০৬ জুন, ২০১৫ ২৩:০৪
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে যৌথ বিবৃতিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি অনুমোদন করেছি। তিস্তা ও ফেনী নদীর পানিবণ্টন সমস্যারও সুন্দর সমাধান হবে।
স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে দু'দেশের সীমান্তে নিরাপত্তা বেড়েছে- একথা উল্লেখ করে নরেন্দ্র মোদী বলেন, ভারতের জনগণ অতীতেও বাংলাদেশের পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের উন্নয়ন একই সূত্রে গাঁথা। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অত্যন্ত নিবিড়। দু'দেশের ঐতিহ্য, ভাষা ও সংস্কৃতিতেও মিল রয়েছে বলে উল্লেখ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী।
তার এই সফরকে একটি 'ঐতিহাসিক মুহূর্ত' আখ্যায়িত করে মোদী বলেন, 'বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর দীর্ঘদিনেও যে সমস্যা জিইয়ে ছিল সেই স্থল সীমান্ত চুক্তি সমস্যার আমরা সমাধান করেছি। এছাড়া বাংলাদেশের সঙ্গে আরও যেসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই তা হলো তার মাধ্যমে দু'দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজতর হবে।'
সংবাদ সম্মেলনে মোদী বাংলাদেশের উন্নয়নে ২০০ কোটি ডলার অনুদানের ঘোষণা দেন।
এর আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিকেলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ে তাঁর সঙ্গে একান্ত বৈঠক করেন। দু'দিনের সফরে শনিবার (৬ জুন) প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে আসেন মোদী। শনিবার সকালে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিশেষ বিমান ঢাকায় আসেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে লাল গালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।
পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর বেলা ১২টার দিকে তিনি রাজধানীর ধানমণ্ডতি বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শনে যান।
জাদুঘর পরিদর্শন শেষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে নরেন্দ্র মোদী যৌথভাবে কলকাতা-ঢাকা-আগরতলা ও ঢাকা-শিলং-গোয়াহাটি বাস সার্ভিস উদ্বোধন করেন।
আপনার মন্তব্য