সিলেটটুডে ডেস্ক

০৭ মার্চ, ২০১৯ ১৮:০৬

গণফোরাম থেকে বহিষ্কার সুলতান মনসুর

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করার অভিযোগে গণফোরাম থেকে সুলতান মনসুরকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য পদ থেকেও তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ মার্চ) বিকালে গণফোরামের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই বহিষ্কারাদেশ কথা জানান গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফা মোহসীন মন্টু।

বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টার দিকে ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে এই বিষয়ে একটি বৈঠক হয়। সেখানে ড. কামাল হোসেনের পাশাপাশি ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মোস্তাফা মোহসীন মন্টু নিজে ও গণফোরাম থেকে নির্বাচিত অপর সাংসদ মোকাব্বির খান উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকেই সুলতান মনসুরকে বহিষ্কারের এই সিদ্ধান্ত হয় বলে জানান মোস্তাফা মোহসীন মন্টু।

সংবাদ সম্মেলনেমোস্তাফা মোহসীন মন্টু বলেন, ‘সুলতান মনসুর গণফোরামের সদস্য হওয়ার আবেদন পত্রে দলের গঠনতন্ত্র, কর্মসূচি, নিয়মকানুন, আদেশ-নির্দেশ মেনে চলার অঙ্গীকার করেছিলেন। তিনি আজ দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে প্রহসনের নির্বাচনের জাতীয় সংসদে সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি গণফোরামের গণমুখী আদর্শের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। তিনি শপথ নেওয়ায় দল, জনগণ এবং ঐক্যফ্রন্ট মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ। আমরা তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করছি। একই সঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য পদ হতে অব্যাহতি দিচ্ছি।’

এক প্রশ্নের জবাবে মন্টু বলেন, ‘আজ বেলা দেড়টার দিকে ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে এই বিষয়ে একটি বৈঠক হয়। সেখানে ড. কামাল হোসেনের পাশাপাশি ঐক্যফ্রন্টের মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মোস্তাফা মোহসীন মন্টু নিজে ও গণফোরাম থেকে নির্বাচিত অপর সাংসদ মোকাব্বির খান উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকেই সুলতান মনসুরকে বহিষ্কারের এই সিদ্ধান্ত হয়।’

প্রসঙ্গত, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্টের আটজন প্রার্থী নির্বাচিত হন। এর মধ্যে দুজন গণফোরামের সদস্য। কিন্তু এই নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ এনে শপথ নেওয়া থেকে বিরত থাকেন ঐক্যফ্রন্টের সদস্যরা। এর মধ্যে গত মাসের শেষ দিকে সুলতান মনসুর ও মোকাব্বির খান ৭ মার্চ (আজ) শপথের নেওয়ার ঘোষণা দেন। তবে আজ মনসুর শপথ নিলেও শপথ নেওয়া থেকে বিরত থাকেন মোকাব্বির খান।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত