সিলেটটুডে ডেস্ক

২৮ নভেম্বর, ২০১৫ ১৭:৫০

প্রবাসীর বিরুদ্ধে মিথ্যা হয়রানির অভিযোগ

সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

সিলেট নগরীর খাসদবীর এলাকার লন্ডন প্রবাসী ছোট ভাই আবদুল হালিম স্বপনের নানা অভিযোগ খণ্ডন করেছেন বড় ভাই এমএ মুগনী খোকা। শনিবার সিলেট জেলা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তার বিরুদ্ধে ২ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও ৬০ লাখ টাকা চাঁদাদাবির বিষয়টি অস্বীকার করে খোকা পাল্টা অভিযোগ করেন। তিনি সংবাদ সম্মেলনে জানান, অসুস্থ মা’কে সামনে রেখে ছোট ভাই স্বপন তাকে প্রতারক বানানোর চেষ্টা করছে। অথচ দীর্ঘ ২২ বছর কি ভাবে সংসার চলেছে, কি ভাবে সে বিদেশ গেছে তা বলেনি। মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানহানির চেষ্টা করছে সে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আবদুল মুগনী খোকা উল্লেখ করেন, ছোট ভাই স্বপনকে লেখাপড়া শিখিয়ে ১৯৯৩ সালে বিদেশ পাঠান। কিন্তু মানুষ হিসেবে তাকে গড়ে তুলতে পারেননি। স্বপন সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলন করে বাড়ির দুই-তৃতীয়াংশের মালিকানা ও ভবন তার দাবি করে। অথচ বাড়ির ২৭ শতক ভূমির মধ্যে ৯ শতকের মালিক সে। খোকা বলেন, ১৯৮৯ সালের মায়ের অংশের ৯ শতক ভূমি থেকে আমার স্ত্রীর কাবিনে ৭ শতক ভূমি প্রদান করেন। বাড়ির অবশিষ্ট ২ শতক মায়ের নামে ও ৯ শতক আমার নামে।

তিনি বলেন, নিজ খরচে ছোটভাই আবদুল হালিম স্বপনকে স্পেন পাঠাই। সেখানে তার ভালো না লাগলে আমি ফ্রান্স পাঠাই তাকে। পরবর্তীতে আমার এক বন্ধুর সহযোগিতায় তাকে লন্ডন পাঠাই। ২০০৬ ও ২০০৭ সালে তার সন্তানকে দেখতে লন্ডন যাই। ২০১০ সালে এক লন্ডন প্রবাসীর কাছে স্বপনের দেনা শোধের জন্য আমার ৩০ লাখ টাকার এফডিআরের বিপরীতে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে টাকা পরিশোধ করি। স্বপন ঋণের কিস্তি হিসেবে টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও ৫ কিস্তি পরিশোধ করে আর টাকা দেয়নি।

খোকা জানান, তার ভাই তাকে বেকার বলে অভিযোগ দেন। অথচ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন তিনি। ব্যবসার পাশাপাশি আমি খাসদবীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, খাসদবীর পঞ্চায়েত কমিটির সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন মসজিদ মাদ্রাসার কমিটির সাথে জড়িত। তিনি ৩ বার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর ও কমিশনার পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন নিজের ব্যবসার অর্জিত টাকায়। সংবাদ সম্মেলনে এমএ মুগনী খোকা ভাইর বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করারও প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান।

আপনার মন্তব্য

আলোচিত