১০ অক্টোবর, ২০২০ ১৫:৪৬
সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে ও ধর্ষণকারীদের বিচারের দাবি নিয়ে ঢাকা থেকে পায়ে হেঁটে সিলেট এসে পৌঁছেছেন দুই শিক্ষার্থী। সাত দিন পায়ে হেঁটে শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে এসে পৌঁছে তারা অংশ নিয়েছেন ধর্ষণ বিরোধী আন্দোলনে।
এর আগে আগে গত ৪ অক্টোবর (রোববার) বিকেলে এই দুই শিক্ষার্থী ঢাকা থেকে পায়ে হেঁটেই সিলেট অভিমুখে রওয়ানা হন। তারা হলেন, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আরিফ সোহেল। অপরজন হলেন ঢাকার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের ইংরেজি সাহিত্য বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র কাজী মেহেদী হাসান জয়।
বিজ্ঞাপন
তাদের সাথে কথা বলে জান যায়, গত ৪ অক্টোবর বিকেলে তারা ঢাকা থেকে রওনা হয়ে নরসিংদী, ভৈরববাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মাধবপুর, ওসমানী নগর হয়ে তারা সিলেট পৌঁছেছেন। এছাড়া পথে তারা গণ সংযোগ ও প্রতিবাদী আন্দোলনেও যোগ দিয়েছেন।
তাদের একজন আরিফ সোহেল সিলেটটুডে টোয়েন্টিফোরকে বলেন, সিলেটে যেদিন এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, সেদিন আমরা চিন্তা করি সিলেটে চলমান আন্দোলনে যোগ দিবো। তখন থেকেই আমরা সিলেটে আসার প্রস্তটি নিচ্ছিলাম। পরে চিন্তা করে দেখলাম গাড়িতে না গিয়ে পায়ে হেঁটেই সিলেট যাবো, যাতে কতে পথে পথে গন সংযোগও করা যাবে এবং গ্রাম-গঞ্জের মানুষদের সচেতনও করা যাবে।
বিজ্ঞাপন
তিনি আরও বলেন, আমরা ঢাকা থেকে সিলেট আসের পথে বেশকিছু এলাকায় গণসংযোগ করেছি। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও মাধবপুরে প্রতিবাদ সমাবেশে অংশগ্রহণ করেছি এবং সেখানে বক্তব্যও রেখেছি। এ সকল এলাকার সাধারণ মানুষদের কাছ থাকে আমরা ভালোবাসো, সমর্থন ও অনেক সহযোগিতা পেয়েছি।
এদিকে সিলেট পৌঁছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে সাধারণ নগরবাসী নামে একটি ব্যানারে হওয়া ধর্ষণ বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন এই দুই শিক্ষার্থী। বর্তমানে তারা সিলেট এমসি কলেজের সামনে ধর্ষণ বিরোধী আরও একটি আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন।
সিলেট এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনাসহ সারাদেশে চলমান ধর্ষণের দ্রুত বিচার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান আরিফ সোহেল।
আপনার মন্তব্য