২২ এপ্রিল, ২০১৫ ১৩:৩৮
সাভারের আশুলিয়া কাঠগড়া বাজারস্থ বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকে ডাকাতদের গুলিতে ব্রাঞ্চ ইনচার্জসহ ৭জনের প্রাণহানির ঘটনা নতুন মোড় নিতে শুরু করেছে। সে ঘটনা কী ডাকাতির চেষ্টা নাকি নাশকতা এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
হত্যাকাণ্ড ও ডাকাতির ঘটনায় আটক বোরহানের বাসা থেকে জামায়াত শিবিরের লিফলেট ও জিহাদি বই উদ্ধার করেছে পুলিশ। ডাকাতির ঘটনায় ১২ জনের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও হত্যা মামলা করেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। খবর সূত্র: চ্যানেল আই অনলাইন।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) বিকেলে ব্যাংক ডাকাতির সময় ডাকাতদের গুলিতে ব্রাঞ্চ ইনচার্জসহ ৭ জন নিহত হন।
ঘটনার পর গোয়েন্দা পুলিশ সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ নিয়ে গেছে এবং তাতে দেখা গেছে, তিনজন ব্যাংকটিতে ঢুকেই গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। এ কারণে হত্যাকাণ্ডই মূল টার্গেট ছিলো বলে গোয়েন্দারা মনে করছেন।
গোয়েন্দা পুলিশের সহকারি কমিশনার ওবায়দুল হক বলেন, আপাত: দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে অস্ত্রধারীরা হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্যেই ব্যাংকে এসেছিলো। তবে শুরুতে ডাকাতির ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করে তারা তদন্ত শুরু করেছেন।
এ ঘটনায় ৭ নিহতের পাশাপাশি আহত হন ১৪ জন। আহত হয় আরেক ডাকাত বোরহান। ধরা পড়া ডাকাতদের কাছ থেকে প্রায় ৭ লাখ টাকা পাওয়া যায়। ব্যাংক থেকে ওই পরিমাণ টাকাই লুট হয়েছিলো বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়।
ব্যাংক শাখাটির ভেতরেও অবিস্ফোরিত বোমা পাওয়া যায়। পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক জানান, নাশকতা ঘটানোর উদ্দেশ্যেই এই ডাকাতি বলে প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে।
একসময়ের রাষ্ট্রীয় মালিকানার বাংলাদেশ কমার্স বাংক এখন বেসরকারি মালিকানায় থাকলেও সরকারের কিছু শেয়ার এখনও আছে।
আপনার মন্তব্য