নিজস্ব প্রতিবেদক

০৭ ফেব্রুয়ারি , ২০২১ ১৩:২৮

ভ্যাকসিন নেওয়ার পর যা বললেন সাংবাদিক আল আজাদ

গণটিকাদান কার্যক্রমের প্রথম দিনেই সিলেটে টিকা নিয়েছেন সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আল-আজাদ। রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) সিলেটে প্রথম ধাপের করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর তিনি তার শরীরে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেন।

এসময় তিনি বলেন, ভ্যাকসিন নিয়ে দেশে যারা কুৎসা রটিয়েছিলেন, গুজব সৃষ্টি করে তা রটিয়েছিলেন তা আজ ভুল প্রমাণিত হলো। একইভাবে করোনা ভ্যাকসিন প্রয়োগের দিক দিয়ে বাংলাদেশ মাত্র কয়েকটি দেশের মধ্যে এগিয়ে থাকায় আমরা অত্যন্ত খুশি।

শরীরে ভ্যাকসিন প্রয়োগের পর তিনি সুস্থ আছেন জানিয়ে বলেন, গণমাধ্যমকর্মীসহ সংবাদ সংশ্লিষ্টদের সাহস যোগাতেই আমি করোনার টিকা নিয়েছি। আমি টিকা নেয়ার পূর্বে যেমন ছিলাম, ভ্যাকসিন প্রয়োগের পরও আমি একই আছি। এতে ভয়ের কোন কারণ নেই।

এদিকে করোনা পরিস্থিতিতে নিরাপদ স্বাস্থ্যের জন্য সকলকে করোনার টিকা নেয়ার জন্য আহ্বান জানান তিনি। মানুষের জীবন রক্ষার জন্য সরকারের এই মহৎ উদ্যোগের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীসহ সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

এরআগে মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সারাদেশের মতো রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে  এমএজি ওসমানী হাসপাতালে টিকা প্রয়োগের মধ্য দিয়ে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) টিকাদান শুরু হয় সিলেটে। সিলেটে এক ভার্চুয়াল বক্তব্যের মাধ্যমে সিলেটে টিকাদান কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

এদিন সকাল ১১ টায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থাপিত কেন্দ্রের ১০, ১১ ও ৪ নং বুথে তিনজনের টিকাদানের মাধ্যমে সিলেটে ভ্যাক্সিনেশন কার্যক্রম শুরু হয়। সিলেটে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে টিকা নেয়া প্রথম তিনজন হলেন, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান এনডিসি, সিটি কাউন্সিলর তৌফিক বক্স লিপন ও সাংবাদিকদের মধ্যে জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আল আজাদ।

প্রসঙ্গত, গত ৩১ জানুয়ারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে ২ লাখ ২৮ হাজার ডোজ করোনা ভ্যাকসিন সিলেটে এসে পৌঁছে। সেদিন দুপুরে বেক্সিমকো ফার্মার একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কাভার্ডভ্যানে ১৯০ টি কার্টনে ২ লাখ ২৮ হাজার ডোজের ভ্যাকসিন নগরীর চৌহাট্টাস্থ সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এসে পৌঁছায়। যার প্রতি কার্টনে রয়েছে ১ হাজার ২০০ ভায়াল।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত