নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ জুলাই, ২০২১ ১৮:১৭

কী ঘটেছিলো কানাইঘাটে, কেনো এতো মারমূখী এই নারীরা?

সিলেটের কানাইঘাটের একটি ভিডিও শনিবার ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায় কয়েকজন নারী লাঠিসোটা নিয়ে একটি টিনের ঘর ভাঙছেন। উত্তেজিত হয়ে গালাগালিও করছেন তারা। তিনজন নারী ও এক তরুণ মিলে এই ভাংচুর করছেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, অনেক লোক দাঁড়িয়ে এমন ভাংচুর দেখলেও বাধা দিচ্ছেন না কেউ। বরং সবার সামনেই পুরো ঘরটি একেবারে তছনছ করে দেন তারা। ঝাজড়া করে দেন টিনের বেড়া। এমনকি বাড়ির সামনের গাছপালাও কেটে দেন।

আসলে কী ঘটেছিলো সেখানে? কবেবার ঘটনা এটি? কেনো এতো মারমূখী হয়ে উঠেছিলেন এই নারীরা?

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঘটনাটি শুক্রবার (৯ জুলাই) বিকেলের। সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার লক্ষিপাশা পূর্ব ইউনিয়নের কাড়াবাল্লা গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরেই এই ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ভাঙচুরের দায়ে শনিবার থানায় মামলা হয়েছে। এরপর অভিযুক্ত ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

ভাঙচুরের অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃত ৬ জন।

কাড়াবাল্লা গ্রামের সালেহা বেগম নিজের ছেলেমেয়েদের নিয়ে এই ভাঙচুর চালান বলে জানা গেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাড়াবাল্লা গ্রামের মইনুদ্দিন লুকু ও সালেহা বেগমের মধ্যে জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছে। সম্প্রতি বিরোধপূর্ণ জায়গায় একটি টিনের ঘর নির্মাণ করেন মইনুদ্দিন লুকু। এরপর দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।

শুক্রবার (৯ জুলাই) বিকেলে সালেহা বেগম ও তার দুই মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ঘরটি ভেঙে দেন। এই ভাঙচুরের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।

এ প্রসঙ্গে কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম পিপিএম বলেন, শুক্রবার শেষ বিকেলে এ ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পরই খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। শনিবার সকালে মইনুদ্দিন লুকু বাদি হয়ে সালেহা বেগমকে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় আরও ৫/৬ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলা নং-১১।

তিনি বলেন, মামলা দায়েরের পর শনিবার দুপুরে এলাকায় অভিযান চালিয়ে  সেলাহে বেগমসহ তার পরিবারের ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃত অন্যরা হলেন, নাজমিন বেগম, নাসির উদ্দিন, সুমি বেগম, সুহাদা বেগম, রহিমা বেগম।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত