সিলেটটুডে ডেস্ক

২৬ জুন, ২০১৬ ১৯:১১

মিতুকে গুলি করে ওয়াসিম, রেকিতে ছিল আনোয়ার: সিএমপি কমিশনার

এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতুকে মোটরসাইকেল থেকে গুলি করেছিল ওয়াসিম। আর ঐ এলাকা রেকি করে তার সহযোগী আনোয়ার।

রবিবার আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ওয়াসিম এ তথ্য দিয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম নগর পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাহার।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গতকাল রাতে ওয়াসিম ও মো. আনোয়ার নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ (রোববার) চট্টগ্রাম আদালতে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

রোববার বিকাল সোয়া ৩টার দিকে চট্টগ্রাম নগর পুলিশেরে কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, গ্রেপ্তার মোহাম্মদ ওয়াসিম ও আনোয়ারের বাড়ি রাঙ্গুনিয়ায়।

তিনি বলেম,  “তারা পেশাদার অপরাধী। ... তারা আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।”

মামলার বাদী বাবুল আক্তারকে শনিবার ঢাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ‘জিজ্ঞাসাবাদের’ বিষয়েও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সিএমপি কমিশনার।

পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল ঢাকায় যোগ দেওয়ার তিন দিনের মাথায় ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরীর ও আর নিজাম রোডের বাসার কাছে ছেলেকে স্কুল বাসে তুলে দিতে যাওয়ার সময় খুন হন তার স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতু।

বাকি কারা জড়িত সে বিষয়ে তদন্তকারীরা ‘মোটামুটি অবগত’ দাবি করে তিনি বলেন, “পুরোপুরি তদন্ত শেষ না করে এবং বাকি যারা জড়িত তাদেরকে পেলে তদন্ত করে জানাতে পারব।

“৬ থেকে ৭ জন এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত। বাকি যারা সবাইকে পেলে তদন্ত করে ঘটনার মোটিভ বলতে পারব। পূর্ণ তদন্ত শেষ হলে আমি পুরোপুরি বলতে পারব। অনুমাননির্ভর কোনো কথা বলব?”

তারা সংঘবদ্ধ চক্র মন্তব্য করে সিএমপি কমিশনার বলেন, “তাদের কাছ থেকে অনেক কিছু পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে সব বলব না। ঘটনাটি টার্গেট কিলিং নিশ্চিত। তবে কারা ঘটিয়েছে- সেটা নিশ্চিত না হয়ে বলতে পারব না।”

ঘটনায় জড়িত সন্দেহে মোট ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে- এমন সংবাদ গণমাধ্যমে আসার ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, “অনেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সেটাকে আমি আটক বা গ্রেপ্তার বলব না।”

মামলার বাদী বাবুল আক্তারকে বাসা থেকে নিয়ে গিয়ে ‘জিজ্ঞাসাবাদের’ বিষয়ে এক প্রশ্নে তিনি বলেন, “বাদীকে জিজ্ঞাসাবাদ আমি বলব না। তার সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।”

বাদিকে নজরদারিতে রাখা হয়েছে কি না- এমন প্রশ্নে পাল্টা প্রশ্ন করে সিএমপি কমিশনার বলেন, “বাদীকে নজরদারি কেন করা হবে?

“সেক্ষেত্রে তদন্তে যদি কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়, সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আছে।”

আপনার মন্তব্য

আলোচিত