১৮ এপ্রিল, ২০১৫ ০২:২১
পোলিং অফিসারের দায়িত্বে মালি, সুইপার, আয়া, ঝাড়ুদার পদবীর ১১ জনকে দায়িত্ব দেওয়ার পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা এবং সংশ্লিষ্টদের আবেদনের প্রেক্ষিতে তাদের দায়িত্ব থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, মিরপুরের হযরত শাহ আলী মহিলা কলেজ কর্তৃপক্ষ সে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের পাশাপাশি চতুর্থ শ্রেণির এসব কর্মচারিদের নাম পাঠিয়েছিল এবং ঢাকা উত্তরের রিটার্নিং কর্মকর্তা কোন ধরণের পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই তাদেরকে পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন।
এ প্রসঙ্গে ঢাকা উত্তরের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহ আলম বলেন, “সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান সম্ভাব্য ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তালিকা পাঠায়। আমরা সিডি থেকে কপি করে পেস্ট করি দেই। সে হিসেবে কপিটা চলে গেছে। আমি যখনই জেনেছি সঙ্গে সঙ্গে বাতিল করে দিয়েছি। তাদের পরিবর্তে নতুন করে শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছি।
কলেজ অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন বলছেন, কমিশন তাদের কাছে তালিকা চেয়েছে, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদবী চায়নি। ভুলক্রমে শিক্ষকদের পাশাপাশি অফিস সহকারীদেরও দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। এটা ইচ্ছাকৃতভাবে করা হয়নি।
আগামী ২৮ এপ্রিল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে দায়িত্ব পালনের জন্য নির্বাচন কমিশনের করা পোলিং অফিসারদের তালিকায় মিরপুরের হযরত শাহ আলী মহিলা কলেজের শিক্ষকদের সঙ্গে ওই ১১ জনকে রাখা হয়েছিল।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ওই ১১ জনকেও মিরপুরের পাইকপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। চাকরি জীবনে কোনদিন নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করেনি তারা।
কিন্তু দায়িত্ব পালনের চিঠি পাওয়ার পর কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়ে তারা। অবশেষে নিজেদের শুধু ‘অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন’ দাবি করে রিটার্নিং অফিসারের নিকট দায়িত্ব থেকে অব্যহতির আবেদন করে তারা।
আবেদনে নিজেদের দারোয়ান, নৈশপ্রহরী, মালী, সুইপার, আয়া, পিয়ন ও ঝাড়ুদার পরিচয় দিয়ে পোলিং অফিসারের দায়িত্ব থেকে রেহাই চাওয়া হয়।
সাধারণত দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীদের পোলিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের এ পর্যন্ত কোন নির্বাচনে দায়িত্ব দেয়া হয়নি।
আপনার মন্তব্য