১৮ আগস্ট, ২০২৩ ১২:০০
সরকার ঘোষিত সর্বজনীন পেনশনের চাঁদা মোবাইল আর্থিক সেবা নগদের মাধ্যমে পরিশোধ করলে চলতি বছর পরিশোধিত অর্থের লাভসহ ক্যাশব্যাক পেতে পারেন গ্রাহকরা।
চলতি বছরের বাকি মাসগুলোয় যারা পেনশনের চাঁদার টাকা নগদ ওয়ালেটের মাধ্যমে সরকারি হিসাবে জমা করবেন, কেবল তারাই ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে এ লাভসহ ক্যাশব্যাক সুবিধার আওতায় আসবেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, চলতি বছরের বাকি মাসগুলোতে যারা পেনশনের চাঁদার টাকা নগদ ওয়ালেটের মাধ্যমে সরকারি হিসেবে জমা করবেন, কেবল তারাই ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে এই লাভসহ ক্যাশব্যাক সুবিধার আওতায় আসবেন।
সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অবসর জীবনের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা বিবেচনায় নিয়ে সরকার বৃহস্পতিবার প্রথমবারের মতো দেশে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি চালু করেছে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের পর এখন আমরা যাচ্ছি স্মার্ট বাংলাদেশের দিকে। যার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সরকার এমন একটি জনহিতকর কাজ হাতে নিয়েছে।’
নগদের মাধ্যমে চাঁদা দেয়ার পদ্ধতি
যারা সর্বজনীন পেনশন পেতে চান, ঘরে বসে পেনশন কর্মসূচির আওতায় চাঁদা পরিশোধ করার জন্য তাদেরকে প্রথমে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের পর একটি নম্বর পাওয়া যাবে, যা দিয়ে সব সময় চাঁদা পরিশোধসহ আনুসাঙ্গিক সব কাজ করতে হবে।
https://www.upension.gov.bd/Public/Packages ওয়েব ঠিকানা ব্রাউজ করে পেনশন কর্মসূচির চাঁদা প্রদানের জন্য গ্রাহককে পেমেন্ট অপশনে যেতে হবে। সেখান থেকে মোবাইল ব্যাংকিং অপশনে গিয়ে ‘নগদ’ নির্বাচন করে পেনশনের চাঁদা পরিশোধ করা যাবে।
আপাতত চার শ্রেণির জনগোষ্ঠীর জন্য চার ধরনের পেনশন কর্মসূচি চালু করেছে সরকার। বেসরকারি খাতের চাকরিজীবীদের জন্য ‘প্রগতি,’ স্বকর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য ‘সুরক্ষা,’ প্রবাসীদের জন্য ‘প্রবাসী’এবং দেশের নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য ‘সমতা’ শীর্ষক কর্মসূচি চালু করেছে।
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি এমনভাবে করা হচ্ছে, যাতে ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী দেশের সব নাগরিকই এ ব্যবস্থার আওতায় আসতে পারেন এবং ৬০ বছর বয়স থেকে তারা আজীবন পেনশন পান। ‘প্রগতি’ও ‘সুরক্ষা’কর্মসূচির আওতায় মাসিক চাঁদা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার থেকে ৫০০০ হাজার টাকা পর্যন্ত। ‘প্রবাসী’কর্মসূচিতে মাসিক চাঁদা ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা।
আপনার মন্তব্য