০৭ মার্চ, ২০১৫ ১২:০৯
দু’দফা বৃষ্টি পেরিয়ে ৪৬.৪ ওভারে ২২২ রানেই থেমে গেলো পাকিস্তানের ইনিংস। জিততে হলে ৪৭ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকাকে করতে হবে ২২৩ রান।
২২ রান নিয়ে ক্রিজ ছাড়লেন আফ্রিদি। আফ্রিদি বধের নায়ক ডেল স্টেইন। ওয়াহাব রিয়াজ এসেই ফিরে গেলেন প্রথম বলে এলবি হয়ে। সর্বশেষ প্রতিরোধ গড়ে উইকেটে দাঁড়িয়ে থাকা মিসবাহ-উল হকের প্রতিরোধও ভেঙে পড়লো স্টেইনের সামনে। ৫৬ রান করার পর স্টেইনের বলে মর্কেলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তিনিও।
মুষলধারে বৃষ্টি হলো প্রায় ১০ মিনিট। বৃষ্টি বন্ধ হতে না হতেই উপযোগি করে নেওয়া হলো মাঠ। আবারও শুরু পাকিস্তান দক্ষিণ আফ্রিকা ম্যাচ। এরপর খেলা হলো মাত্র ৩.১ ওভার। কিন্তু আবারও খেলা বন্ধ। আবারও বৃষ্টি। ২০ মিনিট পর আবারও খেলা শুরু। খেলা শুরুর সাথে সাথেই আফ্রিদির উইকেট হারালো পাকিস্তান।
শেষ পর্যন্ত ম্যাচটির ভাগ্য গড়ালো কার্টেল ওভারে। দু’দলের জন্যই নির্ধরাণ করা হলো ৪৭ ওভার করে। দু’জন মাত্র বোলার ১০ ওভার করে বল করতে পারবে। বাকিরা করবেন ৯ ওভার করে বল। আর মধ্যাহ্ন বিরতি দেওয়া হবে মাত্র ১০ মিনিটের।
তার আগে অকল্যান্ডের ইডেন পার্কে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ভালোই শুরু করেছে পাকিস্তান। অন্য যে কোন ম্যাচের চেয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আজ পাকিস্তানকে মনে হচ্ছে বেশ গোছালো এবং আত্মবিশ্বাসী একটি দল।
আহমেদ শেহজাদের সঙ্গে পাকিস্তানের ইনিংস ওপেন করতে নামেন সরফরাজ আহমেদ। দু’জনের আত্মবিশ্বাসী শুরট দেখেই মনে হচ্ছিল আজ দিনটা পাকিস্তানেরও হতে পারে। তবে নবম ওভারে কাইল অ্যাবটের বলে ডেল স্টেইনের অসাধারণ এক ক্যাচের শিকার হয়ে ফিরে যান ওপেনার আহমেদ শেহজাদ।
ওয়ানডাউনে ব্যাট করতে নামেন ইউনিস খান।
তবে তাকে এক পাশে রেখে অপর পাশে বেশ মারমুখী ভুমিকায় অবতীর্ণ হন সরফরাজ আহমেদ। ডুমিনিকে এক ওভারে পর পর দুবার ছক্কাসহ তিনবার ওভার বাউন্ডারি মেরে পাকিস্তানের রানের চাকা অসাধারণভাবে বাড়িয়ে তোলেন।
কিন্তু সুখের সময় বেশিক্ষণ টেনে না মনে হয়। এ কারণেই ১৭তম ওভারে এসে ফিল্ডারের হাতে বল রেখে দ্বিতীয় রান নিতে যান সরফরাজ। কিন্তু ডেভিড মিলার আর কুইন্টন ডি ককের চেষ্টায় শেষ পর্যন্ত রান আউট হয়েই ফিরে যান তিনি। ততক্ষণে তার নামের পাশে ৪৯ বলে ৪৯ রান। ৫টি বাউন্ডারি আর ৩টি ছক্কায় সাজানো তার ইনিংস।
দলীয় ১৩২ রানে ফিরে যান ইউনিস খানও। আউট হওয়ার আগে ৪৪ বলে খেলেন ৩৭ রানের এক ইনিংস। অকেশনাল বোলার ডি ভিলিয়ার্সের একটি ইনসুইঙ্গার রক্ষণাত্মক ভঙ্গিমায় খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন শট কভার অঞ্চলে। ক্যাচ ধরেন রিলে রুশো।
৩২তম ওভারের শেষ বলে আউট হন শোয়েব মাকসুদ কাইল অ্যাবটের বলে তিনি ক্যাচ তুলে দেন পয়েন্ট দাঁড়ানো রিলে রুশোর হাতে। ১৬ বলে ৮ রান করে ফেরেন তিনি।
৩৭তম ওভারের শেষ বলে মর্কেলের বলে মিডউইকেটে খেলেন উমর আকমল। তার জোরে মারা শটটি অসাধারণ দক্ষতায় তালুবন্দী করে নেন এবি ডি ভিলিয়ার্স।
আপনার মন্তব্য