স্পোর্টস ডেস্ক

২৯ নভেম্বর, ২০২২ ১৩:০৬

ব্রুনোর জোড়া গোলে উরুগুয়েকে হারিয়ে শেষ ষোলোতে পর্তুগাল

গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচ শেষে ফ্রান্স ও ব্রাজিলের মতো শেষ ষোলোয় পৌঁছেছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল।

সোমবার রাতে লুসাইল স্টেডিয়ামে ‘এইচ’ গ্রুপের ম্যাচে উরুগুয়ের বিপক্ষে ২-০ গোলে জিতেছে পর্তুগাল। ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ।

২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের শীর্ষে পর্তুগাল। দুইয়ে ঘানার পয়েন্ট ৩। উরুগুয়ে ও দক্ষিণ কোরিয়ার পয়েন্ট ১ করে; তবে গোল ব্যবধানে পিছিয়ে তলানিতে লাতিন আমেরিকার দলটি।

আক্রমণাত্মক ফুটবলে ম্যাচের শুরু থেকে চাপ বাড়ায় পর্তুগাল। বল দখলেও একচেটিয়া আধিপত্য ধরে রেখে বারবার আক্রমণ শাণাতে থাকে তারা।

পাল্টা আক্রমণে ৩২তম মিনিটে ডিফেন্ডারদের ফাঁকি দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন উরুগুয়ের রদ্রিগো বেন্তানকুর। কিন্তু ওয়ান-অন-ওয়ানে গোলরক্ষক বরাবর শট নেন টটেনহ্যাম হটস্পারের এই মিডফিল্ডার।

বিরতির আগে গোলের উদ্দেশ্যে পর্তুগাল আটটি ও উরুগুয়ে চারটি শট নেয়, তার মধ্যে কেবল বেন্তানকুরের ওই চেষ্টাই লক্ষ্যে ছিল।

আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠা লড়াইয়ে ৪০তম মিনিটে বড় ধাক্কা খায় পর্তুগাল। চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন নুনো মেন্দেস। দ্বিতীয়ার্ধের ষষ্ঠ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত পর্তুগাল। কিন্তু দ্রুত গতিতে বাঁ দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে জোয়াও ফেলিক্সের নেওয়া শট পোস্ট ঘেঁষে পাশের জালে লাগে।

এর তিন মিনিট পরই এগিয়ে যায় তারা। বাঁ দিক থেকে ব্রুনো ফার্নান্দেজের দারুণ এক ক্রসে বল কিছুটা বাঁক খেয়ে সরাসরি জালে জড়ায়। বল হাওয়ায় থাকা অবস্থায় হেড করতে লাফিয়ে উঠেছিলেন রোনালদো। বল তার মাথা ছুঁয়ে গেছে কি-না, তৈরি হয় ধোঁয়াশা। ফিফা প্রথমে গোলদাতা হিসেবে পর্তুগাল অধিনায়কের নাম জানালেও পরে সিদ্ধান্ত পাল্টায়, গোলদাতা ফার্নান্দেজ।

৭২তম মিনিটে একসঙ্গে জোড়া পরিবর্তন করেন উরুগুয়ে কোচ; দারউইন নুনেস ও এদিনসন কাভানিকে তুলে মাক্সিমিলিয়ানো গোমেস ও লুইস সুয়ারেসকে নামান। মাঠে নামার ২ মিনিট ২৮ সেকেন্ড পরই গোল পেতে পারতেন গোমেস। কিন্তু তার বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শট গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে পোস্টে বাধা পায়। খানিক পর আরেক বদলি সুয়ারেসও ভীতি ছড়ান, কিন্তু তার কাছ থেকে নেওয়া শট পাশের জাল কাঁপায়।

যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে সফল স্পট কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ফার্নান্দেজ। ডি-বক্সে ডিফেন্ডার হোসে হিমেনেসের হাতে বল লাগলে ভিএআরের সাহায্যে পেনাল্টি দেন রেফারি।

শেষ দিকে বরং হ্যাটট্রিক পূরণের দারুণ দুটি সুযোগ পান ফার্নান্দেজ। প্রথম দফায় তার কোনাকুনি শট গোলরক্ষকের পায়ে বাধা পায়। পরক্ষণে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শট ভাগ্যের ফেরে লাগে পোস্টে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত