১২ মে, ২০১৫ ০০:২৪
সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুস সামাদ চৌধুরী কয়েস কর্তৃক বরেণ্য শিক্ষাবিদ এবং শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবালের বিরুদ্ধে বিষোদগারের নিন্দা জানিয়েছেন বিশিষ্ট নাগরিকরা।
শনিবার এক অনুষ্ঠানে সিলেট-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদ সামাদ চৌধুরী কয়েস জাফর ইকবালকে ‘সিলেট বিদ্বেষী’ আখ্যায়িত করে এমপি কয়েস বলেন- তার ক্ষমতা থাকলে জাফর ইকবালকে কোর্ট পয়েন্টে ধরে এনে চাবুক মারতেন।
এ ধরনের বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে বিবৃতিতে ১৬ বিশিষ্ট নাগরিক বলেন, “দেশের একজন কৃতিসন্তানকে নিয়ে এমন দম্ভোক্তি একজন জনপ্রতিনিধির শুধু ধৃষ্টতাকেই প্রকাশ করে না বরং তার সহিংস ও অগণতান্ত্রিক আচরণের নমুনা হাজির করে।”
সাংসদ মাহমুদ সামাদ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য।
বিবৃতিদাতাদের মধ্যে রয়েছেন, হাসান আজিজুল হক, ডা. সারওয়ার আলী, সুলতানা কামাল, সুপ্রিয় চক্রবর্তী, মেঘনা গুহ ঠাকুরতা, সোহরাব উদ্দীন, হাবিবুর রহমান চৌধুরী, ফারহানা ইয়াসমীন লিজা, লাইসা আহমদ লিসা, রিয়াসাত করীম, মো. আমিনুর রহমান, সুহৃদ শহীদুল্লাহ, সাগর নীল খান দীপ, আদিল এ হোসেন, মাসুদ হাসান চৌধুরী, জাহাঙ্গীর আলম খান।
কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই জাফর ইকবালের নামে জঘন্য বিষোদগার করা হয়েছে দাবি করে তারা বলেন, “শহীদ-সন্তান মুহাম্মদ জাফর ইকবালকে তথাকথিত সিলেট-বিদ্বেষী তকমা দিয়ে তিনি (সাংসদ) তার বিরুদ্ধে স্থানীয় জনরোষ তৈরিরও হীন প্রচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছেন। এমতাবস্থায় আমরা আমাদের প্রিয় শিক্ষক ও লেখকের নিরাপত্তা নিয়েও শঙ্কিত।”
জনপ্রতিনিধির কাছ থেকে সবাই দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করে বলেও জানান তারা। জাফর ইকবালের বিরুদ্ধে দেওয়া অসম্মানসূচক বক্তব্য প্রত্যাহার এবং শর্তহীন ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয় বিবৃতিতে।
আপনার মন্তব্য