০৭ এপ্রিল, ২০১৫ ১৬:৩১
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতা কামারুজ্জামানের আপীল পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজের আদেশের কপিতে আজও স্বাক্ষর করতে পারেননি ৪ বিচারপতি। সেকারনে রায়ের কপি কারা কর্তৃপক্ষের কাছে না পৌঁছানোয় আজও এই যুদ্ধাপরাধী নেতার রায় কার্যকর সম্ভব হচ্ছে না বলে জানা গেছে।
উচ্চ আদালত সূত্রে জানা গেছে, এমনিতে রিভিউ খারিজের আদেশ সংক্ষিপ্ত আকারে প্রকাশের রীতি থাকলেও এক্ষেত্রে ঘটছে ব্যতিক্রম। বিচারপতিরা তাঁদের পূর্নাঙ্গ আদেশ প্রকাশ করবেন। সেজন্য বিচারপতি সৈয়দ শামসুদ্দিন আহমদকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি এখনও আদেশের পূর্ন বিবরন লেখা শেষ করেননি। তিনি লেখা শেষ করার পর সেই কপি পড়ে স্বাক্ষর করবেন অন্য বিচারকগণ। কিংবা তারা আলাদাভাবেও তাঁদের মত দিতে পারেন।
সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগের অফিস সময়সূচি শেষ হয় বিকাল ৪টায়। সেক্ষেত্রে মঙ্গলবার ৪টা পার হবার পরও এই কাজগুলো শেষ হবার কোন আভাস না পাওয়ায় ধরেই নেয়া যায় আজও স্বাক্ষর সহ প্রকাশ হচ্ছে না খারিজের আদেশ।
তবে অফিস সময়সূচির বাইরে এই কাজগুলো করার কোন নিয়ম আছে কিনা তা এখনও জানা যায়নি।
প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ সোমবার সকাল ৯টায় কামারুজ্জামানের রিভিউ আবেদন খারিজ করেন পর দণ্ড কার্যকর নিয়ে আলোচনা শুরু হয়, কারাগারে নেওয়া হয় প্রস্তুতি।
একাত্তরে আল বদর বাহিনীর ময়মনসিংহ জেলা শাখার প্রধান কামারুজ্জামানকে ২০১৩ সালের ৯ মে মৃত্যুদণ্ড দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ওই রায়ের বিরুদ্ধে তিনি আপিল করলে ২০১৪ সালের ৩ নভেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ফাঁসি বহাল চূড়ান্ত রায় দেয়। সেই চূড়ান্ত রায়ে রিভিউ আবেদন করেও গত সোমবার খারিজ হন কামারুজ্জমান।
এর সাড়ে তিন মাস পর গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আপিলের রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ হয়। তখনই মৃত্যু পরোয়ানা জারি করে কামারুজ্জামানকে তা পড়ে শোনানো হয়।
আপনার মন্তব্য