২০ মে, ২০২৫ ২১:৫২
আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫ এর একটি ধারা উল্লেখ করে স্বাধীন মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের অধিকারের বিষয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে সম্পাদক পরিষদ। একই সাথে এই ধারা স্থগিত করে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে পরিষদ।
মঙ্গলবার (২০ মে) সম্পাদক পরিষদের সভাপতি মাহফুজ আনাম ও সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান হানিফ মাহমুদের সই করা এক বিবৃতিতে এ উদ্বেগ জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ১২ মে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এর আগে ১১ মে ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫’-এর গেজেট প্রকাশ করে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রকাশিত গেজেটে দেখা যায় যে অধ্যাদেশে একটি ধারা যুক্ত হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২০০৯ সালের ১৬ নম্বর আইনের ধারা ২০–এর (খ) উপধারা (১) এর দফা (ঙ) তে বলা হয়েছে, ‘উক্ত সত্তা কর্তৃক বা উহার পক্ষে বা সমর্থনে যেকোনো প্রেস বিবৃতির প্রকাশনা বা মুদ্রণ কিংবা গণমাধ্যম, অনলাইন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে যেকোনো ধরনের প্রচারণা অথবা মিছিল, সভা-সমাবেশ বা সংবাদ সম্মেলন আয়োজন বা জনসম্মুখে বক্তৃতা প্রদান নিষিদ্ধ করিবে।’
ধারাটি পর্যালোচনার প্রয়োজন রয়েছে উল্লেখ করে সম্পাদক পরিষদ বলছে, অধ্যাদেশটির নতুন ধারার প্রয়োগ দেশের মানুষের স্বাধীন মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের অধিকারের ব্যাপকতাকে সীমিত করতে পারে। যা উদ্বেগজনক এবং সংবাদ প্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে শঙ্কা সৃষ্টি করবে। অপব্যবহারের সুযোগ থাকে, অধ্যাদেশে এমন একটি ধারার সংযোজন অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে কাম্য নয়। তাই ধারাটি পর্যালোচনার প্রয়োজন এবং ওই ধারা স্থগিত এবং পুনর্বিবেচনার দাবি প্রয়োজন।
আপনার মন্তব্য