জগন্নাথপুর প্রতিনিধি

০৮ জুলাই, ২০২১ ২০:২১

জগন্নাথপুরে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে উত্তরাধিকারী সনদ না দেওয়ার অভিযোগ

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার ৬নং রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যর বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের উত্তরাধিকারী সনদে স্বাক্ষর না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জগন্নাথপুর উপজেলা যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত রাশিদ আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট প্রতিকার চেয়ে গত ২৯ জুন এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানা যায়, রানীগঞ্জ ইউনিয়নের দোস্তপুর গ্রামের ৯নং ওয়ার্ড বাসিন্দা যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা রাশিদ আলী স্ত্রী ও দুই ছেলে রেখে মারা গেলে, তারা উত্তরাধিকারী সনদপত্রের জন্য ইউনিয়ন পরিষদে আবেদন করেন। নিয়মঅনুযায়ী স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবদুল জলিল এতে স্বাক্ষর দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি এতে স্বাক্ষর করেননি।

যুদ্ধাহত বীরমুক্তিযোদ্ধা রাশিদ আলীর ছেলে হাবিবুর রহমান জানান, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আবদুল জলিল ৭১ সালের রাজাকারের সন্তান। তাই তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের সহ্য করতে পারেন না। আমি আমার বাবার উত্তরাধিকারী সনদপত্রের জন্য তার স্বাক্ষর নিতে গেলে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের কোন কাগজে সই করবেন না বলে আমাকে ফেরত দেন। আমি বিষয়টি রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে অবহিত করলে তিনি এতে স্বাক্ষর দেন।

রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুল জলিল বলেন, আমার ওয়ার্ডের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা রাশিদ আলী যুদ্ধাহত বীরমুক্তিযোদ্ধা কি না এটা আমার জানা নেই। তাই তাদেরকে বলেছি যুদ্ধাহত বীরমুক্তিযোদ্ধা হিসেবে কাগজ জমা দিতে। কোন প্রমাণ না দিয়ে আমি ও আমার বাবার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে সেটা ঠিক নয়।

রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম জানান, হাবিবুর রহমান আমার ফুফাতো ভাই। আমি তাদেরকে চিনি তাই উত্তরাধিকারী সনদে প্রতি স্বাক্ষর দিয়েছি। ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য কেন দেননি জানি না।

জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পদ্মাসন সিংহ বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। যা তদন্ত করে আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত