নিউজ ডেস্ক

২৮ এপ্রিল, ২০১৫ ০২:৫১

সিটি নির্বাচনে দৃষ্টি রাখছে বিদেশি দূতাবাসগুলো

নির্দলীয় নির্বাচন হলেও ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আছে দলীয় আমেজ। বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করায় আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়েছে এ নির্বাচন। কারণ সর্বশেষ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি জোট নির্বাচন বর্জন করেছিল।

নির্বাচন বর্জনের পর তারা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে। এবং জানুয়ারি থেকে টানা তিন মাস হরতাল-অবরোধ চালিয়ে যায়। আন্দোলনের নামে এ হরতাল-অবরোধে প্রায় ১৬০জন লোককে পুড়িয়ে মারা হয়।

সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সুবিধা করতে না পেরে সিটি কর্পোরেশনগুলোর নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা অংশগ্রহণ করে। খোদ দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ঢাকার দুই সিটিতে বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনি প্রচারণা চালান।

ফলে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠা এ নির্বাচন অনানুষ্ঠানিকভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বিদেশি দূতাবাসগুলো। জানা যায়, বিদেশি মিশনের কর্মকর্তারা বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরবেন ও নির্বাচনী প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবেন। তারা ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের পরিবেশ, ভোটার ও প্রার্থীদের অবস্থাসহ সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজ-খবর ও তথ্য সংগ্রহ করবেন।

তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ হবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা স্টিফেন্স ব্লুম বার্নিকাট সোমবার (২৭ এপ্রিল) এক টুইটার বার্তায় বলেন, একটি মজবুত গণতন্ত্রে স্বচ্ছ, অবাধ ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন হচ্ছে মূলভিত্তি। তিনটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন এই চেতনার লক্ষ্যে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট গিবসন অপর একই টুইটার বার্তায় আশা প্রকাশ করেন, ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সংঘাত মুক্ত ও বিনা বাধায় অনুষ্ঠিত হবে। জনগণের গণতান্ত্রিক চর্চার সুযোগ হবে এই নির্বাচনে।

বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী রবার্ট ওয়াটকিনস রবিবার (২৬ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে শান্তিপূর্ণ ও স্বচ্ছ সিটি নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইতিপূর্বে ভোটারদের গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার সুযোগ প্রদান ও সংঘাতমুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানে ভূমিকা রাখতে রাজনীতিবিদদের প্রতি আহ্বান জানান।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত