০৫ অক্টোবর, ২০২০ ১৮:৪০
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় মা ও মেয়েকে গণধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে হবিগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সুলতান উদ্দিন প্রধানের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে তারা ঘটনার দায় স্বীকার করেছে।
জবানবন্দি রেকর্ড করার পর আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
স্বীকারোক্তি দেওয়া দুই আসামি হচ্ছে- চুনারুঘাট উপজেলার জিবধর ছড়া এলাকার সফিক মিয়ার ছেলে শাকিল মিয়া (২৫) ও একই এলাকার রেজ্জাক মিয়ার ছেলে হারুন মিয়া (১৯)।
গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) গভীর রাতে গণধর্ষণের এই ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনার সাথে জড়িত অন্যতম আসামি সালাউদ্দিন এখনো পলাতক আছে।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার ভোর রাতে একদল দুর্বৃত্ত চুনারুঘাট উপজেলার রানীগাঁও ইউনিয়ন এলাকার এক বাড়িতে হানা দেয়। এরপর তারা গৃহবধূ (৪৫) ও তার কন্যাকে (২৫) মুখে কাপড় বেঁধে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার পর ভিকটিম মেয়ে বাদী হয়ে শনিবার রাতে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার বিকেলে চুনারুঘাট থানা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থেকে এজাহারভুক্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করে। চুনারুঘাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) চম্পক দামের নেতৃত্বে গ্রেপ্তার অভিযানে নেতৃত্ব নেন থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) শেখ আলী আজহার ও উপ পরিদর্শক (এসআই) মুসলিম উদ্দিন প্রমুখ। সোমবার তাদের হবিগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সুলতান উদ্দিন প্রধানের আদালতে হাজির করা হলে তারা স্বীকারোক্তি দেয়।
চুনারুঘাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) চম্পক দাম বলেন, ‘সোমবার বেলা ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত ভিকটিম মা-মেয়ের জবানবন্দি গ্রহণ করেন বিচারক। এরপর ৩টা পর্যন্ত গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার শাকিল আহমেদ ও হারুন মিয়া তাদের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান আছে।’
হবিগঞ্জ আদালতের পুলিশ পরিদর্শক (ওসি) আল আমিন বলেন, ‘স্বীকারোক্তি শেষে গ্রেপ্তারকৃতদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’
আপনার মন্তব্য