০৫ মার্চ, ২০১৫ ২২:২৩
এই পর্যন্ত ৩ বার ৩০০ এর অধিক রানের টার্গেট তাড়া করে জয় পেয়েছে টাইগাররা।
প্রথম ম্যাচটি ছিল ২০০৯ এ বাংলাদেশ বনাম জিম্বাবুয়ে। সিরিজের চতুর্থ ম্যাচে কোভেন্ট্রির ১৯১ বলে ১৯৪ রানের ঝড়ো ইনিংসের উপর ভর করে ৩১২ রানের টার্গেট দেয় বাংলাদেশকে। সেই ম্যাচে মাহবুবুল আলম এবং এনামুল হক জুনিয়র নেন ২ টি করে উইকেট। জবাবে ব্যাটিং এ নেমে নিজের ক্যারিয়ার সেরা ব্যাটিং করেন তিনি। তিনি ১৯১ বল খেলে করেন ১৫৪ রান। ১৩ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয় টাইগাররা। সেই সিরিজ ৩-১ এ জিতে নেয় বাংলাদেশ। ম্যাচ সেরা হন যৌথভাবে তামিম ইকবাল এবং কোভেন্ট্রি।
দ্বিতীয় বার ৩০৭ রান তাড়া করে ৪ উইকেটে জয় পায় বাংলাদেশ। এবার স্থান ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলি স্টেডিয়াম, প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। শুরুতেই বাংলাদেশি বোলারদের উপর চরাও হয় ডেভসিচ ও লেথাম তারা যথাক্রমে ৪৬ এবং ৪৩ রান করেন, রস টেইলরের ১৪৯ বলে ১০৭ এবং মুনরো ৯৫ বলে ৮৫ এর উপর ভর করে ৩০৭ রানের পাহাড় গড়ে।
ব্যাটিং এ নেমে বাংলাদেশকে কাঙ্ক্ষিত সূচনা এনে দেয় সামসুর রহমান, তিনি ১৪৫ বলে ৯৬ রান করেন। এরপর নাঈম ইসলামের ৬৩ এবং নাসির হোসেনের ৪৪ রানের ইনিংসে জয় ছিনিয়ে আনে বাংলাদেশ। সিরিজ ৩-০ তে জয় পায় বাংলাদেশ। ম্যাচ সেরা হন সামসুর রহমান সিরিজ সেরা হন মুশফিকুর রহিম।
তৃতীয় এবং বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের বিশ্বকাপে সবচেয়ে বড় রান টপকে জয় পাওয়ার ঘটনা ঘটে ৫ মার্চ বৃহস্পতিবার । সেক্সটন ওভালে, প্রতিপক্ষ স্কটল্যান্ড। প্রথমে ব্যাটিং এ নেমে স্কটিশ ওপেনার কোয়েটযারের ১৯৮ বলে ১৫৬ রান যা কোন স্কটিশ ব্যাটসম্যানদের মধ্যে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান। বাকি ব্যাটসম্যানদের সহায়তায় তারা ৩১৮ রান করে। তাসকিন আহমেদ নেন ৩ উইকেট।
বাংলাদেশ ইনিংসে শুরুতে সৌম্য সরকারের ২ রানে বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন তামিম ইকবাল এবং মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। মুশফিকুর রহিম, সাকিব আল হাসান, সাব্বির রহমানের অসাধারণ ব্যাটিং এ ৬ উইকেটে জয় পায় বাংলাদেশ।
আপনার মন্তব্য