২৩ জুলাই, ২০১৫ ১৭:৪৫
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেন তার সঙ্গে জনগণের কোন রকম দূরত্বের সৃষ্টি না করে, এজন্য স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সকে (এসএসএফ) সব সময় সজাগ থাকতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে এসএসএফ-এর ২৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ বাহিনীর সদস্যদের এক দরবারে ভাষণ দেয়ার সময় শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। খবর বাসসের।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকারের প্রতিটি কার্যক্রম জনকল্যাণে প্রণীত ও বাস্তবায়িত হয়। এজন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জনসম্পৃক্ততা বজায় রেখে দায়িত্ব ও জনপ্রত্যাশার মাঝে সমন্বয়ের মাধ্যমে দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সার্থকতার স্বাক্ষর রাখতে হবে।'
এসএসএফ বাহিনীর সদস্যরা রাষ্ট্র প্রধান, সরকার প্রধান ও সরকার ঘোষিত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেন।
প্রধানমন্ত্রী এসএসএফ সদস্যের উদ্দেশে বলেন, তিনি তার কাজের প্রতিটি দিন, ঘণ্টা ও মুহূর্তকে দেশের উন্নয়ন, জনগণের কল্যাণ ও দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার করার চেষ্টা করছেন। এজন্য তার সঙ্গে দায়িত্ব পালনকারী প্রত্যেককে কাজের বাড়তি চাপ নেয়া প্রয়োজন।
শেখ হাসিনা আরো বলেন, 'আমার সঙ্গে দায়িত্ব পালনকারী প্রত্যেকের বাড়তি চাপ ও পরিশ্রম তখনই সার্থক হবে যখন আমাদের প্রয়াসের ফলশ্রুতিতে একটি সমৃদ্ধ দেশ গড়ে উঠবে। দেশ অর্থনৈতিকভাবে উন্নত হওয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীও এর সুফল পাবে।'
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, সুযোগ্য নেতৃত্ব, সঠিক দিকনির্দেশনা এবং এ বাহিনীর প্রত্যেক সদস্যের নিষ্ঠা, শ্রম ও আন্তরিকতার মাধ্যমে এসএসএফ-এর উত্তরোত্তর উন্নতি অব্যাহত থাকবে।
এসএসএফ মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মোহাম্মাদ আমান হাসান অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, তিন বাহিনীর প্রধান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও), আইজিপি, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও এসএসএফ-এর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।
শেখ হাসিনা এসএসএফ সদস্যদের আনুগত্য, পেশাদারিত্ব ও দক্ষতার প্রশংসা করে আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতেও এই বাহিনীর সদস্যরা নির্ভরতার সাথে তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে।
আপনার মন্তব্য