০৬ মে, ২০১৫ ২৩:৫৪
কোটা না থাকায় ৩০ হাজার জন হজযাত্রী নিবন্ধন করতে পারেননি। ফলে এছরের জন্য এসব হজ্বযাত্রীর ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এদিকে, নিবন্ধনের বাইরে থাকা এ সকল হজযাত্রীদের কিভাবে পাঠানো যায় তা নিয়ে সৌদি আরবের সঙ্গে দেন-দরবার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংসদীয় কমিটি।
এ নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সৌদি সরকারের সাথে যোগাযোগ করা হলেও কোন ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যায়নি। এদিকে এসব হজ্বযাত্রীকে হ্জ্ব পালনের সুযোগ দানের দাবিতে রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতীকি অনশন কর্মসূচি পালন করেছে।
বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ধর্ম মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কমিটির সভাপতি বজলুল হক হারুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে ধর্ম মন্ত্রী অধ্যক্ষ মতিউর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে কমিটির সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লা, সাধন চন্দ্র মজুমদার, এ কে এম.এ আউয়াল (সাইদুর রহমান), আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামউদ্দিন, সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, মোঃ মকবুল হোসেন, মোহাম্মদ আমীর হোসেন ও দিলারা বেগম এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র জানায়, বাংলাদেশের কোটা অনুযায়ী এবার এক লাখ এক হাজার ৭৫৮ জন হজ পালনে সৌদি আরব যেতে পারবেন। তবে ইতিমধ্যে এক লাখ ১১ হাজার ১২ জন হজে যাওয়ার জন্য ব্যাংকে টাকা জমা দিয়েছেন। অর্থাৎ টাকা জমা দিলেও অতিরিক্ত ৯ হাজার ২৫৪ জন হজে যেতে পারবেন না। এছাড়া ২০ হাজার জন হজে যাওয়ার জন্য বেসরকারি এজেন্সিগুলোর কাছে আবেদন করেছে। ফলে প্রায় ৩০ হাজার জনের হজযাত্রা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।
বৈঠক শেষে কমিটির সদস্য সৈয়দ নজিবুল নশর মাইজভান্ডারী সাংবাদিকদের জানান, অপেক্ষামান হজযাত্রীদের কিভাবে হজে পাঠানো যায়, সে বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে কার্যকর উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে। এ সমস্যা সমাধানে কমিটির সভাপতি বজলুল হক হারুনকে সৌদি সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছর আগামী ১৬ অগাস্ট থেকে হজ ফ্লাইট শুরু হবে। চলবে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। আর ফিরতি ফ্লাইট আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে।
আপনার মন্তব্য