয় দু'জনকে আসামি করে ধর্ষণ মামলা করেন। পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে পাঁচজনকেই গ্রেপ্তার করে। শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলো- বাহামনিপাড়ার চা স্টলের মালিক বাহামনি গ্রামের আজাহার আলীর ছেলে সোহেল রানা, বেলাল হোসেনের ছেলে দুলাল হোসেন ও আয়েন উদ্দীনের ছেলে ফজলুল হক এবং সাইধারা গ্রামের মেছের আলীর ছেলে মাহাবুর রহমান ও লাল মোহাম্মদের ছেলে আকবর হোসেন দুলাল।

রোববার বিকেলে ওই নারী জানান, তিনি ১ সেপ্টেম্বর কেশরহাটের কাউন্সিলরসহ মেম্বারদের কাছে ভোট চেয়ে ফেরার পথে মেয়ের বাড়ি যাচ্ছিলেন। রাত ৮টার দিকে ঝড়বৃষ্টি শুরু হলে তিনি বাহামনিপাড়া মোড়ের সোহেল রানার চা-স্টলে আশ্রয় নেন। এ সময় চা-স্টলের শাটার নামিয়ে পাঁচজন তাঁকে ধর্ষণ করে। এরপর তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে ১৫ দিন চিকিৎসা নেন।

তিনি বলেন, এখন ভোটের প্রচারে আছি। ভয় পাচ্ছি না। যারা আমার সঙ্গে অন্যায় করেছে, তাদের উচিত শিক্ষা দিয়েছি। তারা এখন কারাগারে।

বাগমারা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তৌহিদুর রহমান বলেন, ওই নারী নিজেই চিকিৎসা শেষে থানায় এসে অভিযোগ দিয়েছেন। আমরা সঙ্গে সঙ্গে তাঁর মামলা নিয়েছি। এরপরই পাঁচ আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার শহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জানা নেই। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত