১৭ জুন, ২০১৫ ০৮:৪৫
রাজধানীতে ঢিলেঢালাভাবে চলছে জামায়াতের ডাকা দেশব্যাপী ২৪ ঘণ্টার হরতাল। নিত্যদিনের মতোই সকাল থেকে রাস্তার মোড়ে মোড়ে স্কুল ও অফিসগামী মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
অন্যদিকে, হরতালে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সড়কগুলোর বিভিন্ন মোড়ে পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়।
বুধবার (১৭ জুন) সকাল থেকে রাজধানীর জুরাইন, দোলাইপাড়, যাত্রাবাড়ি, সায়দাবাদ, কমলাপুর, খিলগাঁও, মালিবাগ, রামপুরা এলাকা সরেজমিনে ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
যাত্রবাড়ি এলাকার রিক্সাচালক মোহাম্মদ সোলায়মান খাদেম হরতাল প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে বলেন, গ্যারেজ থেইক্যা ভোরে গাড়ি নিয়া বাইর হইছি। দুইটা খ্যাপও মারলাম, একটা কমলাপুর, আবার কমমলাপুর থেইক্যা যাত্রাবাড়ি যাত্রী নিয়া আইলাম। না, কোনোখানে কোনো গ্যাঞ্জাম দেহি নাই।
রামপুরা এলাকায় কথা হলো বেসরকারি অফিসের কর্মকর্তা পলাশ মন্ডলের সঙ্গে।
হরতালের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, কই, কোথাও তো কোনো ঝামেলা দেখলাম না। পোস্তগোলা থেকে রামপুরা পর্যন্ত এলাম, কোথাও কোনো ঝামেলা চোখে পড়েনি। তবে রাস্তার মোড়ে মোড়ে অনেক পুলিশ টহল দিচ্ছে। এতে বুঝলাম, আজ হরতাল।
হরতালের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে যাত্রবাড়ি থানার ডিউটি অফিসার (এসআই) মোহাম্মদ আনোয়ার বলেন, পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে। এখন পর্যন্ত (সকাল ৮টা) কোথাও কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। আশা করছি, ঘটবেও না। পুলিশ জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে সর্ব্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
রামপুরা থানার ডিউটি অফিসার (এসআই) হুমায়ুন কবির বলেন, সকাল থেকে এখন পর্যন্ত (সকাল ৮টা) হরতাল সমর্থনে কোনো মিছিল বা কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। সবকিছু স্বাভাবিক রয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ডাদেশ আপিল বিভাগ বহাল রাখার প্রতিবাদে বুধবার দেশব্যাপী ২৪ ঘণ্টার হরতাল কর্মসূচি ঘোষণা করে দলটি।
আপনার মন্তব্য