সিলেটটুডে ডেস্ক

০৭ আগস্ট, ২০২১ ১৯:৩২

গুলশান সেন্টারে গ্রেনেড হামলায় আহতদের নিয়ে আলোচনা সভা

২০০৪ সালের ৭ আগস্ট সিলেট গুলশান সেন্টারে মহানগর আওয়ামী লীগের সভায় ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় নিহত মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ইব্রাহিম আলী। তার স্মরণে ও আহত সকলের উপস্থিতিতে দলের স্থানীয় একটি হল রুমে স্বাস্থ্য বিধি মেনে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার (৭ আগস্ট) সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং গুলশান সেন্টারে গ্রেনেড হামলায় আহত বিজয়ী যোদ্ধা ও মহানগরের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন এর পরিচালনায় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন ও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ( সিলেট বিভাগের দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতা) আহমদ হোসেন।

সভার শুরুতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারসহ নিহত ইব্রাহিম আলী স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

আলোচনা সভায় ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় আহতদের মধ্যে সেই দিনের স্মৃতিচারণ করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিজবাহ উদ্দীন সিরাজ, মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফয়জুর আনোয়ার আলাওর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এটিম হাসান জেবুল, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবির উদ্দিন, সম্মানিত জাতীয় পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট রাজ উদ্দিন , মহানগরের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ জুবের খান, মহানগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য আজম খান, আহত সদস্য আব্দুস সোবহান।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, শোকের মাস আগস্ট। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়েছিল। আগস্ট আসলেই ঐ বিএনপি -জামাত, রাজাকার গোষ্ঠী আঘাত আনার চেষ্টা করে। ২০০৪ সালের ৭ আগস্ট সিলেট গুলশান সেন্টারে মহানগর আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য ঐ গোষ্ঠী গ্রেনেড হামলা করেছিল। গ্রেনেড হামলায় নিহত হয়েছিল মহানগরের প্রচার সম্পাদক ইব্রাহিম আলী। আহত হয়েছিলেন আজকের উপস্থিত সকল নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ১৫ আগস্টে শাহাদতবরণকারী পরিবারের সকল সদস্য এবং ৭ই আগস্টে নিহত ইব্রাহিম আলীসহ সকলের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। গ্রেনেড হামলায় আহত সকল সদস্যের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। তিনি গ্রেনেড হামলার ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন। এ ধরনের ঘটনা যাতে বিএনপি -জামাত জঙ্গিগোষ্ঠী আর না করতে পারে সে জন্য সবাইকে সোচ্চার হতে আহবান জানান।


এসময়ে উপস্থিত ছিলেন মহানগর আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক খন্দকার মহসিন কামরান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুর রহমান জামিল, জেলা আওয়ামী লীগের শ্রম সম্পাদক মো. সাইফুর রহমান খোকন, মহানগরের সহ-প্রচার সম্পাদক সোয়েব আহমদ, উপ-দপ্তর সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্ত্তী রনি, প্রমুখ।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত