৩০ নভেম্বর, ২০১৫ ১০:৩০
দলীয় প্রতীকে নির্বাচন কেন্দ্র করে নবীগঞ্জ পৌরসভায় উৎসবমুখর পরিবেশে নানামুখী আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রার্থিতা নিয়ে চলছে গ্রুপিং, লবিং।
বিএনপিতে ঐভাবে দৃশ্যমান কোন লবিং বিদ্যমান না থাকলেও ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগে তুমুল প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। মনোনয়ন পেতে একাধিক প্রার্থী দৌড়ঝাঁপ শুরু করছেন জেলা থেকে কেন্দ্রে। তফসীল ঘোষণা হলেও মনোনয়ন পদ্ধতি নিয়ে অন্ধকারে দলীয় রাজনীতি।
নৌকা প্রতীক কে পাচ্ছেন? এ নিয়ে বিশ্লেষণের শেষ নেই। এদিক থেকে কিছুটা স্বস্তিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী বর্তমান প্যানেল মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমদ চৌধুরী। আওয়ামীলীগ-বিএনপি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, পৌর নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে পোষ্টার, ব্যানার এবং বিল বোর্ড প্রতিযোগিতায় সয়লাব শহরের জনপদ। শুরু হয়েছে নবীন ও প্রবীণ নির্বাচনী প্রচার যুদ্ধ।
দলীয় আবহে কর্মী, সমর্থকদের কদর বৃদ্ধি পেয়েছে। বিপুল প্রচারণা আর বিশাল আকার বিলবোর্ড টানিয়ে নজির স্থাপন করেন উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও ব্যবসায়ী গোলাম রসুল চৌধুরী রাহেল। তবে দলের একাধিক প্রার্থী নিয়ে বিপাকে উপজেলা ও পৌর আওয়ামীলীগ।
মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন আওয়ামীলীগ ঘরানার বর্তমান মেয়র পৌর আওয়ামীলীগ সদস্য অধ্যাপক তোফাজ্জল ইসলাম চৌধুরী, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তাক আহমদ মিলু, নবীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি সুখেন্দু রায় বাবুল। মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে তোফাজ্জল ইসলাম চৌধুরীকে রাজনীতির মাঠে বা কর্মকাণ্ডে দেখা যায়নি। নিরপেক্ষ হিসেবে সমাজে তার যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে। দলীয় প্রতীকে মেয়র তোফাজ্জলের প্রার্থিতা নিয়ে কৌতূহল দেখা দিয়েছে।
ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে শক্ত অবস্থান নিয়ে সক্রিয় রয়েছেন প্রজন্মের নেতা মোস্তাক আহমদ মিলু। রাজনৈতিক মহলে তার অবস্থান অত্যন্ত সুদৃঢ়। এছাড়াও উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও নবীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাবেক সভাপতি সুখেন্দু রায় বাবুল নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব মাহমুদ চৌধুরী জাপা থেকে মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দলীয় সূত্র জানায়। স্বতন্ত্র হিসেবে যুক্তরাজ্য প্রবাসী জাহাঙ্গীর রানা এবং জুবায়ের আহমদ চৌধুরীর নাম আলোচনায় রয়েছে।
আপনার মন্তব্য