২১ ডিসেম্বর, ২০১৭ ২০:০৩
বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস-ইমিগ্রেশন ভবনে কাস্টমস ও পুলিশ সদস্যদের মধ্যে হাতাহাতি ও ভবন ভাঙচুরের ঘটনায় মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভাসহ কালো ব্যাচ ধারণ করেছে কাস্টমস সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ১১ টার সময় একটি র্যালি বেনাপোল কাস্টমস হাউজ থেকে যাত্রা শুরু করে বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস-ইমিগ্রেশন ভবন প্রদক্ষিণ করে বেনাপোল কাস্টমস হাউজের সামনে এসে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করে।
বেনাপোল কাস্টমস অফিসার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাঙ্গালী বলেন, বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট কাস্টমস তল্লাশি কেন্দ্রে বুধবার ভারত থেকে আসা ২ জন পাসপোর্ট যাত্রীর লাগেজ তল্লাশিকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের মধ্যে মারামারি ও ভাংচুরের ঘটনায় ৫ কাস্টমস কর্মকর্তা আহত হয়। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ হামলার সুষ্ঠু বিচার না হলে দেশজুড়ে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি।
এ সময় উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন, বেনাপোল কাস্টমস অফিসার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আল মামুনসহ বেনাপোল কাস্টমস হাউজের কর্মকর্তা-কর্মচারী বৃন্দ।
কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন পুলিশের মধ্যে সংঘর্ষের এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুর ১টায় বেনাপোল চেকপোস্ট আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন-কাস্টমস ভবন পরিদর্শন করেছেন বেনাপোল কাস্টমস হাউজের কমিশনার মোহাম্মদ বেলাল চৌধুরী, জেলা পুলিশের নাভারণ সার্কেলের এএসপি এমরান হোসেনসহ পুলিশ ও কাস্টমসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এদিকে কাস্টমস-পুলিশের গণ্ডগোলের কারণে বেনাপোল চেকপোস্টে পাসপোর্টযাত্রীদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। দীর্ঘ ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে তাদের পাসপোর্টের আনুষ্ঠিকতা শেষ করতে হচ্ছে। পোহাতে হচ্ছে চরম ভোগান্তি।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর শরীফ জানান, কাস্টমস সদস্যরা পুলিশের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনছেন তা সত্য নয়। সামান্য ভুল বোঝাবুঝি। যাত্রীরা যাতে কোনো হয়রানির শিকার না হয় সে জন্য সবাইকে দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আর গতকালের ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনা মীমাংসা করে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কাজ করে যাচ্ছেন। অবিলম্বে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।
আপনার মন্তব্য